ঢাকা, ২৫ মে, ২০২০
সর্বশেষ:
সেহরি ও ইফতারের সময় সূচি : ঢাকায় প্রথম রোজার সেহরির শেষ সময় রাত ৪টা ৫ মিনিটে আর ইফতার হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিটে। আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। অনলাইনে করোনা নিয়ে যোগাযোগ করতে আইইডিসিআরের ই-মেইল [email protected] এবং ফেসবুক পেজে (Iedcr,COVID19 Control Room) যোগাযোগ করা যাবে। জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

লোভনীয় বিজ্ঞাপন ফাঁদে নষ্ট হচ্ছে বেকার-যুবকদের স্বপ্ন

অপরাধ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:৫০, ৩ মার্চ ২০১৭  

প্রায়ই সময় পত্রিকার পাতা দেখা যায় লোভনীয় চাকরির বিজ্ঞাপন। কিন্তু বেশির ভাগই যে প্রতারণা তা বুঝতে পারেন না বেকার-যুবকেরা। না বুঝে পত্রিকার লোভনীয় চাকরির বিজ্ঞাপনের ফাঁদে পড়ে হারাচ্ছেন স্বপ্ন। শুধু স্বপ্ন নয়, হারাচ্ছেন অর্থও। এ চক্রটি জন প্রতি পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকা করে হাতিয়ে নিচ্ছে চাকরি প্রার্থীদের কাছ থেকে। প্রতারকেদের অনেকেরই নেই পড়াশোনা। নেই চাকরি। তারপরও খুলে বসেছেন চাকরির দোকান। চাকরি দেওয়ার কথা বলে জামানত নিয়ে দিনের দিনের পর ঘুরাচ্ছেন অনেক বেকারদের। রীতিমত হাত পাকিয়েছেন এ ব্যবসায়।

শুধু তাই নয়, আছে ক্ষমতার দাপট আর রাজনৈতিক পরিচয়ও। সে সুযোগে বেকার-যুবকদের পকেট কাটার উৎসবে নেমেছে চক্রটি। তাদের তর্জনে গর্জনে অসহায় প্রতারিতরা। সংঘবদ্ধ এ প্রতারকদের শিকার অসহায় বেকাররা।

বলতে গেলে বেকারদের ঘর থেকে ডেকে এনে চাকরি দেওয়া হচ্ছে খোদ রাজধানীতে! অভিজ্ঞতা-দক্ষতারও দরকার নেই। আসলে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। বিশেষ করে শান্তিনগর, মালিবাগ, মতিঝিল, কমলাপুর, পল্টনসহ রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় ব্যাঙের ছাতার মতো ছিটিয়ে আছে চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠান। মাঝে মধ্যে লোক দেখানো অভিযান হয়ে থাকে। তাতে কিছু দিন প্রতারণা অফিসগুলো বন্ধ করে আড়ালে চলে যায় কয়েকটি ভবনের প্রতারক চক্র। এরপরও থেমে থাকে অন্য প্রতারকরা। মতিঝিল, মৌচাকসহ বিভিন্ন এলাকাজুড়ে এমন চাকরিদাতা অনেকগুলো অফিস লোভনীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রতারণা করে যাচ্ছে বেকারদের সাথে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের অগ্রাধিকার, থাকা খাওয়ার সুব্যবস্থাসহ চাকরির অফার দেওয়া এই জালিয়াতদের এখনই শক্ত হাতে দমন করা জরুরি।  

চাকরিদাতা ভুয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর বিশেষ হাতিয়ার রাজনৈতিক ক্ষমতা আর সুন্দরীরা। এরা সময়-সুযোগ বুঝে ম্যানেজ করে চাকরি প্রার্থীদের। বেকার যুবকদের মন কাড়তে সুন্দরীদের আছে নানা কৌশল। প্রতারিত হওয়ার পর একপর্যায়ে প্রতারিতদের আর কিছুই করার থাকে না। বরং পড়তে হয় মান-সম্মান খোয়ানোসহ আরো বহু ঝুঁকিতে। চাকরি নামের এই সোনার হরিণের পেছনে আজ ছুটে বেড়াচ্ছে বিশ্বের লক্ষকোটি মানুষ। প্রতিযোগিতার এ দৌড়ে পিছিয়ে নেই বাংলাদেশও। কিন্তু এর মাঝে প্রতারণার জালে আটকে পড়ছে অনেক সাধারণ অনেক শিক্ষার্থী। আর প্রতারক চক্রের কবলে পড়ে ভেঙ্গে যাচ্ছে তাদের জীবনের সিড়িঁতে উঠার স্বপ্ন। আর এ চক্রটির গডফাদার হিসেবে পরিচিত  ইমরান, নিপা, তারেক,শফিক, শুভ, ভুবন, সৌরভসহ অনেকেই।

ঢাকার ব্যস্ততম এলাকাগুলোতে গড়ে উঠা কথিত চাকরিদাতাদের একটি নেটওর্য়াক। অনেকে এক সময় এমন প্রতারণার শিকার হয়েছেন। তারা বাধ্য অন্যদের প্রতারিত করে এখন সেই শোধ নেন। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এমন প্রতারণার খবর জানে না বিষয়টি এমনও নয়। তাদের কাছে ধর্না দিয়েও মেলে না কোনো প্রতিকার। বেকারত্বের সমস্যা ও প্রশাসনের গাফলতির সুযোগে প্রতারক প্রতিষ্ঠানগুলো বিরতিহীনভাবে চালিয়ে যাচ্ছে এ বাণিজ্য। কঠোর ব্যবস্থা না নিলে চলতেই থাকবে এদের ঠকবাজি।

নিউজওয়ান২৪.কম

আরও পড়ুন
অপরাধ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত