ঢাকা, ১৩ আগস্ট, ২০২০
সর্বশেষ:
সেহরি ও ইফতারের সময় সূচি : ঢাকায় প্রথম রোজার সেহরির শেষ সময় রাত ৪টা ৫ মিনিটে আর ইফতার হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিটে। আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। অনলাইনে করোনা নিয়ে যোগাযোগ করতে আইইডিসিআরের ই-মেইল [email protected] এবং ফেসবুক পেজে (Iedcr,COVID19 Control Room) যোগাযোগ করা যাবে। জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

তারিখ পেছাল আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার...

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৯:৩৬, ২৭ ডিসেম্বর ২০১৮  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

এবার ২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা কে উদ্বোধন করবেন, তা এখনো চূড়ান্ত করতে পারেনি আয়োজক সংস্থা রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

নিয়মানুযায়ী বছরের প্রথম দিন অর্থাৎ পহেলা জানুয়ারি দেশের প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতি এই মেলার উদ্বোধন করেন। তবে এবার ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে বিষয়টি নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। কারণ প্রধানমন্ত্রী ও বাণিজ্যমন্ত্রীসহ এই মেলার সঙ্গে সম্পৃক্ত অনেকেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। ফলে নির্বাচনের একদিন পর এই আয়োজনের উদ্বোধন করা অনেকটাই অসম্ভব হবে প্রধানমন্ত্রীর জন্য। তাই ইপিবির বোর্ড সভায় উদ্বোধনের তারিখ পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। 

১ জানুয়ারি থেকে এই তারিখ পিছিয়ে ৯ জানুয়ারি ঠিক করা হলেও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তা এখনো চূড়ান্ত করা যায়নি।

ইপিবি সূত্র জানিয়েছে, এই মেলা প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন ধরে নিয়েই আয়োজন চূড়ান্ত করা হচ্ছে। তবে তিনি সময় দিতে না পারলে হয়তো মহামান্য রাষ্ট্রপতি উদ্বোধন করবেন, সেভাইে এগুচ্ছে ইপিবি। ইতোমধ্যেই চিঠিপত্র দেয়া শুরু হয়েছে। কারণ এই মেলায় দেশি বিদেশি ব্যবসায়ী ছাড়াও অন্যান্য মেহমানরাও উপস্থিত থাকবেন। সে কারণেই মাসব্যাপী এই মেলার তারিখ আর বেশি পেছনো ঠিক হবে না। এবার এই বাণিজ্য মেলা ৯ জানুয়ারি শুরু হয়ে তা শেষ হবে ৯ ফেব্রুয়ারি। অথচ ফেব্রুয়ারির ১ তারিখেই দেশে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে গ্রন্থ মেলার, যা ফেব্রুয়ারি মাসজুড়ে চলে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ইপিবি থেকে প্রস্তাব পাঠানোর পরেও ২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা কে উদ্বোধন করবেন তা চূড়ান্ত করতে পারেনি মন্ত্রণালয়। মেলা উদ্বোধনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি চেয়ে তার দফতরে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে এখনো কোনো সম্মতি পাওয়া যায়নি।

এই প্রসঙ্গে বঙ্গভবনে যোগাযোগ করা হলে রাষ্ট্রপতির প্রেস সেক্রেটারি জয়নাল আবেদীন বলেন, এখনো এ জাতীয় কোনো প্রস্তাব রাষ্ট্রপতির দফতরে আসেনি। প্রস্তাব পাওয়া গেলে পরবর্তীতে তা জানানো হবে।

এ বিষয়ে রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) উপ-পরিচালক ও ২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব আবদুর রউফ জানিয়েছেন, স্বাভাবিক নিয়মে প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতি এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। আমরা সেভাবেই কাজ করছি। তবে এ বছরের বিষয়টি ভিন্ন। তাই আমরা বিকল্প প্রস্তাব নিয়েও ভাবছি। প্রধানমন্ত্রী সময় দিতে না পারলে হয়তো মহামান্য রাষ্ট্রপতি এই মেলার উদ্বোধন করবেন।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, মেলার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি খুব দ্রুত এগুচ্ছে। কাজ প্রায় সমাপ্তির পথে। স্টল নির্মাণের কাজ অনেকটাই শেষ হয়েছে। এখন চলছে সাজগোছের প্রস্তুতি। স্টলে চলছে রঙ মারার কাজ, আর ধুলো থেকে রেহাই পেতে মাঠে চলছে পানি ঢালার কাজ।

তাছাড়া প্রতিবছরের মতো এ বছরও রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের গণপূর্ত বিভাগের ৩১ দশমিক ৫৩ একর জমির খোলা মাঠে অনুষ্ঠিত হবে এবারের বাণিজ্য মেলা।

এদিকে, ইপিবি আশা করছে, গতবারের চেয়ে এবার বিদেশিদের আগ্রহ অনেক বেশি। আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সব প্রস্তুতি শেষ হবে। দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের স্টল ও প্যাভিলিয়ন মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ৫০০ প্রতিষ্ঠান মেলায় অংশ নেবে। মেলার দুই প্রান্তে সুন্দরবন ইকোপার্ক,ভেতেরে থাকবে মা ও শিশু কেন্দ্র, শিশুপার্ক, ই-পার্ক ও এটিএম বুথ। এবারের মেলায় স্থান পাবে সংরক্ষিত নারী স্টল ২০টি, প্রিমিয়ার প্যাভিলিয়ন ৬০টি, প্রিমিয়ার মিনি প্যাভিলিয়ন ৩৮টি, সাধারণ প্যাভিলিয়ন ১৮, সাধারণ মিনি প্যাভিলিয়িন ২৯টি, প্রিমিয়ার স্টল ৬৭টি, রেস্টুরেন্ট ৩টি, সংরক্ষিত প্যাভিলিয়ন ৯টি, সংরক্ষিত মিনি প্যাভিলিয়ন ৬টি ও বিদেশি প্যাভিলিয়ন ২৬টি। দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের স্টল ও প্যাভিলিয়ন মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ৫০০ প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে বাণিজ্য মেলায়। মেলায় এবার এ পর্যন্ত ৪৩টি বিদেশি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছে। গতবারের থেকে এবার বিদেশিদের আগ্রহ অনেক বেশি।

স্বাগতিক বাংলাদেশ ছাড়াও বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ভারত, পাকিস্তান, চীন, ব্রিটেন, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া, ইরান, থাইল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, ভুটান, নেপাল, মরিশাস, ভিয়েতনাম, মালদ্বীপ, রাশিয়া, আমেরিকা, জার্মানি, সোয়াজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও হংকং।

নিউজওয়ান২৪/জেডএস

অর্থ-কড়ি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত