ঢাকা, ১৫ আগস্ট, ২০২০
সর্বশেষ:
সেহরি ও ইফতারের সময় সূচি : ঢাকায় প্রথম রোজার সেহরির শেষ সময় রাত ৪টা ৫ মিনিটে আর ইফতার হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিটে। আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। অনলাইনে করোনা নিয়ে যোগাযোগ করতে আইইডিসিআরের ই-মেইল [email protected] এবং ফেসবুক পেজে (Iedcr,COVID19 Control Room) যোগাযোগ করা যাবে। জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

বিশ্রামে যুবরাজ, ডোন্ট ডিস্টার্ব!

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০:৪৯, ৯ আগস্ট ২০১৯  

বিশ্রামে যুবরাজ। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্রামে যুবরাজ। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর অস্থায়ী পশুর হাট আফতাব নগরে কিশোরগঞ্জ থেকে এসেছে একটি ষাঁড়। নাম তার যুবরাজ।

এটি ফ্রিজিয়ান জাতের। মালিকের দাবি, গরুটির ওজন ১২০০ কেজির ওপরে। বিশাল আকারের এই দেহ নিয়ে যুবরাজকে নড়াচড়া করতে একটু কষ্ট হয়।

কিশোরগঞ্জ থেকে তিনজন মিলে বুধবার রাতে আফতাব নগরে যুবরাজকে নিয়ে এসেছেন। যুবরাজের সঙ্গে আনা হয়েছে আরো একটি গরু। যেটির দাম চাওয়া হচ্ছে ১৫ লাখ টাকা।

যুবরাজকে আফতাব নগরে নিয়ে আসা তিনজনের একজন মো. সোহাগ। তিনি বলেন, যুবরাজ আমাদের নিজস্ব গাভীর বাছুর। তিন বছর ধরে ওকে পালন করছি। শখ করে নাম রেখেছি যুবরাজ। যুবরাজের পেছনে ১০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে।

আধা ঘণ্টারও বেশি সময় অবস্থান করে যুবরাজকে শুয়ে থাকতেই দেখা যায়। একবারের জন্যও উঠে দাঁড়ায়নি। বিশাল আকারের গরুটি দেখতে প্রাপ্তবয়স্ক ও বাচ্চাসহ অনেককে ভিড় করতে দেখা যায়। এদের কেউ কেউ গরুটিকে দাঁড় করানোর জন্য হাত বা লাঠি দিয়ে খোঁচা দিলে সোহাগ বললেন, যুবরাজ এখন রেস্টে (বিশ্রাম) আছে, বিরক্ত করবেন না। গতকাল পুরো রাত ধরে ঢাকায় এসেছে, দাঁড়িয়ে ছিল। এখন কিছু রেস্ট নেবে। ২/৩ ঘণ্টার মধ্যে আমরা যুবরাজকে দাঁড় করাব না।’

সোহাগ বলেন বলেন, সকাল থেকে অনেকেই যুবরাজকে দেখতে এসেছেন। কিছু কিছু বাচ্চা এসেও বিরক্ত করছে। আমরা ৩০ লাখ টাকা দাম চাচ্ছি। তবে এর থেকে দাম কিছু কম হলেও বিক্রি করব।
১০-১২ বছর বয়সী শিশু সোহান বলেন, এটা তো দেখতে হাতির মতোই। তা দাঁড়ায় না কেন? সব সময় দেখি শুধু শুয়েই থাকছে। আঙ্কেল, এটার দাম কত?

শিশু বাচ্চার এমন প্রশ্ন শুনে কিছুটা বিরক্ত হয়ে সোহাগের সঙ্গে আসা আরেকজন বললেন, বাবা এখন বিরক্ত করো না তো। যাও, ওকে একটু রেস্ট নিতে দাও। কয়েক ঘণ্টা পর এসো।

সাইদুল নামের একজন বলেন, সকাল থেকে আমি এ হাটের প্রায় অংশই ঘুরে দেখেছি। এটাই এখনো পর্যন্ত আফতাব নগর হাটের সবচেয়ে বড় গরু। তবে ওদের চাওয়া দাম আমার কাছে অনেক বেশি মনে হচ্ছে।

নিউজওয়ান২৪.কম/আ.রাফি

আরও পড়ুন
রাজধানী বিভাগের সর্বাধিক পঠিত