ঢাকা, ২০ নভেম্বর, ২০১৯
সর্বশেষ:
জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯ আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন ডিসেম্বরে হেল্পলাইন ১৬২৬৩ এ কল করলেই ডাক্তারের পরামর্শ

পড়াশোনা

৬ষ্ঠ শ্রেণির ইংরেজি ব্যাকরণ (পর্ব-১)

শিক্ষাঙ্গন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৩:৪৬, ২৫ এপ্রিল ২০১৯  

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, শুভেচ্ছা নিয়ো।  আশা করি ভালো আছো। আজ তোমাদের জন্য থাকছে ইংরেজি ব্যাকরণের ওপর আলোচনা। আশা করি তোমরা উপকৃত হবে। 

Language (ভাষা) 

ভাষা মানুষের এক অবাক ও বিস্ময়কর আবিষ্কার। ভাষার মাধ্যমেই মানুষ মনের ভাব, আবেগ-অনুভূতি, আনন্দ-বেদনা প্রকাশের মাধ্যমে পরস্পরের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে। সৃষ্টিজগতে একমাত্র মানুষই অর্থপূর্ণ ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টির মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশ করতে পারে। মানুষের বাগযন্ত্র থেকে নিঃসৃত এসব ভাব প্রকাশক ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টিই হচ্ছে  Language বা ভাষা। আর মানুষ ভাষা লিখে প্রকাশ করার জন্য কতিপয় সাংকেতিক চিহ্নের ব্যবহার করে থাকে।

Definition (সংজ্ঞা) : মানবজাতি যেসব ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টির সাহায্যে মনের ভাব প্রকাশ করে, তাকে Language বা ভাষা বলে। অন্যভাবে বলা যায়, মানুষ তার মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য যেসব সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করে থাকে, তাকে Language বা ভাষা বলে।

>“Language is a group of symbolic sounds which is used to express different human feelings and emotions.”

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন গোষ্ঠী একই Language বা ভাষায় কথা বলে না। একেক অঞ্চলের একেকটি জাতি বা গোষ্ঠী তাদের নির্দিষ্ট ভাষায় কথা বলে। তাই বর্তমান বিশ্বে  সাড়ে তিন হাজারের মতো ভাষার প্রচলন রয়েছে। সাধারণত কোন দেশের নামানুসারে ঐ দেশের ভাষার নামকরণ করা হয়। যেমন- আমরা বাংলাদেশের মানুষ আমাদের ভাষা বাংলা অর্থাৎ Bengali Language. আবার আরব দেশের মানুষের ভাষা আরবী অর্থাৎ Arabic Language. তদ্রুপ রাশিয়ায় যারা থাকে তাদের ভাষা রুশ অর্থাৎ  Russian Language. এছাড়া আমেরিকা, ইংল্যান্ড প্রভৃতি দেশের মানুষের ভাষার নাম ইংরেজি ভাষা অর্থাৎ,English Language.ইংরেজি ভাষাকে International Language বা আন্তর্জাতিক ভাষা বলা হয়।

Grammer-(ব্যাকরণ)

মানুষকে মনের ভাব লিখে প্রকাশ করতে হলে ভাষার কতকগুলো নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হয়। ভাষার এসব নিয়ম-কানুনগুলোর সমষ্টিগত নামই হলো Grammmer বা ব্যাকরণ।

Definition (সংজ্ঞা) : যে বই পড়লে কোন ভাষা শুদ্ধরুপে পড়তে, লিখতে ও বলতে পারা যায়, তাকে বা ব্যাকরণ বলে। যেমন:English Grammer (ইংরেজি ব্যাকরণ), Bengali Grammer (বাংলা ব্যাকরণ) ইত্যাদি।

English Grammer (ইংরেজি ব্যাকরণ)

সংজ্ঞা: যে বই পড়লে ইংরেজি ভাষা শুদ্ধরুপে পড়তে, লিখতে ও বলতে পারা যায়, তাকে English Grammer বা ইংরেজি ব্যাকরণ বলে।

English Grammer এর আলোচ্য বিষয়কে আবার পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: 

1.Orthography (অর্থগ্রাফী) : বর্ণ প্রকরণ।
2.Etymology (ইটিমোলজি) : শব্দতত্ত্ব বা ধাতু-প্রকরণ।
3.Syntax(সিনটেক্স) : বাক্য প্রকরণ।
4.Punctuation (পাংকচুয়েশন) : বিরামচিহ্ন প্রকরণ।
5.Prosody (প্রসোডি)  : ছন্দ প্রকরণ।

(1) Orthography (বর্ণ প্রকরণ) : Grammer-এর যে অংশে Lettar বা বর্ণের বিশুদ্ধ উচ্চারণ ও প্রকারভেদ সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়, তাকে Orthography বলে।

2) Etymology (শব্দ প্রকরণ ) : Grammer-এর যে অংশে Word বা শব্দের ব্যুৎপত্তি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়,তাকে Etymology বলে।

(3) Syntax (বাক্য প্রকরণ) : Grammer-এর যে অংশে Sentence-এর গঠন ও প্রকারভেদ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়,তাকে Syntax বলে।

(4) Punctuation (বিরামচিহ্ন প্রকরণ) : Grammer-এর যে অংশে Comma (,),Semi-colon(;),Full-stop (.),Interrogative sign (?) ইত্যাদি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, তাকে Punctuation বলে।

(5) Prosody (ছন্দ প্রকরণ) : Grammer-এর যে অংশে ইংরেজি কবিতার ছন্দ সম্পর্কে  আলোচনা করা হয়, তাকে Prosody বলে। 

নিউজওয়ান২৪.কম/আ.রাফি

আরও পড়ুন
শিক্ষাঙ্গন বিভাগের সর্বাধিক পঠিত