ঢাকা, ১০ আগস্ট, ২০২০
সর্বশেষ:
সেহরি ও ইফতারের সময় সূচি : ঢাকায় প্রথম রোজার সেহরির শেষ সময় রাত ৪টা ৫ মিনিটে আর ইফতার হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিটে। আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। অনলাইনে করোনা নিয়ে যোগাযোগ করতে আইইডিসিআরের ই-মেইল [email protected] এবং ফেসবুক পেজে (Iedcr,COVID19 Control Room) যোগাযোগ করা যাবে। জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

স্ত্রীকে জীবন্ত কবর দিল তুকারাম যে কারণে  

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:১২, ৬ ডিসেম্বর ২০১৯  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন ৪৪ বছরের তনভি। অনেক চেষ্টা করেও তাকে সুস্থ করতে পারেননি চিকিৎসকরা। এদিকে তনভির চিকিৎসার পেছনে ব্যয় করতে করতে নি:স্ব স্বামী। 

শেষমেশ স্ত্রীর ওপর বিরক্ত হয়ে তিনি যা করেছেন তাতে বাকরুদ্ধ সবাই। স্ত্রীকে জীবন্ত কবর দিয়েছেন তিনি।

এমন পাশবিক ঘটনা ঘটেছে ভারতে।

স্থানীয়রা জানান, কয়েক বছর আগে তুকারাম শেটগাঁওকর নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল তনভী নামে ওই নারীর। প্রথম সব ঠিকঠাক থাকলেও পরে শারীরিক অসুস্থতার জন্য বিছানায় শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন তনভী। দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করেও তাকে সুস্থ করা যায়নি।

এদিকে স্ত্রীর চিকিৎসায় প্রায় সব টাকা খরচ হয়ে যায় তুকারামের। কোনো উপায় না দেখে  বুধবার গ্রামের একটি সেচ প্রকল্পের জায়গায় স্ত্রীকে জীবন্ত পুঁতে ফেলেন এই পাষণ্ড স্বামী।

বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে সেচ প্রকল্পের জন্য খোঁড়া ক্যানালে মাটি সমান করছিলেন কিছু শ্রমিক। আচমকা সেখানে উপস্থিত হয়ে কাজ বন্ধ করার কথা বলে তুকারাম। তাকে অগ্রাহ্য করে মেশিনের সাহায্যে মাটি তুলেছিলেন ওই শ্রমিকরা। খানিকটা মাটি তোলার পরেই ওই নারীর মরদেহ দেখতে পান তারা। অবশেষে এলাকা ছেড়ে পালান তুকারাম।

এ ঘটনায় তুকারামকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তিনি হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

পুলিশকে তিনি জানান, স্ত্রীর অসুস্থতার জন্য তার জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিল। ডাক্তার দেখাতে গিয়ে সব টাকাও খরচ হয়ে যায়। এমন অবস্থায় পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায় তাদের ছেলের। এরপরই স্ত্রীকে জীবিত কবর দেয়ার পরিকল্পনা করেন তিনি।

নিউজওয়ান২৪.কম/এমজেড

আরও পড়ুন
বিশ্ব সংবাদ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত