ঢাকা, ২৮ মে, ২০২০
সর্বশেষ:
সেহরি ও ইফতারের সময় সূচি : ঢাকায় প্রথম রোজার সেহরির শেষ সময় রাত ৪টা ৫ মিনিটে আর ইফতার হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিটে। আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। অনলাইনে করোনা নিয়ে যোগাযোগ করতে আইইডিসিআরের ই-মেইল [email protected] এবং ফেসবুক পেজে (Iedcr,COVID19 Control Room) যোগাযোগ করা যাবে। জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

চাঁদা না পেয়ে হোটেল মালিককে মারধর করলেন ওসি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২:৫৩, ১২ জুলাই ২০১৯  

ছবি সংগৃহীত

ছবি সংগৃহীত

মাদারীপুরে চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় এক হোটেল মালিককে থানায় নিয়ে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে ওসির বিরুদ্ধে।

নির্যাতনের শিকার শহরের সুমন আবাসিক হোটেলের মালিক সিরাজ মুন্সী সদর থানার ওসি সওগাতুল আলমের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেন। মারধরে ‘চোখের আঘাত বেশি হওয়ায়’ তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শুধু নির্যাতনই নয়; একটি সাজানো মামলা দিয়ে তাকে গ্রেফতারও করেছেন ওসি। পুলিশের এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন আবাসিক হোটেল মালিক সমিতির নেতারা।

চিকিৎসাধীন সিরাজ বলেন, সোমবার রাতে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে আমার হোটেলে থাকতে আসেন শরীয়তপুর সদর উপজেলার চন্দ্রপুর এলাকার ছালাম পেয়াদা ও এক নারী। ওই রাতেই হোটেল তল্লাশি করেন জেলা পুলিশের ডিএসবির সদস্য শহিদুল ইসলাম। এ সময় পুলিশ আমাকে আটক করে।

পরদিন ওসি সওগাতুল আলম আমাকে তার কক্ষে ডেকে নিয়ে মাসিক ১৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। আমি টাকা দিতে অস্বীকার করলে ওসি আমাকে এলোপাতাড়ি চড়-থাপ্পড় মারেন। এতে আমার চোখের কোণে রক্ত জমে যায়। কিন্তু তিনি আমাকে হাসপাতালে না পাঠিয়ে মামলা দিয়ে আদালতে পাঠান।

তার হোটেলে থাকতে আসা সালাম পেয়াদা তার বিরুদ্ধে মামলা করেন জানিয়ে তিনি বলেন, এটি সাজানো মামলা। এই সাজানো মামলায় পুলিশ আমাকে আদালতে পাঠায়। আদালত আমাকে বৃহস্পতিবার জামিন দেয়। তারপর হাসপাতালে ভর্তি হই।

সিরাজ আরো বলেন, ওসি সদর থানায় ১৭ জুলাই যোগদানের পর দুইবার আমাকে তার কক্ষে ডেকে মাসিক ১৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেছেন। আমি তাকে চাঁদা দিতে অস্বীকার করেছি। তিনি তখন থেকেই আমার ওপর ক্ষেপে আছেন। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে উপযুক্ত বিচার দাবি করছি।

সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক আবির হোসেন জানান, চোখের আঘাত বেশি হওয়ায় রোগীকে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি এখান থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে অধিকতর চিকিৎসার জন্যে অন্যত্র যেতে পারেন। তার চোখ ও মুখে বেশ আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

এদিকে মামলার বাদী সালাম পেয়াদা বলেন, আমি কিছুই জানি না। থানার একজন লোক লিখছে। আমি টিপসই দিয়েছি। আমি মামলা করতে রাজি না। আর হোটেলে একজন পুলিশ পরিচয় দিয়ে আমার কাছে টাকা দাবি করেছে।

সদর থানার ওসি সওগাতুল আলম বলেন, আমার সঙ্গে তার দেখাই হয়নি। তাকে শারীরিক নির্যাতনের প্রশ্নই উঠে না। আমার বিরুদ্ধে তিনি মিথ্যে তথ্য দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে এক ব্যক্তি অভিযোগ করায় মামলা আমলে নেয়া হয়েছে।

মাদারীপুরের এসপি সুব্রত কুমার হালদার বলেন, নির্যাতনের বিষয়টি জানা নেই। যদি ওসি নির্যাতন করে থাকে, তাহলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজওয়ান২৪.কম/এমজেড

আরও পড়ুন
অপরাধ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত