ঢাকা, ১০ আগস্ট, ২০২০
সর্বশেষ:
সেহরি ও ইফতারের সময় সূচি : ঢাকায় প্রথম রোজার সেহরির শেষ সময় রাত ৪টা ৫ মিনিটে আর ইফতার হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিটে। আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। অনলাইনে করোনা নিয়ে যোগাযোগ করতে আইইডিসিআরের ই-মেইল [email protected] এবং ফেসবুক পেজে (Iedcr,COVID19 Control Room) যোগাযোগ করা যাবে। জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

ঈদে চট্টগ্রাম কারাগারে ঘরোয়া আবহ 

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩:১১, ১৩ আগস্ট ২০১৯  

ছবি সংগৃহীত

ছবি সংগৃহীত

কারাবন্দিদের জন্য ঈদের দিনটি অন্য দিনগুলোর চেয়ে ব্যতিক্রমী কিছু নয়। কিন্তু এর মাঝেই বন্দিজীবনে কিছুটা হলেও আনন্দ এনে দিতে প্রতিবছরই নানা আয়োজন করে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার।

বরাবরের মতো এবারও ঈদ উপলক্ষে কারাগারে বন্দিদের জন্য বিশেষ খাবারের আয়োজন করা হয়েছিল। ঘরোয়া আবহ আনার জন্য সোমবার (১২ আগস্ট) ঈদের দিন সকালেই বন্দিদের নিজ নিজ সেলে মুড়ি, পায়েস ও সেমাই পাঠানো হয়।

এরপর কারাগারের ভেতরের ময়দানে ঈদুল আজহার একমাত্র জামাতে অংশ নেন কারাবন্দিরা। কারাগার মসজিদের নিয়মিত ইমাম ঈদ জামাতের ইমামতি করেন।

অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক কর্ণেল আবরার হোসেন চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার জামে মসজিদে ঈদ-উল-আজহার নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। পরে তিনি কারা কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে কারাভ্যন্তরে আটক মায়ের সঙ্গে থাকা শিশুদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তাদেরকে চকলেট ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়। পুরুষ ওয়ার্ডে গিয়েও বন্দিদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র জেল সুপার কামাল হোসেন, জেলার নাশির আহমেদ এবং ডেপুটি জেলাররা।

কর্ণেল আবরার হোসেন বলেন, ‌’এটি অনন্য সুন্দর এক অভিজ্ঞতা। চট্টগ্রামে আমার কারাবিভাগের সবার সঙ্গে ঈদের নামাজ, মহিলা বন্দিদের বাচ্চাদের সঙ্গে সময় কাটানো এবং অন্যান্য বন্দিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় সবমিলিয়ে সত্যিই অসাধারণ।’

ঈদের জামাতের পরপরই বন্দিরা একে অন্যের সঙ্গে কোলাকুলি করেন। তাদের জন্য দুপুরের মেন্যুতে ছিল সাদা ভাত, রুই মাছ আর আলুর দম। সাড়ে ৮ হাজার কারাবন্দির জন্য কোরবানির গরুর মাংসের ব্যবস্থাও করেছে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার। রাতের বিশেষ আয়োজনে ছিল পোলাও, কোরবানির গরুর মাংস, ডিম, মিষ্টান্ন এবং পান-সুপারি। তবে যারা গরুর মাংস খান না তাদের জন্য ছিল খাসির মাংস। দুপুরের পর থেকে মাংস আসা শুরু হয়। রাত ৯টা থেকে এসব মাংস দিয়ে কারাবন্দিদের খাবার সরবরাহ করা হয়।

অন্যদিকে ঈদ উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো এবারও বন্দিরা কারা কর্তৃপক্ষের অনুমতিসাপেক্ষে পরিবারের আনা খাবার খেয়েছেন।

এর আগে রোববার (১১ আগস্ট) ঈদুল আজহা উপলক্ষে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক মায়ের সঙ্গে থাকা শিশুদেরকে ঈদ বস্ত্র প্রদান করা হয়।

সূত্র: চট্রগাম প্রতিদিন

নিউজওয়ান২৪.কম/আ.রাফি

আরও পড়ুন
স্বদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত