ঢাকা, ০৭ জুলাই, ২০২০
সর্বশেষ:
সেহরি ও ইফতারের সময় সূচি : ঢাকায় প্রথম রোজার সেহরির শেষ সময় রাত ৪টা ৫ মিনিটে আর ইফতার হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিটে। আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। অনলাইনে করোনা নিয়ে যোগাযোগ করতে আইইডিসিআরের ই-মেইল [email protected] এবং ফেসবুক পেজে (Iedcr,COVID19 Control Room) যোগাযোগ করা যাবে। জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

ডাক্তারদের লেখা যে কারণে এত হিজিবিজি হয়

প্রকাশিত: ১১:৫১, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯  

প্রেসক্রিপশন- ফাইল ফটো

প্রেসক্রিপশন- ফাইল ফটো

ডাক্তারদের লেখা এতটা জড়ানো বা হিজিবিজি হয় কেন? তারা কি তবে স্পষ্ট করে লিখতে পারেন না?

প্রেসক্রিপশন বা চিকিৎসাপত্র দেখলে মনে হয়, এসব কী হিজিবিজি লিখেছেন ডাক্তার সাহেব? কিছুই তো বোঝা যাচ্ছে না। সবার ক্ষেত্রেও এমনই ঘটে। কখনো কখনো এগুলো পড়া দুরূহ বটে।

আপনি হয়তো ভাবছেন, চিকিৎসক কেবল আপনার চিকিৎসাপত্রই লিখছেন, বিষয়টি ঠিক নয়। অন্যান্য পেশায় যত বেশি লিখতে হয়, তার চেয়েও বেশি লেখেন চিকিৎসক। হয়তো খেয়াল করে দেখবেন, একজন চিকিৎসক আপনার মেডিকেল ইতিহাসের প্রতিটি ছোট ছোট বিষয়েরও বিবরণ লিখছেন।

একজন চিকিৎসক দিনে অন্তত ২০ থেকে ৫০ জন রোগী দেখেন। কখনো কখনো এ সংখ্যাও পার হয়ে যায়। প্রত্যেকের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং সঠিক ওষুধ চিকিৎসাপত্রে লেখা কিন্তু কম কঠিন কাজ নয়। পাশাপাশি জরুরি রোগীও দেখতে হয়। তো, সারাদিন ক্লান্ত হাতে লিখতে থাকা কতটা কষ্টের, নিশ্চয়ই সেটি অনুমেয়।

রোগী দেখার কারণে তারা বেশ তাড়াহুড়োর মধ্যে থাকেন। আর তাই প্রেসক্রিপশন লেখার সময় লেখার প্রতি মনোযোগ কম থাকে তাদের। চিকিৎসকেরা লেখার ক্ষেত্রে কিছু জার্গন বা বিশেষায়িত শব্দ ব্যবহার করেন। এটি সাধারণ মানুষের জন্য বোঝা কঠিন। দেখবেন, যারা ওষুধ বিক্রি করেন, তারা খুব সহজে এটি ধরে ফেলতে পারেন।

তবে বর্তমানে হাতের লেখার ঝামেলা এড়াতে অনেক চিকিৎসকই কম্পিউটারে চিকিৎসাপত্র লেখেন। লেখা বুঝতে অসুবিধা হলে আপনিও তাঁর কাছ থেকে এ ধরণের চিকিৎসাপত্র চেয়ে নিতে পারেন।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

নিউজওয়ান২৪.কম/এমজেড

লাইফস্টাইল বিভাগের সর্বাধিক পঠিত