ঢাকা, ১১ নভেম্বর, ২০১৯
সর্বশেষ:
জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯ আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন ডিসেম্বরে হেল্পলাইন ১৬২৬৩ এ কল করলেই ডাক্তারের পরামর্শ

এবার যৌন হেনস্থাকারী প্রধান বিচারপতি!

প্রকাশিত: ১৭:৪২, ২০ এপ্রিল ২০১৯  

প্রধান বিচারপতি গোগৈ      -ফাইল ফটো

প্রধান বিচারপতি গোগৈ -ফাইল ফটো

এবার যৌন নিপীড়ণের অভিযোগ বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র হিসেবে পরিচিত ভারতের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গোগৈর বিরুদ্ধে। দেশটির সুপ্রিম কোর্টের একজন সাবেক কর্মকর্তা প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের এ অভিযোগ করেছেন। যদিও প্রধান বিচারপতি একে ‘ভুয়া অভিযোগ’ দাবি করে অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছেন।

৩৫ বছর-বয়স্ক ওই নারী কর্মকর্তা এক হলফনামায় গত বছর অক্টোবর মাসে ঘটা দুটি অসদাচরণের অভিযোগ করেন।ওই ঘটনার কিছুদিন আগে গোগৈ প্রধান বিচারপতি পদে নিযুক্ত হন। যৌন নির্যাতনের দাবিতে করা হলফনামাটি সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

গোগৈ এই অভিযোগকে ভারতের বিচার ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করার ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছেন।

প্রসঙ্গত, ভারতীয় আইন অনুযায়ী এ ধরনের ক্ষেত্রে অভিযোগকারী নারীর পরিচয় প্রকাশ করা যায় না।

বিবাহিত ওই নারী হলফনামায় বলছেন, গত ১০ এবং ১১ই অক্টোবর মি. গোগৈয়ের বাড়ির অফিসকক্ষে নিপীড়নের ঘটনাগুলো ঘটে।

হলফনামায় তিনি বলেন, গোগৈ আমার কোমর জড়িয়ে ধরেন, আমার সর্বাঙ্গে হাত বুলান, এবং শরীর দিয়ে তার দেহ চেপে ধরেন। ‘আক্রান্ত ওই নারী’ তখন দু'হাত দিয়ে তাকে ধাক্কা মেরে ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন বলে দাবি করেন।

ওই নারী অভিযোগে আরো জানান, যৌন ‘নিপীড়ণকারী প্রধান বিচারপতিকে’ প্রত্যাখ্যান করায় পরে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়। শুধু তাই নয়, এ ঘটনার জের ধরে তার পুলিশ অফিসার স্বামী এবং ভগ্নিপতিকেও চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

প্রধান বিচারপতির কৈফিয়ত
প্রধান বিচারপতি গোগৈর পক্ষে প্রথম জবাব আসে সুপ্রিম কোর্টের মহাসচিবের মাধ্যমে। এতে বলা হয় ‘অভিযোগগুলি সম্পূর্ণভাবে মিথ্যা এবং কুৎসিত’।
মহাসচিবের বিবৃতিতে বলা হয়, প্রধান বিচারপতির সাথে যোগাযোগের কোনো সুযোগ ওই নারীর ছিল না।

আজ (শনিবার) গোগৈ নিজেই সুপ্রিম কোর্টের একটি বিশেষ বেঞ্চের সামনে এনিয়ে তার বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, এসব অভিযোগের জবাব দেয়ার জন্য যে নিচতা দরকার আমি তত নিচে নামতে চাই না। বিবিসি, নিউইয়র্কটাইম্স
নিউজওয়ান২৪.কম/আরকে

ইত্যাদি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত