ঢাকা, ১৪ আগস্ট, ২০২০
সর্বশেষ:
সেহরি ও ইফতারের সময় সূচি : ঢাকায় প্রথম রোজার সেহরির শেষ সময় রাত ৪টা ৫ মিনিটে আর ইফতার হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিটে। আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। অনলাইনে করোনা নিয়ে যোগাযোগ করতে আইইডিসিআরের ই-মেইল [email protected] এবং ফেসবুক পেজে (Iedcr,COVID19 Control Room) যোগাযোগ করা যাবে। জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

যুক্তরাষ্ট্রে অর্থপাচার তদন্ত: দুদকে হাজিরে সময় পেলেন মাহী

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত: ১৬:৫২, ৭ আগস্ট ২০১৯  

মাহী ও তার স্ত্রী লোপা -ফাইল ফটো

মাহী ও তার স্ত্রী লোপা -ফাইল ফটো

বিকল্প ধারা বাংলাদেশের (বিডিবি) প্রেসিডিয়াম সদস্য ও যুগ্ম মহাসচিব মাহী বি চৌধুরী ও তাঁর স্ত্রী আশফাহ্ হক লোপাকে ফের তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আগামী ২৫ আগস্ট তাদেরকে দুদকে হাজির হতে বলা হয়েছে। দুদক জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে অর্থপাচার ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ বিষয়ে অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে সাবেক রাষ্ট্রপতি বদরুদ্দোজা চৌধুরীর ছেলে ও ছেলেবউকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে। এর আগের তলবে আজ বুধবার তাদের হাজির হওয়ার দিন নির্ধারিত থাকলেও এদিন হাজির না হয়ে সময় বাড়ানোর আবেদন করেন অভিযুক্তরা। এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সময় বাড়িয়ে পরবর্তী হাজিরার দিন ২৫ আগস্ট করে দুদক। দুদক উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সকাল ১০টায় সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে মাহী বি চৌধুরী ও স্ত্রী আশফাহ্ হক লোপাকে তলব করে আলাদা আলাদা চিঠি পাঠান সংস্থাটির উপপরিচালক ও মাহি দম্পতির দুর্নীতি অনুসন্ধান তদন্তে গঠিত টিমের প্রধান জালাল উদ্দিন আহমেদ। গত রবিবার দুজনকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, মাহী বি চৌধুরীর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে অর্থপাচার ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ সম্পর্কে বক্তব্য দিতে তাদের দুদকে হাজির হতে বলা হয়েছে। মাহী বি চৌধুরী সাবেক রাষ্ট্রপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর ছেলে এবং বিকল্প ধারা বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও যুগ্ম মহাসচিব।

দুদক সূত্র জানায়, মাহী ও তার স্ত্রী বিভিন্ন সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার করেছেন বলে দুদকে অভিযোগ রয়েছে। এতে বলা হয়, অজ্ঞাত খাত থেকে আয়ের টাকা তারা কৌশলে ভিনদেশে নিয়ে গেছেন। বিএনপি সরকারের সময়সহ বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অবৈধ অর্থের মালিক হয়েছেন তারা। এসব অভিযোগ প্রাথমিকভাবে যাচাই করে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় সংস্থাটি।

অর্থ-কড়ি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত