ঢাকা, ১৩ আগস্ট, ২০২০
সর্বশেষ:
সেহরি ও ইফতারের সময় সূচি : ঢাকায় প্রথম রোজার সেহরির শেষ সময় রাত ৪টা ৫ মিনিটে আর ইফতার হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিটে। আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। অনলাইনে করোনা নিয়ে যোগাযোগ করতে আইইডিসিআরের ই-মেইল [email protected] এবং ফেসবুক পেজে (Iedcr,COVID19 Control Room) যোগাযোগ করা যাবে। জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

পদ্মাসেতুর ১৭তম স্প্যান বসছে আজ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৯:১৬, ২৬ নভেম্বর ২০১৯  

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আজ মঙ্গলবার পদ্মাসেতুর ১৭তম স্প্যান বসানো হবে। স্প্যানটি সেতুর ২২ ও ২৩ নম্বর পিলারে ওপরে স্থাপন করা হবে।

সোমবার সেতু নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষকে এ তথ্য জানিয়েছে। চলতি মাসে আরো একটি স্প্যান বসানো হবে বলেও জানিয়েছেন সেতুর প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম।

৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটারের সেতুতে ৪১টি স্প্যান বসাতে হবে। এর মধ্যে চীন থেকে সেতু এলাকায় স্প্যান এসেছে ৩১টি। সেখান থেকে ১৬টি স্থাপন করা হয়েছে।

পদ্মা সেতুর প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সেতুর রোডওয়ে স্ল্যাব স্থাপনের কাজ নির্ধারিত গতিতে এগোচ্ছে। ২ হাজার ৯শ ১৭টি রোডওয়ে স্ল্যাব বসবে সেতুতে। এরইমধ্যে ১৬৭৪টি স্ল্যাব তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। বসানো হয়েছে ৬৯টি রোডওয়ে স্ল্যাব। দিনেমাত্র একটি রোডওয়ে স্ল্যাব বসানো যাচ্ছে। 

পদ্মা সেতু প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম বলেন, মূল সেতুর বাস্তব কাজের অগ্রগতি- ৮৪ দশমিক ৫০শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৭৯ দশমিক ০৮ শতাংশ। ২০২১ সালের জুন মাসে সেতু দিয়ে চলবে গাড়ি।

এখন পর্যন্ত মূল সেতুর ৪২টি খুঁটির মধ্যে ৩৩টি খুঁটির কাজ শেষ হয়েছে। বাকি থাকা ১০টির খুঁটির ওপরের অংশের কাজ চলছে।

সেতুর প্রকৌশলীরা বলেন, পদ্মা সেতুর স্প্যানের ভেতরে রেলওয়ে স্ল্যাব লাগবে ২ হাজার ৯৫৯টি। এর মধ্যে ২ হাজার ৯২০ টি স্ল্যাব তৈরি শেষ হয়েছে এবং বাকি স্ল্যাব তৈরি চলতি মাসেই শেষ হবে। এখন পর্যন্ত রেলওয়ে স্ল্যাব ৩৬১টি স্থাপন করা হয়েছে।

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন হয় ২০০৭ সালে। ২০১৫ সালে শুরু হয় নির্মাণ। বর্তমান ব্যয় ৩৩ হাজার কোটি টাকার বেশি।

মূল সেতু নির্মাণে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কোম্পানি। আর নদীশাসনের কাজ করছে চীনের আরেক প্রতিষ্ঠান সিনোহাইড্রো কর্পোরেশন। দুইপ্রান্তে টোল প্লাজা, সংযোগসড়ক, অবকাঠামো নির্মাণ করছে দেশীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

নিউজওযান২৪.কম/এমজেড

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত