ঢাকা, ০৪ জুলাই, ২০২০
সর্বশেষ:
সেহরি ও ইফতারের সময় সূচি : ঢাকায় প্রথম রোজার সেহরির শেষ সময় রাত ৪টা ৫ মিনিটে আর ইফতার হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিটে। আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। অনলাইনে করোনা নিয়ে যোগাযোগ করতে আইইডিসিআরের ই-মেইল [email protected] এবং ফেসবুক পেজে (Iedcr,COVID19 Control Room) যোগাযোগ করা যাবে। জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

নিত্য ব্যবহার্য জিনিসে তাড়ান মশা

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১:৫৩, ৩০ এপ্রিল ২০১৬   আপডেট: ১৫:৩০, ১ মে ২০১৬

আজকাল ল্যাভেন্ডার খুব একটা দুর্লভ নয়

আজকাল ল্যাভেন্ডার খুব একটা দুর্লভ নয়

গরমের এই গা চুটমুট করা সময়টা যেন কাটতেই চাচ্ছে না। হাঁসফাঁস দম বন্ধ করা আবহ শরীরের ঘাম আর তাপে অসহনীয় করে তোলে। এরমধ্যে খারাপ খবর হলো, মশার প্রজননের জন্য খুব উপযোগী সময় এই গ্রীষ্মে। তাই আপনি যখন তরমুজ খেয়ে গরম তাড়াচ্ছেন বা হাল্কা জামা গায়ে স্বস্তি খুঁজছেন ঠিক তখন আশপাশের ডোবা-নালা-নর্দমা-ঝোপ-জঙ্গলে মশারা কিন্তু ছানাপোনা উৎপাদনে মহাব্যস্ত সময় পার করছে। তো অচিরেই শুরু হতে যাচ্ছে মশার বাড়তি অত্যাচার। এর থেকে বাঁচতে সিটি কর্পোরেশন বা সরকারি ব্যবস্থার দিকে না তাকিয়ে থেকে শেষতক আমজনতাকে নিজের উদৌগেই কিনে আনতে হয় কয়েল, অ্যারোসল।

এরমধ্যে কয়েল তা যত উন্নতই হোক না কেন- মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।অপরদিকে অ্যারোসল মহার্ঘ। কেউ কেউ গায়ের অনাবৃত অংশে অ্যান্টি মসকুইটো রেপল্যান্ট তেল বা ক্রিম ব্যবহার করেন। তবে এ জিনিসটাও খুব একটা সহজলভ্য না- আবার দামেও খুব সস্তা না।

এমন অবস্থায় আপনি ইচ্ছা করলেই ঘরে সচরাচর ব্যবহার করা হয় বা যা আপনার আশপাশে অহরহ দেখা যায়- এমন কিছু জিনিস ব্যবহার করে দূর করতে পারেন মশাতঙ্ক।

এমনি কিছু টিপস জেনে নিন এখানে-

নিমের তেল: নারকেল তেলের সঙ্গে সমপরিমাণ নিমের তেল মিশিয়ে ব্যবহার করুন। পরবর্তী আট ঘণ্টা মশা আপনার কাছাকাছিও ঘেঁষবে না। তবে নিমের তেলটা খাঁটি হতে হবে।

কর্পুর: বন্ধ ঘরে ২০ মিনিট সময় ধরে কর্পুর জ্বালালে মশা আর ওই কামড়ায় সুবিধা করতে পারবে না- স্রেফ পালিয়ে বাঁচবে।

তুলসী: আপনার দরোজা-জানালার পাশে তুলসি গাছ রাখুন। মশককূল এই উদ্ভিদটাকেও খুব না-পছন্দ করে। যেখান তুলসি গাছ থাকে তার আশপাশে মশার প্রজনন দেখা যায় না। তুলসিতে থাকা রাসায়নিক উপাদান মশাকে দূরে রাখে।

রসুন: রসুন পানিতে সেদ্ধ করে সেই পানি ঘরে ছিটিয়ে দিন। মশা দূরে থাকবে। এক্ষেত্রে মনে রাখবেন- রসুনের গন্ধ খুব তীব্র হয় যা আপনার পরিবারের কেউ কেউ হয়তো খুব অপছন্দ করতে পারে। সেক্ষেত্রে অন্য ব্যবস্থা নিন।

চা গাছের তেল: টি ট্রি অর্থাৎ চা গাছের তেলও মশা তাড়াতে ব্যবহার করতে পারেন। এক্ষেত্রে এই তেল কোনো ভ্যাপোরাইজারে ভরে ব্যবহার করুন আর মশাদের দূর হটিয়ে দিন।

ল্যাভেন্ডার: সুপ্রাচীনকাল থেকে নীলচে এই ফুল বা ফুলসমেত গাছ পরিবেশকে শুধু দৃষ্টিনন্দন শোভা আর সুগন্ধিই বিতরণ করেনি- এটা মশা তাড়াতেও কার্যকরী। এর তীব্র সুঘ্রাণ নালা-নর্দমাবাসী মশা সইতে পারে না। এই ফুল আপনি ঘরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে দিন কিংবা এটা দলে মুচরে কোনো ক্রিম বা তেলের সঙ্গে মিশিয়ে গায়ে মেখে নিন। সুগন্ধ পাবেন আর ঘুমের সময়ে মশাও বিরক্ত করবে না।

নিউজওয়ান২৪.কম/এনজে

লাইফস্টাইল বিভাগের সর্বাধিক পঠিত