ঢাকা, ২৮ মে, ২০২০
সর্বশেষ:
সেহরি ও ইফতারের সময় সূচি : ঢাকায় প্রথম রোজার সেহরির শেষ সময় রাত ৪টা ৫ মিনিটে আর ইফতার হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিটে। আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। অনলাইনে করোনা নিয়ে যোগাযোগ করতে আইইডিসিআরের ই-মেইল [email protected] এবং ফেসবুক পেজে (Iedcr,COVID19 Control Room) যোগাযোগ করা যাবে। জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

জিডি বা সাধারণ ডায়েরি করবেন যেভাবে

ইত্যাদি ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১:২২, ১৬ এপ্রিল ২০১৯  

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

থানায় মামলা হওয়ার যোগ্য নয় এমন ঘটনায় জিডি বা সাধারণ ডায়েরি করতে হয়। আবার কেউ যদি ভয়-ভীতি দেখায় বা কারো কোনো নিরাপত্তার অভাব দেখা দেয়, তাহলেও কোনো ধরনের অপরাধের আশঙ্কায় জিডি হতে পারে। 

এরপরই পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে।

আর জিডি বা সাধারণ ডায়েরি করার জন্য কিছু নিয়ম-কানুন রয়েছে। এসব নিয়ম-কানুন জানলে খুব সহজেই জিডি করা যায়। তাই আসুন কীভাবে জিডি করতে হয় তার বিস্তারিত জেনে নেই-
 
জিডি কী: কোন মূল্যবান জিনিসপত্র বা দলিল হারিয়ে গেলে ভবিষ্যতে কারো দ্বারা কোনো ব্যক্তির জীবন বা সম্পদের ক্ষয়-ক্ষতির আশঙ্কা থাকতে পারে। এ ধরনের বিষয় এড়ানোর জন্যই সংশ্লিষ্ট থানার ওসির বরাবর লিখিত আবেদনই জিডি (জেনারেল ডায়েরি) বা সাধারণ ডায়েরি।

জিডি কেন করা হয়: কারো কোনো মূল্যবান জিনিসপত্র (মোবাইল, ল্যাপটপ, মোটরসাইকেল, স্বর্ণালংকার ইত্যাদি) হারিয়ে গেলে জিডি করা হয়। এছাড়াও বিভিন্ন মূল্যবান দলিল, সনদ, পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র ইত্যাদি হারিয়ে গেলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি জিডি করতে পারেন। আবার কোনো ব্যক্তি জীবননাশের হুমকি পেলে অথবা তার জীবন বা সম্পদের ক্ষয়-ক্ষতির আশঙ্কা করলে ওই বিষয়ে জিডি করতে পারেন।

জিডি কোথায় করা হয়: জিডি বা সাধারণ ডায়েরি করার ক্ষেত্রে ঘটনার স্থান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত যে এলাকায় কোনো জিনিস হারিয়ে যায় অথবা জীবন বা সম্পদের ক্ষয়-ক্ষতির হুমকি আসে, ওই এলাকার নির্দিষ্ট থানার ওসি বরাবর জিডি করতে হয়।

অনলাইনেও করা যায়: বর্তমানে অনলাইনেও জিডি করা যায়। এর জন্য www.police.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে ‘Citizens help request’–এ ক্লিক করতে হবে।
 
জিডি’র ফি: জিডি করার জন্য সরকারিভাবে কোনো ফি নির্ধারণ নেই। তাই ভুক্তভোগী বিনামূল্যে সংশ্লিষ্ট থানার ওসি’র কাছে লিখিত আকারে আবেদন করতে পারেন। কেউ জিডি লিখতে না পারলে কর্তব্যরত অফিসারের সাহায্য নিতে পারেন।

জিডি’র কপি: জিডির একটি কপিতে থানার ওসি জিডি নম্বর লিখেন। এরপর তারিখসহ স্বাক্ষর করেন এবং অফিস সীল মেরে দেন। পরে এটির একটি অনুলিপি ভুক্তভোগীকে সংরক্ষণের জন্য দেয়া হয়। অন্য একটি কপি থানায় নথিভুক্ত করে রাখা হয়। এরপর থানার ওসি জিডির বিষয়বস্তু আমলে নিয়ে ঘটনার সত্যতা ও গুরুত্ব অনুযায়ী ব্যবস্থা নেন।

নিউজওয়ান২৪.কম/আ.রাফি

ইত্যাদি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত