ঢাকা, ৩১ মে, ২০২০
সর্বশেষ:
সেহরি ও ইফতারের সময় সূচি : ঢাকায় প্রথম রোজার সেহরির শেষ সময় রাত ৪টা ৫ মিনিটে আর ইফতার হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিটে। আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। অনলাইনে করোনা নিয়ে যোগাযোগ করতে আইইডিসিআরের ই-মেইল [email protected] এবং ফেসবুক পেজে (Iedcr,COVID19 Control Room) যোগাযোগ করা যাবে। জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

নেপালে নিষিদ্ধ হলো পাবজি গেম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩:৪২, ১৩ এপ্রিল ২০১৯  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

নির্জন একটি দ্বীপে সকল প্রতিদ্বন্দ্বীকে হত্যা করে নিজেকে টিকিয়ে রাখতে হয়। শেষ পর্যন্ত যে ব্যক্তি বা দল এতে টিকে থাকে, সে-ই হয় চূড়ান্ত বিজয়ী।

প্লেয়ার আননোন’স ব্যাটল গ্রাউন্ডস (পাবজি) নামক এই গেমটি অনলাইনে একাধিক ব্যক্তি মিলে খেলতে হয়। যে কারণে সমাজে সহিংসতা বাড়ছে উল্লেখ করে অন্যতম জনপ্রিয় এই গেমটিকে এবার পুরোপুরি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে নেপাল। খবর এএফপির।

সহিংস অনলাইন গেম খ্যাত পাবজির বিষয়বস্তু শিক্ষার্থীদের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে; মূলত এমন আশঙ্কা থেকেই নেপাল সরকার এই গেম নিষিদ্ধের বিষয়ে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার (১২ এপ্রিল) গেমটি পুরোপুরি নিষিদ্ধকরণের বিষয়টি এক বিবৃতির মাধ্যমে নিশ্চিত করেছে নেপাল সরকার। নেপালের আগে ভারতের গুজরাট রাজ্যেও এই পাবজি গেম খেলার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল রাজ্য সরকার।

এমনকি সহিংস এই গেমটি খেলার দায়ে তখন বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতারও করেছিল প্রশাসন। ২০১৭ সালে প্রথম চালু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী প্রায় ১০ কোটি বারের বেশি ডাউনলোড করা হয়েছে তরুণদের কাছে ভীষণ জনপ্রিয় এই গেমটি।

বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) নেপালি টেলিযোগাযোগ কর্তৃপক্ষ দেশটির সকল ইন্টারনেট সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে এই পাবজি গেম সম্পূর্ণ ব্লক করে দেওয়ার জন্য একটি লিখিত নির্দেশনা পাঠায়। মূলত কাঠমান্ডু জেলা আদালতের নির্দেশনায় এমন ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।

নেপালি পুলিশের কর্মকর্তা ধীরাজ প্রতাপ সিং বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, ‘বেশ কিছুদিন যাবত অভিভাবক ও স্কুলগুলো থেকে অসংখ্য অভিযোগ পাওয়ার পর আদালত এই গেমটিকে পুরোপুরি নিষিদ্ধ করার আদেশ দিয়েছেন। এই গেমটি মূলত শিশু, কিশোর-কিশোরী ও শিক্ষার্থীদের ওপর মানসিকভাবে বিরূপ প্রভাব ফেলছে।’

এই গেম বন্ধের প্রতিক্রিয়ায় দেশটির শিক্ষক এবং অভিভাবকেরা বলছেন, ‘এই গেম বন্ধ হওয়াতে আমরা ভীষণ খুশি। কেননা গেমটি শিক্ষার্থীদের মনের মধ্যে ব্যাপকভাবে সহিংসতা ঢুকিয়ে দিচ্ছে। একইসঙ্গে পড়াশোনা থেকেও তাদের মনোযোগ কমিয়ে দিচ্ছে।’

আরও পড়ুন :- কোচবিহারের ১৬৬ কেন্দ্রে পুনঃভোট চায় বিজেপি

যদিও এতদিন এই গেমটির সঙ্গে জড়িত শিক্ষার্থীরা বলছেন, ‘আমরা তো গোটা দিনের মধ্যে নির্দিষ্ট একটা সময় গেমটি খেলতাম। এতে আমাদের পড়াশুনা কিংবা সাধারণ জীবনে কোনো ধরনের প্রভাব পড়েনি। অনেক মজার এই গেমটি বন্ধ করার মাধ্যমে সরকার শুধু আমাদের বিনোদনের বিশাল একটা দিক পুরোপুরি বন্ধ করে দিল।’

মোবাইল-পিসি-টেক বিভাগের সর্বাধিক পঠিত