যে কারণে আনিসুল হক স্মরণীয় হয়ে থাকবেন...
নিউজওয়ান ডেস্ক
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আনিসুল হক লন্ডনের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।
উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ই-গ্রুপের চেয়ারম্যান মি. হক মস্তিষ্কের প্রদাহজনিত এক রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রায় চার মাস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তৈরি পোশাক ব্যবসায়ী আনিসুল হক ২০১৫ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন।
এদেশের মানুষের কাছে ঠিক কী কারণে আনিসুল হক স্মরণীয় হয়ে থাকবেন?
বিবিসি বাংলার এক সাক্ষৎকারে পারিবারিকভাবে আনিসুল হকের ঘনিষ্ঠ এবং টেলিভিশনে এক সাথে কাজের সুবাদে তাকে ভালোভাবে জানতেন আব্দুন নূর তুষার আর তিনি এই প্রশ্নের জবাবে বলেন, আনিসুল হক একজন বহুমাত্রিক মানুষ ছিলেন।
তার ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল টেলিভিশন উপস্থাপক এবং একই সঙ্গে গার্মেন্টসে কাজ করার মাধ্যমে। আর তারপরে একজন উদ্যোক্তা হয়ে উঠেন এবং পরে বাংলাদেশের সফল উদ্যোক্তাদের একজন হন। তাছাড়া পরবর্তীতে তিনি ব্যবসায়ী সমাজের নেতৃত্ব দিয়েছেন। আঞ্চলিক ব্যবসায়ী সংগঠনেও তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন। এরপর একসময় তিনি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র হয়েছেন। প্রকৃত অর্থে আনিসুল হককে মানুষ নানাভাবে মনে করবে। টেলিভিশনে আনিসুল হকের ভক্ত সর্বস্তরে বিস্তৃত।
এছাড়া ব্যবসায়ী আনিসুল হকের মনোমুগ্ধ ব্যবহারে সবাই তাকে অনেক বেশি ভালোবাসে। আর রাজনীতিবিদ যদি বলেন তিনি প্রথাগত রাজনীতিবিদ ছিলেন না। তিনি প্রকৃত অর্থে একজন সমাজসেবী ছিলেন। সমাজকর্মের অংশ হিসেবে তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। তার আসল লক্ষ্য ছিল ঢাকাকে আরও বাসযোগ্য, মানবিক শহর হিসেবে গড়ে তোলা। আনিসুল হক চেয়েছিলেন ঢাকা শহরটিকে সবাই মিলে আরও উন্নত করতে। প্রকৃত অর্থে তিনি মানুষের জন্য কাজ করতে চেয়েছিলেন। তার রাজনৈতিকভাব কোনো উচ্চকাঙ্খ বা উচ্চাভিলাস ছিল না। তাছাড়া রাজনৈতিক হিসেবে তিনি নিজেকে পরিচয়ও দিতেন না কোনো দিন।
সবশেষে তিনি একজন রাজনীতিবিদ হয়ে ওঠেন এই হিসেবে তার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল, তিনি আপনাদের সাথে কী বলতেন?
এই প্রশ্নের জবাবে তুষার বলেন, আনিসুল হকের সাথে আমার সম্পর্ক প্রায় ৩৩ বছরের। আর আমি এখন তার পরিবারেরই একজন সদস্য হয়ে উঠেছি। তিনি তার কাজের বিষয়ে আমাদের কাউকে কিছু বলতেন না, তার স্বপ্ন নিয়ে বলতেন। তিনি যেমন বলতেন, এই জায়গায় একটি নতুন রাস্তা তৈরি করা যাবে, এই রাস্তাটি আরও সুন্দর করা যাবে, ওইখানে একটি পার্ক তৈরি করা যাবে। তাছাড়া তিনি তরুণদের সাথে গল্প করতে পছন্দ করতেন। তিনি আরও মনে করতেন যে যে বিষয়ে পড়াশুনা করেছে তার কাছে গেলে ওই সম্পর্কে বেশি জানা যাবে। তিনি প্রতিটি কাজে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়েছে এবং তরুণদের কাছেও তাদের ধারণা জানতে চেয়েছেন।
আনিসুল হকের নতুন যে ভূমিকা সেটা কী তিনি উপভোগ করছিলেন?
এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তিনি যদি কোনো কাজের দায়িত্ব হাতে নিতেন তাহলে সেটা তিনি যেভাবেই হোক সেটা সস্পন্ন করতেন এবং যতটুকু অর্জন করা যায় ততটা অর্জন করতেন। এইজন্য তিনি অফিস সময় ছাড়াও কাজ করতেন এমনকি বাড়িতে রাত ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত কাজ করতেন। তার মতে কোনো কাজ আগামীদিনের জন্য ফেলে রাখা যাবে না।
সূত্র: বিবিসি বাংলা
নিউজওয়ান২৪.কম
- ভাষা আন্দোলনের আদ্যেপান্ত
- মহান বিজয় দিবস আজ
- সেনা কল্যাণ সংস্থার শিক্ষামূলক বৃত্তির চেক পেল ২৯৩ শিক্ষার্থী
- বারবার ধর্ষন করা হয়েছে: সুকির দেশ থেকে পালিয়ে আসা নারীদের আর্তনাদ
- ‘বাড়াবাড়ি করছে, দিছি...সরাইয়া’
- পিলখানা হত্যাকাণ্ড: বিজিবির সব ইউনিট শাহাদাত বার্ষিকী পালন করবে
- ট্রেনের টিকিট কাটতে লাগবে এনআইডি নম্বর
- কুয়েতের সঙ্গে তিনটি নয়, চারটি চুক্তি স্বাক্ষর
- সেনাকল্যাণের ৪৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে দরবার অনুষ্ঠিত
- পাকিস্তানি স্কুলের মতে ‘পাঞ্জাবি অশ্লীল ভাষা’!
- খালেদার আপিল শুনানির সময় ইসিতে যা ঘটেছে
- অনিরুদ্ধ অপহৃত নাকি আত্মগোপনে!
- আসল নকল থেকে সাবধান: ভয়াবহ বিপদ ঘটে যেতে পারে!
- বাংলাদেশের রাজনৈতিক জরিপ ও সত্য-মিথ্যা
- ২১ ফেব্রুয়ারি
মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আজ

জমঈয়ত শুব্বানে আহলে হাদীস এর উদ্যোগে তাফসিরুল কুরআন মাহফিল
মুশফিকের শততম টেস্টে হামজার বিশেষ বার্তা
‘ফাঁদে পড়ে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে অনেক বাংলাদেশি’
ভারতকে হারিয়ে ফিফা থেকে সুখবর পেল বাংলাদেশ