ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২০
সর্বশেষ:
আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। অনলাইনে করোনা নিয়ে যোগাযোগ করতে আইইডিসিআরের ই-মেইল [email protected] এবং ফেসবুক পেজে (Iedcr,COVID19 Control Room) যোগাযোগ করা যাবে। জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

ঈদের দ্বিতীয় দিনেও চলছে কোরবানি, কসাই সংকট 

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১১:৩৬, ১৩ আগস্ট ২০১৯  

ঈদের দিনেও চলছে কোরবানি ছবি: সংগৃহীত

ঈদের দিনেও চলছে কোরবানি ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল আজহায় ইসলামের বিধান অনুযায়ী, ঈদের দিন ছাড়াও জিলহজ্জ মাসের ১১ তারিখ (দ্বিতীয় দিন) এবং ১২ তারিখ (তৃতীয় দিন) দিনেও পশু জবাই করা যায়। 

যদিও বেশিরভাগ মানুষই ঈদের দিনটিকে পশু কোরবানির জন্য বেছে নেন, তারপরও কসাইয়ের অতিরিক্ত মজুরি আর কসাই সংকটের কারণে অনেকেই ঈদের দ্বিতীয় দিন কোরবানি দিতে বাধ্য হয়।

আজ মঙ্গলবার ঈদের দ্বিতীয় দিন রাজধানীর মগবাজার, মালিবাগ, চকবাজার, বকশিবাজার, বংশাল, ধোলাইখার এলাকার অলিতেগলিতে কোরবানির চিত্র চোখে পড়ে। তবে ঈদের দিনের তুলনায় এর সংখ্যা কম।

ঈদের দ্বিতীয় দিন কোরবানি দেয়া ধোরাইখাল এলাকার বাসিন্দা আব্দুল্লাহ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘আমার প্রায় ৩ মণ ওজনের গরু ঈদের দিন সকালে কেটে দেয়ার জন্য ৮ হাজার টাকা চেয়েছে কসাই। কেউ ৭ হাজার বলেছে। তাই আমি এত টাকা খরচ না করে আজ কোরবানির সিদ্ধান্ত নেই।’

বংশাল এলাকার বাসিন্দা জুবায়ের অনিক বলেন, ‘অনেকটা ইচ্ছে করেই ঈদের পরের দিন কোরবানি করা। আমরা পুরান ঢাকার মানুষ ঈদের দিনটা নামাজ পড়ে বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে আনন্দের সময় কাটাই। দ্বিতীয় দিন পশু কোরবানি করে আনন্দ ধরে রাখি।’

সালাম সিকদার নামে নবাবপুর এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, ‘গতকাল কসাই পাইনি। একজন আসবে আসবে বলেও আসেনি। তাই বাধ্য হয়েই আজ কোরবানি করছি।’

রাজধানীর গুলশানের নিকেতন এলাকার বাসিন্দা আব্দুস সামাদ। ৭ বছর ধরে থাকেন দক্ষিণ কোরিয়ায়। তাকে তার কোম্পানি ছুটি দিয়েছে সোমবার (১২ আগস্ট) থেকে। রাতেই মালিন্দো এয়ারলাইন্সে ঢাকায় পৌঁছান তিনি। নিজের উপার্জনের টাকায় দেয়া কোরবানি তাই চোখের সামনে করবেন। আর এই কারণে তার স্ত্রী ঈদের দিনের পরিবর্তে পরবর্তী দিন মঙ্গলবারকে বেছে নিয়েছেন তাদের কোরবানির পশুটি জবাইয়ের জন্য।’

এদিকে আজ যারা পশু কোরবানি দিচ্ছেন তাদের বর্জ্য অপসারণে সকাল থেকেই কাজ শুরু করেছে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা। তবে অনেক বাসিন্দাকেই নিজ দায়িত্বে বর্জ্য অপসারণ করতে দেখা গেছে। আর কোথাও আংশিক বর্জ্য থাকলে তা সিটি কর্পোরেশন থেকে অপসারণ করা হচ্ছে। তবে গতকালের মতো আজও সিটি কর্পোরেশনের পশু কোরবানির নির্ধারিত স্থানে কোনো পশু কোরবানির চিত্র দেখা যায়নি।

নিউজওয়ান২৪.কম/আ.রাফি

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত