ঢাকা, ০৪ আগস্ট, ২০২০
সর্বশেষ:
সেহরি ও ইফতারের সময় সূচি : ঢাকায় প্রথম রোজার সেহরির শেষ সময় রাত ৪টা ৫ মিনিটে আর ইফতার হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিটে। আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। অনলাইনে করোনা নিয়ে যোগাযোগ করতে আইইডিসিআরের ই-মেইল [email protected] এবং ফেসবুক পেজে (Iedcr,COVID19 Control Room) যোগাযোগ করা যাবে। জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ জিসান দুবাইতে গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪:৩৩, ৪ অক্টোবর ২০১৯  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

দুবাইতে পালিয়ে থাকা বাংলাদেশের পলাতক ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ জিসান আহমেদকে গ্রেপ্তার করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পুলিশ। 

বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘোষিত 'শীর্ষ ২৩ সন্ত্রাসী'র তালিকায় নাম ছিল জিসান আহমেদের।

গ্রেপ্তারের পর দ্রুত তাকে দুবাই থেকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

বুধবার রাতে তাকে গ্রেফতার করার পর ইন্টারপোলের মাধ্যম দুবাই পুলিশ বাংলাদেশের পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বলে জানা গেছে।

পুলিশ সদর দফতরের এআইজি (ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো) মহিউল ইসলাম জিসানকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

মহিউল ইসলাম বলেন 'জিসান সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য আমাদের কাছে কিছু তথ্য চেয়েছিল। ডিবি পুলিশের সহায়তায় আমরা সেগুলো পাঠানোর পর তারা জিসান আহমেদের পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে জানিয়েছে। ইন্টারপোলের নোটিশটি আরো জোরালো করার জন্য আমাদের অনুরোধ করে।’

জিসানের নাম ইন্টারপোলের রেড অ্যালার্টের তালিকায় ছিল। তবে বাংলাদেশের পাসপোর্ট নয়, আলী আকবর চৌধুরী নামে একটি ভারতীয় পাসপোর্ট বহন করছিলেন জিসান।

দুবাইতে গ্রেপ্তারের পর এখন তাকে দুবাই থেকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে হত্যা, বিস্ফোরক সরঞ্জাম রাখার অভিযোগ রয়েছে বলে ইন্টারপোলের ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘোষিত 'শীর্ষ ২৩ সন্ত্রাসী'র তালিকায় নাম ছিল জিসান আহমেদের। তাকে ধরিয়ে দেয়ার জন্য পুরস্কারও ঘোষণা করা হয়েছিল।

এর আগে ২০০৩ সালে মালিবাগের একটি হোটেলে দুইজন ডিবি পুলিশ সদস্যকে হত্যার ঘটনায় জিসান আহমেদের নাম আসে। এরপরে সে দেশ ত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যায়। ভারতে গিয়ে নিজের নাম পরিবর্তন করে আলী আকবর চৌধুরী নামে পাসপোর্ট সংগ্রহ করেন জিসান। এরপর সেই পাসপোর্ট নিয়ে তিনি দুবাইতে অবস্থান করছিলেন।

সম্প্রতি ক্ষমতাসীন দলের একটি অঙ্গ সংগঠনের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতি বিরোধী অভিযান শুরুর পর, তাদের সঙ্গে জিসান আহমেদের যোগাযোগ হয়েছিল বলে বাংলাদেশের গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। সূত্র : বিবিসি বাংলা।

নিউজওয়ান২৪.কম/এমজেড

আরও পড়ুন
অপরাধ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত