ঢাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০
সর্বশেষ:
আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। অনলাইনে করোনা নিয়ে যোগাযোগ করতে আইইডিসিআরের ই-মেইল [email protected] এবং ফেসবুক পেজে (Iedcr,COVID19 Control Room) যোগাযোগ করা যাবে। জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

প্রেমিকার ধোঁকায় আত্মঘাতী যুবক: ওকে আসতে বলিস দাফনে…

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩:৪৮, ১৬ নভেম্বর ২০১৯  

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

প্রেমিকার ধোঁকায় আত্মঘাতী হয়েছেন হারপ্রিত নামের এক পাঞ্জাবী যুবক। প্রেমিকা তার বিয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিল বলে জানা গেছে। সুইসাইড নোটে হারপ্রিত বন্ধুদের উদ্দেশ্যে জানিয়ে গেছেন, প্রেমিকা ফোন নম্বর বদলে ফেলেছে। তাই তার মৃত্যুর খবর যেন ফেসবুকে প্রচার করা হয়।

ছোট ভাই জাসপ্রিত জানিয়েছেন, সহকর্মী এক তরুণীর সঙ্গে প্রেম ছিল হারপ্রিতের। কিছুদিন আগে বাবাকে নিয়ে হারপ্রিত গিয়েছিল প্রেমিকার বাসায় বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে। কিন্তু মেয়েটি এবং তার পরিবার তা প্রত্যাখ্যান করে। 

হারপ্রিতের প্রেমিকার বিরুদ্ধে আরও কিছু জঘন্য অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা গেছে, প্রেমিক হারপ্রিত তাকে ৭ লাখ রুপির ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন সুদে। কিন্তু সেই টাকা ফেরত দিচ্ছিলেন না। নিরূপায় হয়ে হারপ্রিত টাকার জন্য চাপ দিলে প্রেমিকা তাকে ভয় দেখায় ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসিয়ে দেওয়ার। এই কাজে প্রেমিকা তার বন্ধুদেরও শামিল করার ভয় দেখায়। 

মূলত প্রেমিকার কাছ থেকে এই ধরনের হুমকির পর থেকে হারপ্রিতকে খুব পেরেশান দেখাতো। একদিকে ৭ লাখ রুপি ফেরত না পাওয়ার যন্ত্রণা অন্যদিকে প্রেমিকার ঘিনঘিনে চেহারা সামনে আসা- এ দুয়ে ভেঙে পড়েছিলেন প্রেমিক যুবক।  
হারপ্রিত সিং নামের ৩০ বছর বয়সী ওই পাঞ্জাবী যুবক ছোট ভাই জাসপ্রিত সিং ও বাবা-মাসহ বিহার রাজ্যে বসবাস করছিলেন। একটি প্রাইভেট কোম্পানির কর্মচারী হারপ্রিত দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার কারণে গত বেশ কিছুদিন ধরে বাসায় বিশ্রামে ছিলেন। কিন্তু হত ১২ নভেম্বর রাতে তাকে নিজের ঘরে ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। 

পুলিশ তার ঘর থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করেছে যাতে হারপ্রিত তার মৃত্যুর জন্য প্রেমিকা ও দুজন বন্ধুকে দায়ী করে গেছেন। মৃত্যুর আগে হারপ্রিত তার সেলফোনে একটি ভিডিও ক্লিপেও ঘটনা বয়ান করে গেছেন। পুলিশ আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা দায়ের করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

হারপ্রিত মৃত্যুর আগে মেসেঞ্জারে তার এক বন্ধুকে লিখেছিল- ভাই, অনেক চেষ্টার পরও মেয়েটির দেওয়া দুঃখ ভুলতে পারছি না। তার বন্ধুরা আমাকে মজবুর করে ফেলেছে। আমি আত্মহত্যা করছি… আমার মৃত্যুর খবর ও শেষ ছবি ফেসবুকে আপলোড করিস। মেয়েটি তার নম্বর বদলে ফেলেছে। তার মায়ের নম্বর আমার ফোনে আছে। তাকে আমার শেষকৃত্যে আসতে অবশ্যই বলবি।
নিউজওয়ান২৪.কম/আরকে

ইত্যাদি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত