ঢাকা, ০১ অক্টোবর, ২০২০
সর্বশেষ:
আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। অনলাইনে করোনা নিয়ে যোগাযোগ করতে আইইডিসিআরের ই-মেইল [email protected] এবং ফেসবুক পেজে (Iedcr,COVID19 Control Room) যোগাযোগ করা যাবে। জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

রাখে আল্লাহ মারে কে? (ভিডিও)

বিশ্ব সংবাদ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩:২৩, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংক কর্মী চন্দন সিং। শুক্রবার দুপুরে পুরুলিয়া স্টেশনে আসেন ট্রেন ধরতে, বাড়ি ফেরার জন্য। কিন্তু স্টেশনে আশার পরে তার সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটবে আর অলৈকিকভাবেই যে তিনি বেঁচে যাবেন এইটা হয়তো তার জানা ছিলো না। 

ঘটনা হলো, চন্দন সিং এর বাড়ি লালবাজারে বাড়ি চন্দনে। পুরুলিয়া-হাওড়া রূপসী বাংলা এক্সপ্রেসে বাঁকুড়া যাওয়ার জন্য টিকিট কাটেন তিনি। ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ট্রেনটি আসার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মে আসে ট্রেনটি।

হুড়োহুড়ি করে ট্রেনে উঠতে যান তিনি। কিন্তু দরজা বন্ধ থাকায় ট্রেনের ভেতরে প্রবেশ করতে পারেন না। চলন্ত ট্রেনে দরজার হাতল ধরে ঝুলছিলেন।

প্ল্যাটফর্ম ছা‌ড়ার মুখে তখন আস্তে আস্তে গতি বাড়ছে ট্রেনটি। লাইনের উপর পড়ে যাওয়ার আগেই কোনো মতে বছর ৪০ বছরের চন্দনকে ধরে ফেলেন স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা দুই কর্তব্যরত আরপিএফ কনস্টেবল রাজ কুমার ও মন্টু কুমার। আর ততক্ষণে থেমে গেলো ট্রেনটি। 

প্ল্যাটফর্ম থেকে চন্দনকে আরপিএফ অফিসে নিয়ে এসে প্রাথমিক চিকিৎসা করা হয়। কপাল জোরে বেঁচে গিয়ে আরপিএফের ওই দুই কর্মীকে তখন বারবার ধন্যবাদ জানাচ্ছেন চন্দন। বলছেন, কীভাবে কী হয়ে গেল বুঝতে পারছি না। ভাগ্যিস ওরা ছিলেন।

প্রাথমিক চিকিৎসার পর ওই ব্যাংক কর্মীকে আবারো তুলে দেয়া হয় রূপসী বাংলা এক্সপ্রেসেই। সেই ঘটনায় রেল কর্তৃপক্ষ পুরস্কৃতও করেছিলেন সেই কর্মীদের।

ব্যাংক কর্মীকে বাঁচানোর ভিডিওটি:-

নিউজওয়ান২৪/এএস

আরও পড়ুন
বিশ্ব সংবাদ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত