ঢাকা, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২০
সর্বশেষ:
আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। অনলাইনে করোনা নিয়ে যোগাযোগ করতে আইইডিসিআরের ই-মেইল [email protected] এবং ফেসবুক পেজে (Iedcr,COVID19 Control Room) যোগাযোগ করা যাবে। জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্স ১ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৯:৫৬, ৩ মার্চ ২০২০  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত


চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে (জুলাই-১৯ থেকে ফেব্রুয়ারি-২০) প্রবাসীরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ১ হাজার ২৪৯ কোটি ১৫ লাখ ডলার। এটি বাংলাদেশি টাকায় (১ ডলার, ৮৫ টাকা ধরে) ১ লাখ ৬ হাজার ১৭৭ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। 

গত অর্থবছরের একই সময়ে (জুলাই-১৮ থেক ফেব্রুয়ারি-১৯) রেমিট্যান্স আসে ১ হাজার ৪১ কোটি ডলার। এটি গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ২০ শতাংশ বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো: সিরাজুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, সরকারের ২ শতাংশ নগদ প্রণোদনা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের নানা উদ্যোগের কারণে বৈধ পথে রেমিট্যান্স আসার পরিমাণ বেড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে জানা গেছে, সর্বশেষ চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রবাসীরা ১৪৫ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এটি গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১০ শতাংশ বেশি। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স আসে ১৩১ কোটি ৭৭ লাখ ডলার। এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে প্রবাসীরা ১৬৩ কোটি ৮৫ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন।

রেমিট্যান্স বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আড়াই বছর পর আবারো ১ মার্চ তিন হাজার ৩০০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। এই রিজার্ভ দিয়ে আট মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।

গত বছর জানুয়ারিতে প্রবাসীরা ১৫৯.৭২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠান। এরপর ফেব্রুয়ারিতে ১৩১.৭৭, মার্চে ১৪৫.৮৬, এপ্রিলে ১৪৩.৪৩ কোটি ডলার রেমিট্যান্স আসে। পরে মে মাসে আবার রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স আসে ১৭৪.৮১ কোটি মার্কিন ডলার। এরপর গত জুনে ১৩৬.৮২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠা প্রবাসীরা।

এদিকে, চলতি অর্থবছরে ১৯ জুলাই রেমিট্যান্স আসে ১৫৯.৭৬ কোটি ডলার। এরপর গত আগস্টে ১৪৪.৪৭ কোটি ডলার, সেপ্টেম্বরে ১৪৭.৬৯ কোটি ডলার, অক্টোবরে ১৬৩.৯৬ কোটি এবং নভেম্বরে ১৫৫.৫২ কোটি, ডিসেম্বর মাসে ১৬৮.৭০ ডলার, জানুয়ারি-২০ মাসে ১৬৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার এবং সর্বশেষ ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স আসে ১৪৫.২০ কোটি ডলার।

বছর ভিত্তিক রেমিট্যান্স: কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, পঞ্জিকার বছর হিসেবে ২০১৯ সালে রেকর্ড পরিমাণ ১ হাজার ৮৩৩ কোটি ডলার রেমিট্যান্স আসে। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বছরে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স। এর আগে ২০১৮ সালে রেমিট্যান্স আসে ১ হাজার ৫৫৩ কোটি ৭৮ লাখ ডলার। ২০১৭ সালে ১ হাজার ৩৫৩ কোটি ডলার, ২০১৬ সালে ১ হাজার ৩৬১ কোটি ডলার, ২০১৫ সালে ১ হাজার ৫৩১ কোটি ডলার।

অর্থবছর হিসাবে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স আছে ১ হাজার ৫৩১ কোটি ৬৯ লাখ ডলার, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ১ হাজার ৪৯৩ কোটি ডলার, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ১ হাজার ২৭৬ কোটি ৯৪ লাখ ডলার, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ১ হাজার ৪৯৮ কোটি ডলার। সর্বশেষ ২০১৮-১৯ অর্থবছরের রেমিট্যান্স আসে ১ হাজার ৬৩১ কোটি ডলার।

জিডিপিতে রেমিট্যান্সের অবদান ১০ শতাংশের বেশি। বাংলাদেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর শীর্ষ ১০টি দেশ হচ্ছে, সৌদি আরব, আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, মালয়েশিয়া, কুয়েত, ওমান, যুক্তরাজ্য, কাতার, ইতালি ও বাহরাইন।

নিউজওযান২৪.কম/এমজেড

অর্থ-কড়ি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত