ঢাকা, ৩১ মে, ২০২০
সর্বশেষ:
সেহরি ও ইফতারের সময় সূচি : ঢাকায় প্রথম রোজার সেহরির শেষ সময় রাত ৪টা ৫ মিনিটে আর ইফতার হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিটে। আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। অনলাইনে করোনা নিয়ে যোগাযোগ করতে আইইডিসিআরের ই-মেইল [email protected] এবং ফেসবুক পেজে (Iedcr,COVID19 Control Room) যোগাযোগ করা যাবে। জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

মহাকাশেও ব্যাকটেরিয়ার হানা!

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:৫৬, ৯ এপ্রিল ২০১৯  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

পৃথিবীর কক্ষপথে ঘুরছে আন্তর্জাতিক মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র (আইএসএস)। আর এখানেও সন্ধান মিলেছে ব্যাক্টেরিয়ার। এ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নাসার বিজ্ঞানীরা। 

নাসার বিজ্ঞানীরা জানান, এ ধরনের ব্যাকটেরিয়া অফিসে পাওয়া যায়। কিন্তু তা কীভাবে ওখানে মিলল, জানা দরকার। 

নাসার জেট প্রোপালসন ল্যাবের গবেষক কস্তুরী বেঙ্কটেশ্বরন জানান, মহাকাশ সফরে যাওয়া নভোচারীদের নিরাপত্তার জন্য বিষয়টি খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ওই সময়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কিছুটা কমে যায়। তাছাড়া পৃথিবীর মতো চিকিৎসা ব্যবস্থা তো ওখানে নেই।

দীর্ঘ ১৪ মাস ধরে আইএসএস-এর বিভিন্ন জায়গা, যেমন জানালা, শৌচাগার, খাবার টেবিল, শোওয়ার ঘর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ‘কালচার টেকনিক’ ও ‘জিন সিকোয়েন্সিং’ প্রক্রিয়ায় সেগুলোর প্রকৃতি বিচার করা হচ্ছে। মহাকাশে ওই ব্যাকটেরিয়ার চরিত্র বদল হয়েছে কিনা, তা-ও লক্ষ্য করা হয়েছে।

গবেষকেরা বলছেন, ব্যাকটেরিয়াগুলো মূলত  স্ট্যাফাইলোকক্কাস, ব্যাসিলাস ইত্যাদি নামে পরিচিত। স্ট্যাফাইলোকক্কাস অরিয়াস মানুষের ত্বক ও নাকে থাকে। অ্যানটেরোব্যাকটর থাকে অন্ত্রে।

‘জিম, অফিস, হাসপাতালে যে ধরনের ব্যাকটেরিয়া থাকে, আইএসএস-এ সেগুলোই রয়েছে।’ অর্থাৎ সুযোগ বুঝে নভোচারীদের সঙ্গে মহাকাশযাত্রা করে ফেলেছে তারাও। এখন ওই সব ব্যাকটেরিয়ার হামলায় নভোচারীরা অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন কিনা, তা অজানাই। কারণ মহাকাশে ব্যাকটেরিয়া কতটা সক্রিয় তা জানা নেই। পরবর্তী গবেষণায় সেটাই খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা।

সূত্র: আনন্দবাজার
 

মোবাইল-পিসি-টেক বিভাগের সর্বাধিক পঠিত