পাকিস্তান নিষিদ্ধ করলো ‘অ্যামং দ্য বিলিভার্স’
বিশ্ব সংবাদ ডেস্ক
অ্যামং দ্য বিলিভার্স-এর শ্যুটিংয়ের সময় তোলা ছবিতে মাওলানা আব্দুল আজিজ ও ছবির নির্মাতারা -ফাইল ফটো
বহুল আলোচিত লাল মসজিদের বিষয়াবলী নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র ‘অ্যামং দ্য বিলিভার্স’ নিষিদ্ধ করেছে পাকিস্তান। এর একদিন আগেই ফিচারফিল্ম ‘মালিক’কেও নিষিদ্ধ করা হয়।
অ্যামং দ্য বিলিভার্স এরই মধ্যেই ২০টি দেশে প্রদর্শিত হয়েছে আর ঝুলিতে ভরেছে ১২টি পুরস্কার। ডকুমেন্টারিটির পরিচালক মোহাম্মদ আলী নকভি এ ঘটনায় হতাশা প্রকাশ করেছেন।
আলোচিত এই ডকুমেন্টারিতে আলোকপাত করা হয়েছে লাল মসজিদ পরিস্থিতি ও মাওলানা আব্দুল আজিজ এবং তার নেটওয়ার্ক বিষয়ে। একই সঙ্গে এতে উঠে এসেছে অনেক অকথিত কাহিনীও। এই কাহিনী সেইসব কাহিনী যা বয়ান করেছেন লাল মসজিদের চরমপন্থি মতাদর্শের বিরুদ্ধবাদীরা।
পাকিস্তান সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সেন্সরস ছবিটি নিষিদ্ধের পক্ষে যে কারণ দেখিয়েছে তা হলো- সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের আবহে ছবিটিতে পাকিস্তানকে নেতিবাচকভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে ছবির পরিচালক নকভি দ্য ডনকে বলেন, ছবিটি বানাতে আমাদের ছয় বছর লেগেছে। লাল মসজিদে অধ্যয়নরত দুটি শিশুকে কেন্দ্র করে এর কাহিনী আবর্তিত। তারা আমাদের মধ্যকার আদর্শগত যে বিভেদ বিরাজমান- তার সূক্ষ্ণাতিসূক্ষ্ণ অবয়ব ফুটিয়ে তুলেছে এতে।
গত শুক্রবার (২৯ এপ্রিল) ছবিটির পাকিস্তান প্রিমিয়ার হওোর কথা ছিল ইসলামাবাদে। এসময় অনুমতি নিতে গেলে কর্তৃপক্ষ জানায়, অ্যামং দ্য বিলিভার্স পুরো পাকিস্তানের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
লাল মসজিদ হামলার সেই ভয়াবহ ঘটনা
২০০৭ সালের ১০ জুলাই পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশাররফের নির্দেশে লাল মসজিদে সেনাবাহিনী জঙ্গিবিরোধী কমান্ডো হামলা চালায়। ওই হামলায় কমপক্ষে ৫০জন জঙ্গি ও আট সেনা সদস্য নিহত হয়।
এর আগে দেশে শরীয়া আইন চালুর জন্য সরকারের সঙ্গে লাল মসজিদ কেন্দ্রীক শিক্ষপ্রতিষ্ঠানসমূহের নেতা আব্দুল আজিজের দীর্ঘ আলোচনা ভেঙ্গে যায়। তার অনুসারীরা ৭ জন চীনা নাগরিককে জিম্মি করে। কয়েকদিনের টানা অবরোধেরর পর সেনাবাহিনী ভয়াবহ হামলা চালায়। তবে তারা মারাত্মক প্রতিরোধের মুখে পড়ে। বহু নারী ও শিশু এসময় লাল মসজিদ কমপ্লেক্সে আটকা পড়ে।
জঙ্গিরা মেশিনগান, রকেট, গ্রেনেডসহ পাল্টা হামলা চালায় পাকিস্তানি সেনাবিাহিনীর ওপর। তবে চূড়ান্ত হামলার আগের কয়েকদিনে বেশ কয়েক হাজার মাদ্রাসা ছাত্র আত্মসমর্পণ করে।
প্রসঙ্গত, পাকিস্তানে ব্যাপক জনপ্রিয় লাল মসজিদ নেতা আব্দুল আজিজ গাজী ফতোয়া দিয়েছিলেন, লাল মসজিদ যুদ্ধে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করে যারা মারা গেছেন- তারা শহীদ। তার এই ফতোয়া ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে।
নিউজওয়ান২৪.কম/একে
- ভাষা আন্দোলনের আদ্যেপান্ত
- মহান বিজয় দিবস আজ
- সেনা কল্যাণ সংস্থার শিক্ষামূলক বৃত্তির চেক পেল ২৯৩ শিক্ষার্থী
- কুয়েতের সঙ্গে তিনটি নয়, চারটি চুক্তি স্বাক্ষর
- বারবার ধর্ষন করা হয়েছে: সুকির দেশ থেকে পালিয়ে আসা নারীদের আর্তনাদ
- ‘বাড়াবাড়ি করছে, দিছি...সরাইয়া’
- পিলখানা হত্যাকাণ্ড: বিজিবির সব ইউনিট শাহাদাত বার্ষিকী পালন করবে
- ট্রেনের টিকিট কাটতে লাগবে এনআইডি নম্বর
- সেনাকল্যাণের ৪৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে দরবার অনুষ্ঠিত
- পাকিস্তানি স্কুলের মতে ‘পাঞ্জাবি অশ্লীল ভাষা’!
- খালেদার আপিল শুনানির সময় ইসিতে যা ঘটেছে
- অনিরুদ্ধ অপহৃত নাকি আত্মগোপনে!
- আসল নকল থেকে সাবধান: ভয়াবহ বিপদ ঘটে যেতে পারে!
- ২১ ফেব্রুয়ারি
মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আজ - বাংলাদেশের রাজনৈতিক জরিপ ও সত্য-মিথ্যা

ফ্রিতে আইটি প্রশিক্ষণ, কোর্স শেষে চাকরির সুযোগ
ফোনের চার্জ কখনো ফুরাবে না, যদি...
Not a UFO, but...
হজ ফরজ হওয়ার পর মাহরাম না থাকলে নারীদের করণীয়