ঢাকা, ১৪ আগস্ট, ২০২০
সর্বশেষ:
সেহরি ও ইফতারের সময় সূচি : ঢাকায় প্রথম রোজার সেহরির শেষ সময় রাত ৪টা ৫ মিনিটে আর ইফতার হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিটে। আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। অনলাইনে করোনা নিয়ে যোগাযোগ করতে আইইডিসিআরের ই-মেইল [email protected] এবং ফেসবুক পেজে (Iedcr,COVID19 Control Room) যোগাযোগ করা যাবে। জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

মাসুদ রানা হতে গিয়ে প্রকৌশলী খুন, তরুণ গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২:৫৫, ১০ এপ্রিল ২০১৯  

র‌্যাব সদস্যদের মাঝে গ্রেপ্তার বন্ধুরূপী ঘাতক আঞ্জুমান ওরফে আঞ্জু

র‌্যাব সদস্যদের মাঝে গ্রেপ্তার বন্ধুরূপী ঘাতক আঞ্জুমান ওরফে আঞ্জু

বইয়ের চরিত্রের মত ‘মাসুদ রানা’ হতে গিয়ে গাজীপুরে এক প্রকৌশলী খুন হয়েছেন। এ ঘটনায় র‌্যাব একজনকে আটক করেছে।

নিহত আব্দুল কাইয়ুম (৩২) ঢাকার বসুন্ধরার জালাল উদ্দিনের ছেলে। গত ১৩ মার্চ গাজীপুর ন্যাশনাল পার্ক এলাকা থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।

র‌্যাব ১-এর কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, একটি মামলার তদন্তে নেমে র‌্যাব আঞ্জুমান ওরফে আঞ্জু (২৫) নামে এক তরুণকে আটক করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গিয়ে কাইয়ুম হত্যার জট খুলে যায়।

আঞ্জু (২৫) টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানার মীর দেওহাটা এলাকার সবুর মিয়ার ছেলে। কাইয়ুমের খালার প্রতিবেশী তিনি।

র‌্যাব কর্মকর্তা মামুন আঞ্জুকে জিজ্ঞাসাবাদের তথ্য দিয়ে বলেন, কাইয়ুম কিশোর বয়স থেকে মাসুদ রানা সিরিজের বই পড়ে বড় হয়ে মাসুদ রানা হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। এরই মধ্যে কাইয়ুম টাঙ্গাইলে তার খালার বাড়ি বেড়াতে গেলে আঞ্জুর সঙ্গে পরিচয় হয়। আঞ্জু জানতে পারেন কাউয়ুমের স্বপ্নের কথা।

সেই থেকে কাইয়ুমের সঙ্গে আঞ্জু সখ্য গড়ে তোলেন। তার স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য সহায়তার আশ্বাস দেন।

র‌্যাব কর্মকর্তা মামুন বলেন, “কাইয়ুমকে সরকারের উঁচুপদে গোয়েন্দা কর্মকর্তা হিসেবে চাকরি দেওয়ার লোভ দেখিয়ে ২০ লাখ টাকার চুক্তি করেন আঞ্জু।

“কোটিপতির ছেলে কাইয়ুম চুক্তিমোতাবেক আঞ্জুকে নয় লাখ টাকা অগ্রিম দেন। সেই টাকা নিয়ে আঞ্জু চলে যান মালয়েশিয়া। সেখানে বসেই আঞ্জু ফন্দি আঁটেন কিভাবে এই টাকা আত্মসাৎ করা যায়।”

তারপর আঞ্জু গাজীপুর ন্যাশনাল পার্কে নিয়ে কাউয়ুমকে হত্যার পরিকল্পনা করেন বলে জানান র‌্যাব কর্মকর্তা মামুন।

তিনি বলেন, “আঞ্জু জানতেন কাইয়ুম একটি মেয়েকে পছন্দ করেন। সেই মেয়ে তার হবু স্বামীর সঙ্গে ৯ মার্চ গাজীপুর ন্যাশনাল পার্কে ঘুরতে আসবে বলে কাউয়ুমকে জানান আঞ্জু। সেই মেয়েকে অপহরণ করে কাইয়ুমের হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানান আঞ্জু।

“পার্কে যাওয়ার পর ছবি তোলার কথা বলে কাইয়ুমকে একটা গাছের সঙ্গে দাঁড়াতে বলেন আঞ্জু। কাউয়ুম গাছের সঙ্গে দাঁড়ানোর পর পেছন থেকে গলা চেপে ধরে হত্যা করেন। পরে এসিড দিয়ে মুখ পুড়িয়ে দেন যাতে কেউ শনাক্ত করতে না পারে।”

এ ঘটনায় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান র‌্যাব কর্মকর্তা মামুন।

আরও পড়ুন
অপরাধ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত