ঢাকা, ১০ এপ্রিল, ২০২০
সর্বশেষ:
আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। অনলাইনে করোনা নিয়ে যোগাযোগ করতে আইইডিসিআরের ই-মেইল [email protected] এবং ফেসবুক পেজে (Iedcr,COVID19 Control Room) যোগাযোগ করা যাবে। জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়ছে ব্রিটেনে

প্রকাশিত: ১১:৪০, ৪ মে ২০১৪   আপডেট: ১৪:১৪, ২৩ এপ্রিল ২০১৬

ভারতে চিকিৎসা নিতে গিয়ে তারা ভয়াবহ এক ব্যাকটেরিয়া নিজদেশে নিয়ে গেছেন দেশটির বাসিন্দারা। আর তাই ব্রিটেনের হাসপাতালগুলোতে বিপদজনক এবং মহা পরাক্রমশালী ব্যাকটেরিয়া বা ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়তে শুরু করছে।

এ কারণে দেশটিতে গৎবাঁধা অপারেশনও  বিপদজনক হয়ে উঠতে শুরু করেছে। অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধকারী  ‘নিউ দিল্লি মেটাল্লো (এনডিএম) এনজাইম’ উৎপাদনকারী যে কোনো ব্যাকটেরিয়াকে ‘সুপারবাগ’ বলা হয়।

এ জাতীয় ব্যাকটেরিয়া সাধারণভাবে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিহত করতে পারে। ‘নিউ দিল্লি মেটাল্লো (এনডিএম) এনজাইম’ উৎপাদনকারী ব্যাকটেরিয়ার  বিরুদ্ধে এখন কেবল একটিমাত্র ওষুধ কার্যকর রয়েছে।

জানা গেছে, ভারতে চিকিৎসার জন্য যারা গিয়েছিলেন তারা এ মহা পরাক্রমশালী ব্যাকটেরিয়া ব্রিটেনে নিয়ে গেছেন।

চিকিৎসকরা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, কোলিসটোন নামের এ ওষুধটি বেশিদিন এ ‘সুপারবাগের’ বিরুদ্ধে কার্যকর থাকবে না। ফলে ‘এনডিএ’ চিকিৎসা মারাত্মক কঠিন হয়ে দাঁড়াবে এবং কোনো রোগী এ সুপারবাগে আক্রান্ত হলে তার পরিণাম হয়ত শুভ হবে না। অবশ্য আরো তিনটি ওষুধ ‘এনডিএ’র বিরুদ্ধে সীমিত পরিসরে কাজ করে।

২০০৮ সালে ব্রিটেনে ‘সুপারবাগ’-এর অস্তিত্ব প্রথম ধরা পরে।  কিন্তু তারপর থেকে এতে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা প্রায় পাঁচ গুণ বেড়েছে।

এই ‘সুপারবাগ’-এর প্রকোপ ভারতে ২০০৬ সাল থেকে শুরু হয়েছে এবং ভারত সফরকারী এক রোগী ২০০৮ সালে ব্রিটেনে নিয়ে আসে। প্রথম বছর ব্রিটেনে মাত্র ছয় ব্যক্তি এটির আক্রমণের শিকার হয়। কিন্তু ২০১৩ সালে দেশটিতে সুপারবাগে আক্রান্ত হওয়া ব্যক্তির সংখ্যা ১৪৮ জনে পৌঁছেছে।

বাংলাদেশ সময়: ১২১৭ ঘণ্টা, ০২ মে, ২০১৪

আরএ/

লাইফস্টাইল বিভাগের সর্বাধিক পঠিত