ঢাকা, ১৮ নভেম্বর, ২০১৯
সর্বশেষ:
জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯ আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন ডিসেম্বরে হেল্পলাইন ১৬২৬৩ এ কল করলেই ডাক্তারের পরামর্শ

বিজ্ঞাপনের তালিকায় টুপি গয়না!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:৪৩, ২৭ নভেম্বর ২০১৮  

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

 

বিজ্ঞাপনকে কারণ ছাড়াই রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। যুক্তরাজ্যের কয়েক ডজন গয়না, টুপি আর পোশাক প্রতিষ্ঠানের বেশির ভাগই জানে না কেন তাদের রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনের তালিকায় ফেলা হয়েছে।

ফেসবুকে যুক্তরাজ্যের ১২ শতাধিক পণ্যের বিজ্ঞাপন রয়েছে। এর মধ্যে এক গবেষণায় দেখেতে পেয়েছে, অন্তত ২৬টি বিজ্ঞাপনকে ফেসবুক রাজনৈতিক তালিকায় ফেলেছে। 

এই ২৬ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে হ্যাট বা টুপি তৈরি করে এমন প্রতিষ্ঠান, ফ্যাশন বুটিক, অনলাইন গয়না বিক্রির প্রতিষ্ঠান, ম্যাগাজিন ও কফি কোম্পানি ইত্যাদি। এখন এই একই ধরনের মার্কিন বা ব্রাজিলিয়ান প্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক তালিকায় যুক্ত করা হয়নি। কিন্তু যুক্তরাজ্যে করার কী কারণ?

ডাটাবেসে যে প্রতিষ্ঠানটিকে সবচেয়ে বেশি রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনের জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়েছে, সেই হ্যাট বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান কনসেপ্ট ক্যাপ জানিয়েছে, তাদের সঙ্গে যোগাযোগের আগ পর্যন্ত তারা বিষয়টি খেয়ালই করেননি।

প্রতিষ্ঠানের মুখপাত্র জানিয়েছেন, তাদের পণ্যের কোন রকম রাজনৈতিক বার্তা নেই।

তবে শুরুতে নিয়ম মাফিক তারা একটি ফর্ম পূরণ করেছিলেন, যা জমা দেবার পর তাদের কাছে নোটিফিকেশন পাঠানো হয়েছিল, যে তারা চাইলে রাজনৈতিক বা ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি পোষ্ট করতে পারবে।তাতে মনে হয়েছে, সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমের এই বিভাগটি সম্ভবত কোন মানুষ দ্বারা পরিচালিত হয় না। সেটি কোন রোবট বা যান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিচালনা করা হয়।

ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিষয়টি তারা তদন্ত করে দেখছে। তবে অনেক ক্ষেত্রে বিজ্ঞাপন দেওয়ার সময় নির্ধারিত ফর্ম পূরণ করতে গিয়ে বুঝতে না পেরে অনেক বিজ্ঞাপনদাতাই রাজনৈতিক বক্সে টিক দেন-এমনটাও হতে পারে বলে ফেসবুক মনে করে।

গত মাসে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ একটি নতুন ডাটাবেস তৈরির ঘোষণা দেয়, যেখানে যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনের তালিকা সংরক্ষণ করা হবে। ডাটাবেসে প্রতিটি বিজ্ঞাপনের বিষয়বস্তু এবং সেটি ফেসবুকে প্রচারের জন্য কে পয়সা দিয়েছে, সে তথ্যও যুক্ত করা হবে। কর্তৃপক্ষ বলছে, যুক্তরাজ্যের মত এই লাইব্রেরি যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রাজিলে ইতোমধ্যেই স্থাপন করা হয়েছে।

এই মূহুর্তে ডাটাবেসে নিজের বিজ্ঞাপনটি তালিকাভুক্ত করা বাধ্যতামূলক নয়। কিন্তু কর্তৃপক্ষের আশা নিকট ভবিষ্যতেই ফেসবুকে দেয়া সব ধরনের রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনের তথ্য ডাটাবেসে বাধ্যতামূলকভাবে প্রদান করতে হবে।

ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকার মাধ্যমে ব্যবহারকারীর তথ্য অপব্যবহার এবং ২০১৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সামাজিক এই মাধ্যমটির ভূমিকা নিয়ে অব্যাহত রাজনৈতিক চাপের মুখে ফেসবুক এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে।

নিউজওয়ান২৪/ইরু

মোবাইল-পিসি-টেক বিভাগের সর্বাধিক পঠিত