ঢাকা, ১১ আগস্ট, ২০২০
সর্বশেষ:
সেহরি ও ইফতারের সময় সূচি : ঢাকায় প্রথম রোজার সেহরির শেষ সময় রাত ৪টা ৫ মিনিটে আর ইফতার হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিটে। আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। অনলাইনে করোনা নিয়ে যোগাযোগ করতে আইইডিসিআরের ই-মেইল [email protected] এবং ফেসবুক পেজে (Iedcr,COVID19 Control Room) যোগাযোগ করা যাবে। জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

বৃহত্তম গোলাপি চাঁদ, দেখা মিলবে দিনে 

প্রকাশিত: ১২:৪৮, ৪ এপ্রিল ২০২০  

জেনে নিন, আসন্ন সুপারমুনকে যে কারণে গোলাপি চাঁদ বলা হচ্ছে...

জেনে নিন, আসন্ন সুপারমুনকে যে কারণে গোলাপি চাঁদ বলা হচ্ছে...


পৃথিবী রহস্যময়! এতে নানান কিছু ঘটে যায় দিনে ও রাতে। তবে এসব কিছুর আছে নির্দিষ্ট ক্ষণ বা সময়। যেমন : রাতে উঠে চাঁদ-তারা। দিনে দেখা মিলে সূর্যের। আর যদি এর ব্যতিক্রম কিছু হয়, দিনেও উঠবে চাঁদ! কি বিশ্বাস হচ্ছে না? তো চলুন দেখে নিই নিচের প্রতিবেদনটি-

চলতি বছরের এপ্রিলে ভারতের আকাশে দেখা মিলবে এক সুপারমুনের। তবে রাতের আকাশে সুপারমুনটিকে দেখা যাবে না। মুনটির দেখা মিলবে দিনের আকাশে।-খবর এনডিটিভির।

সংবাদমাধ্যমটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দিনের আকাশে দেখার সম্ভাবনা সুপারমুনকে গোলাপি চাঁদ হিসেবে নামকরণ করা হয়েছে। ওই সুপার পিঙ্ক মুন পৃথিবী থেকে তিন লাখ ৫৬ হাজার ৯০৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। আর পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যবর্তী গড় দূরত্ব তিন লাখ ৮৪ হাজার ৪০০ কিলোমিটার।

ওই প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, সুপার পিঙ্ক মুনটি চলতি বছরের উজ্জ্বলতম ও বৃহত্তম পূর্ণিমা হতে চলেছে। সকাল বেলা চাঁদটি উঠায় অনেক ভারতীয়রা নাও দেখতে পারেন। তবে সরাসরি অনলাইনে দেখা যাবে।

তবে পূর্ণিমা হলেই সুপারমুন নাও হতে পারে, কারণ পৃথিবীর চারপাশে একটি উপবৃত্তাকারের কক্ষপথে ঘোরে চাঁদ। আমাদের গ্রহ থেকে আরো অনেক দূরে থাকলেও পূর্ণিমার পূর্ণ চাঁদ দেখা যেতে পারে।

CNET-র একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৮ এপ্রিলের সুপারমুন চলতি বছরের সবচেয়ে বড় ও উজ্জ্বল সুপারমুন হবে।

আসন্ন সুপারমুনকে যে কারণে গোলাপি চাঁদ বলা হচ্ছে-

সাধারণত আমেরিকান অঞ্চল ও ঋতুগুলোর ওপর নির্ভর করে পূর্ণিমার চাঁদের নামকরণ করা হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, গোলাপি ফুলের নামের ওপর ভিত্তি করে ‘গোলাপি চাঁদ’ নাম দেয়া হয়েছে। এ ফুল উত্তর আমেরিকার পূর্ব দিকে বসন্তকালে ফোটে। তবে এটি মোটেও চাঁদের রঙ নয়। সেখানে পুরো গোলাকার চাঁদকে স্প্রাউটিং গ্রাস মুন, ফিশ মুন ও এগ মুন নামে ডাকা হয়।

নিউজওয়ান২৪.কম/এমজেড

ইত্যাদি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত