ঢাকা, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
সর্বশেষ:
বগুড়া ও যশোরের উপনির্বাচন এবং চসিকের সিটি নির্বাচন ২৯ মার্চ জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

বিনামূল্যে হাজারো মানুষের সেবায় পদ্মাসেতু স্বাস্থ্যকেন্দ্র

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০০:৪২, ৮ জানুয়ারি ২০২০  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

মাদারীপুরের শিবচরের বাসিন্দাদের সেবায় এক নির্ভরযোগ্য নাম পদ্মাসেতু স্বাস্থ্যকেন্দ্র। এখানে শুধু চিকিৎসা নয়, ওষুধও পাওয়া যায় বিনামূল্যে।

স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি মূলত ওই উপজেলার বাখরেরকান্দি পুনর্বাসনকেন্দ্রের বাসিন্দাদের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে। তবে এখানে এসে সেবা নিচ্ছেন আশপাশের চরাঞ্চলের বাসিন্দারাও।

চরাঞ্চলের হাজারো মানুষের সেবায় সরকারি ছুটির দিন ছাড়া সবসময়ই খোলা থাকছে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি। সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন একজন চিকিৎসক, একজন সহকারী স্বাস্থ্যকর্মী, নার্স ও একজন ফার্মাসিস্টসহ নয়জন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পদ্মাসেতু স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রবেশের আগে চোখে পড়বে ফুলের বাগানসহ নানা ধরনের গাছপালা। এছাড়া পরিচ্ছন্ন ও মনোরম পরিবেশে সেবা নিচ্ছেন রোগীরা। চিকিৎসকদের জন্য আলাদা কক্ষ, রোগীদের জন্য ওয়েটিং রুম, ফার্মেসি, জরুরি বিভাগ, আইটি কক্ষ, রোগীদের কক্ষ সবকিছুই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। 

স্থানীয়রা জানান, ঘরের কাছে এমন একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র থাকায় অনেক উপকার হচ্ছে। নারী ও শিশুদের জন্য জরুরি সেবাগুলো সহজেই পাওয়া যায়। ওষুধ থেকে শুরু করে সব ধরনের সেবা মেলে বিনামূল্যে।

গৃহিণী জুলেখা বেগম বলেন, কয়েকদিন ধরেই ঠাণ্ডা-জ্বরে ভুগছি। তাই ডাক্তার দেখাতে এসেছি। বাড়ির কাছে এমন একটি হাসপাতাল থাকায় আমাদের দূরে যেতে হয় না।

স্বাস্থ্যকেন্দ্র কর্তৃপক্ষ জানায়, পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পের অধীনে শিবচরের বাখরেরকান্দি পদ্মাসেতু স্বাস্থ্যকেন্দ্র নির্মাণ করা হয়। ২০১৭ সালের ১৬ এপ্রিল স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি উদ্বোধন করেন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এ স্বাস্থ্যকেন্দ্র মূলত পদ্মাসেতু প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য হলেও চরাঞ্চলের হাজারো মানুষের কাছে আজ ‘ঘরের হাসপাতাল’ নামে পরিচিত।

সংশ্লিষ্টরা জানান, তিন বছরে এ স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে ১৭ হাজার ১৬৯ জনকে সেবা দেয়া হয়েছে। এরমধ্যে পাঁচ হাজার ৭৮৯ জন নারী ও ছয় হাজার ৩৫ জন শিশু রয়েছে।

পদ্মাসেতু স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সহকারী কমিউনিটি স্বাস্থ্য কর্মকর্তা প্রতাপ চন্দ্র দাস বলেন, প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্র খোলা থাকে। প্রতিদিন ৪০-৪৫ জন রোগীকে বিনামূল্যে সেবা দেয়া হয়। 

তিনি বলেন, এখানে নতুনভাবে ডায়াবেটিস পরীক্ষার ব্যবস্থা যুক্ত করা হয়েছে। আগামীতে প্যাথলজি সেবাসহ পর্যায়ক্রমে সব আধুনিক সুবিধা দেয়া হবে।

সূত্র: ডেইলি বাংলাদেশ

নিউজওয়ান২৪.কম/এমজেড

স্বদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত