ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২০
সর্বশেষ:
আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। অনলাইনে করোনা নিয়ে যোগাযোগ করতে আইইডিসিআরের ই-মেইল [email protected] এবং ফেসবুক পেজে (Iedcr,COVID19 Control Room) যোগাযোগ করা যাবে। জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

লাইভ ভিডিওতে কোরবানি, মাংস হোম ডেলিভারি দেবে ডিএনসিসি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭:২০, ৩ জুলাই ২০২০  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত


মুসলমানদের ধর্মীয় দ্বিতীয় বড় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ। আর এবারের ঈদুল আজহায় করোনা পরিস্থিতিতে ক্রেতাদের পশুর চাহিদা মেটাতে অনলাইনে ডিজিটাল হাট পরিচালনার পরিকল্পনা চলছে বলে জানিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)।

সিটি কর্পোরেশন সূত্রে জানা গেছে, এবার অনলাইন ডিজিটাল হাটে সীমিত পরিসরে পশু কোরবানি করে মাংস হোম ডেলিভারির ব্যবস্থাও থাকছে। কোরবানি এবং মাংস কাটা, ঘরে বসেই লাইভ ভিডিওতে দেখা যাবে।

এছাড়া করোনা পরিস্থিতির সতর্কতায় কোরবানির পশুর হাটের সংখ্যা কমিয়ে সাতটি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। 

পূর্ব নির্ধারিত ১০টি হাটের মধ্যে ছিল- মিরপুরের ইস্টার্ন হাউজিং হাট, আগারগাঁও, ৩০০ ফিট এলাকার ডুমনি, উত্তরা ১৫ নম্বর সেক্টরের ১ নম্বর ব্রিজের পশ্চিম অংশে ও ২ নম্বর ব্রিজের পশ্চিমে গোলচত্বর পর্যন্ত সড়কের উভয় পাশের ফাঁকা জায়গা, মোহাম্মদপুর বুদ্ধিজীবী সড়কসংলগ্ন (বছিলা), ভাসানটেক, মিরপুর সেকশন-৬, ওয়ার্ড-৬-এর (ইস্টার্ন হাউজিং) খালি জায়গা, ভাটারা (সাঈদনগর) পশুর হাট, মিরপুর ডিওএইচএস এর উত্তর পাশের সেতু প্রপার্টি ও সংলগ্ন খালি জায়গার অস্থায়ী পশুর হাট, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট খেলার মাঠ, বাড্ডার ইস্টার্ন হাউজিং (আফতাবনগর) সড়কের হাট ইত্যাদি।
 
তবে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়ায় ভাসানটেক, ইস্টার্ন হাউজিং এবং আফতাব নগর- এই তিনটি হাট বাদ দেয়া হচ্ছে।

ইজারা পেতে যাওয়া হাটগুলো হচ্ছে-

উত্তরার সবগুলো হাট মিলিয়ে বৃন্দাবন এলাকায় একটি হাট, মোহাম্মদপুরের বছিলা, কাওলার হাট, ৩০০ ফিট সড়কের ডুমনি হাট, ভাটারার সাঈদ নগর হাট। এছাড়া গাবতলীর স্থায়ী পশুর হাটসহ মোট সাতটি।
 
বিপুল পরিমাণ আয় থেকে বঞ্চিত হলেও জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে জানিয়ে ডিএনসিসি মেয়র বলেন, এই হাটগুলোর ইজারা যে ফিরিয়ে দিচ্ছি এতে কোটি কোটি টাকা আয়ের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। তবুও জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি আগে। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় আমরা হাট দিতে পারি না। করোনার কারণে শহরের পরিধির একটু বাইরে বা খোলামেলা এলাকায় হাট দিচ্ছি। এরপরেও ক্রেতার চাহিদা পূরণ করতে ডিজিটাল হাট বসবে। এ বিষয়ে ইক্যাবের সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলছে।
 
এদিকে পশুর ডিজিটাল হাট স্থাপনের কাজ প্রায় চূড়ান্ত বলে জানিয়েছে ইক্যাব। ই-কমার্স ব্যবসায়ীদের সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াহেদ তমাল বলেন, পরিকল্পনা মোটামুটি চূড়ান্ত। কিভাবে করা হবে সে বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। এবারই প্রথম সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে আমরা ইক্যাব, এটুআই, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং আই-ল্যাব যৌথভাবে এমন হাট করতে যাচ্ছি। এই হাটের সার্বিক বিষয় বাস্তবায়ন করবেন আমাদের সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো। আমরা প্রয়োজনীয় সাপোর্ট দেবো।

তমাল বলেন, এবার যেহেতু স্বাস্থ্যবিধি মানার একটি ব্যাপার আছে আমরা সেই জায়গাতেই অবদান রাখতে চাই। আমরা সিটি কর্পোরেশনের কাছে একটি জায়গা চেয়েছি। একজন ক্রেতার কেনা পশুগুলো সেখানে রাখা হবে। কেউ হয়তো নিজের পশু দেখতে চান। যথাযথ নিয়ম মেনে তাকে তার পশু দেখানো হবে। এখানে কোনোভাবেই বেচা-কেনা হবে না। আর যারা পশু বাসায় নিতে চাইবেন তাদের হোম ডেলিভারিতে পৌঁছে দেয়া হবে। সেই সঙ্গে সীমিত আকারে পশু কোরবানি করে মাংস পৌঁছে দেয়ার সেবাও রাখছি এতে।

তিনি বলেন, একটি পশু জবাই করে মাংস কাটার এই পুরো প্রক্রিয়ায় অনেকগুলো মানুষকে কাছাকাছি আসতে হয়, যেটা এই সময়ে ঝুঁকিপূর্ণ। আমরা স্বাস্থ্য নিরাপত্তার বিষয়গুলো মেনে পশু কোরবানি করে মাংস কেটে ক্রেতার বাড়িতে দিয়ে আসব। তারা যেন কোরবানি এবং মাংস কাটার পর্বটি ঘরে বসেই লাইভ ভিডিওতে দেখতে পান, সেই প্রযুক্তি নিয়েও কাজ করছি।

নিউজওযান২৪.কম/এমজেড

আরও পড়ুন
রাজধানী বিভাগের সর্বাধিক পঠিত