ঢাকা, ১৫ আগস্ট, ২০২০
সর্বশেষ:
সেহরি ও ইফতারের সময় সূচি : ঢাকায় প্রথম রোজার সেহরির শেষ সময় রাত ৪টা ৫ মিনিটে আর ইফতার হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিটে। আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। অনলাইনে করোনা নিয়ে যোগাযোগ করতে আইইডিসিআরের ই-মেইল [email protected] এবং ফেসবুক পেজে (Iedcr,COVID19 Control Room) যোগাযোগ করা যাবে। জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

প্রেমিক-প্রেমিকাদের মিলন ঘটায় জার্মানির এই ওক গাছ! 

নিউজওয়ান স্পেশাল ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২:২৭, ৪ আগস্ট ২০১৯  

৫০০ বছর বয়সী মহাবৃদ্ধ এক ওক গাছের কাছে দুনিয়ার বিভিন্ন স্থান থেকে প্রেমিক প্রেমিকারা প্রতিবছর শত শত চিঠি পাঠান। গাছটির অবস্থান জার্মানির উত্তরাঞ্চলের ডুডাউর জঙ্গলে। শতাধিক জুটির বিবাহবন্ধনে ‘ঘটকের ‘ ভূমিকা রেখেছে গাছটি। ১২৮ বছর আগে এই গাছটি ছিল একজোড়া প্রেমিক-প্রেমিকার প্রেম-অভিসারের সাক্ষী। 

মেন্না নামের তরুণী তার প্রেমিক উইলএলমের সঙ্গে দেখা করতো এই গাছটির নিচে। তারা লোকজনের নজর থেকে বাঁচতে ওই গাছটির কোটরে পরষ্পরের উদ্দেশ্যে লেখা চিঠিও রেখে যেত। কিন্তু বিষয়টি মেন্নার বাবার নজরে পড়ে গেলে তিনি বাঁধা হয়ে দাঁড়ান মেয়ের প্রেমের পথে। উইলএলমের সঙ্গে মেন্নার দেখাসাক্ষাতের পথ বন্ধ করে দেন বাবা। 

এভাবে প্রেম-বিরহে দীর্ঘ একটি বছর পার হয়ে যায়। এরপর একপর্যায়ে বরফ গলতে শূরু করে। মেয়ের প্রতি সদয় সদয় হয়ে ওঠেন মেন্নার বাপ। তিনি মেয়েকে অনুমতি দেন প্রেমিক উইলএলমকে বিয়ে করার। 

১৮৯১ সালে বিখ্যাত এই ওকের ছায়ায় আলোচিত প্রেমিক জুটি মেন্না-উইলএলম বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন। ইতোমধ্যে এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছিল মেন্না-উইলএলমের দুর্দান্ত প্রেমকাহিনী। কিন্তু তাদের বিয়ের পর তা পুরো জার্মানিতে আলোড়ন তোলে। জার্মানির বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রেমিক-প্রেমিকারা গাছটিকে উদ্দেশ্য করে প্রেমপত্র লেখা শুরু করে এবার। তাদের অনেকেই গাছকে অনুরোধ করে মনের মানুষ খুঁজে দিতে। 

চিঠির পর চিঠি আসতে থাকে বুড়ো ওক গাছের ঠিকানায়। ব্যাপার-স্যাপার দেখে জার্মান ডাক বিভাগ ডয়েশে পোস্ট এক উদ্যোগ নেয়। তারা ওই গাছটির জন্য একটি আলাদা পোস্টাল কোড নির্ধারণ করে যাতে তার বরাবরে লেখা চিঠিগুলো ঠিকঠিক সহজে পৌঁছে যায়। এছাড়া গাছের কাছে চিঠি পৌঁছানোর জন্য একজন স্পেশাল ডাকপিয়নকেও নিযুক্ত করা হয়। গাছটির প্রকোষ্ঠ যেখানে প্রথম প্রেমিক-প্রেমিকা চিঠি রাখতো সেখানে ওঠার জন্য একটি যুঁতসই মইও তৈরি করে দেয় ডয়েশে পোস্ট। এর উদ্দেশ্য সেখানে উঠে যাতে প্রেমিক-প্রেমিকারা ওক গাছকে পাঠানো চিঠিগুলো পড়তে পারে এবং নিজের পছন্দের জনকে প্রেমের ডাকে সাড়া দিতে পারে।গাছটির ঠিকানায় এখন পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান থেকে বছরে হাজারের বেশি চিঠি আসে। 
দুবাই পোস্ট 

ইত্যাদি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত