ঢাকা, ২৭ অক্টোবর, ২০২০
সর্বশেষ:
আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। অনলাইনে করোনা নিয়ে যোগাযোগ করতে আইইডিসিআরের ই-মেইল [email protected] এবং ফেসবুক পেজে (Iedcr,COVID19 Control Room) যোগাযোগ করা যাবে। জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

গ্রীল ভেঙ্গে পালালো আইসোলেশনে ভর্তি আসামি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২:১৬, ১৩ এপ্রিল ২০২০  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত


আইস্যুলেশন ওয়ার্ডের জানালার গ্রিল ভেঙ্গে হ্যান্ডকাপ নিয়ে সুজন ওরফে শাকিল (২৫) নামের এক হাজতি পালিয়ে গেছে। ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট যশোর জেনারেল হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। রোববার (১২ এপ্রিল) রাতে এ ঘটনাটি ঘটে।

সুজন রাজবাড়ি জেলার পাংশা উপজেলার বাহাদুরপুর কাজিপাড়া মল্লিক বাড়ির রনজিত মল্লিকের ছেলে। তিনি যশোর শহরের মোল্লাবারান্দিপাড়া আমতলা হাসান মহুরির বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। কোতয়ালি থানার নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় তাকে জেলহাজতে প্রেরন করা হয়। এঘটনার পর যশোর কেন্দ্রীয় কারগারের ডিআইজ প্রিজন ছগির মিয়া সুপার সুব্রত কুমার বালা জেলর তুহিন কান্তি খাঁন ও কোতয়ালি থানার পরিদর্শক তাসমিম শেখ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলর তুহিন কান্তি খাঁন জানান, ১০ এপ্রিল নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার হাজতি সুজন তাকে জানায় তার শরীরে জ্বর অনুভূত হচ্ছে। সে অসুস্থ বোধ করছিলো। তার বোন করোনায় আক্রান্ত। তারও করোনা হতে পারে। এরপর তাকে ওই দিন সন্ধ্যা ৭ টা ২৫ মিনিটে কেন্দ্রীয় কারগার থেকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট যশোর জেনারেল হাসপাতালের আইস্যুলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। তার হাতে হ্যান্ডকাপ লাগানো ছিলো। ওয়ার্ডের সামনে ৪ জন করারক্ষী ও দুজন পুলিশ দায়িত্ব পালন করছিলো। এরই মধ্যে ১২ এপ্রিল রোববার রাত সাড়ে ৯ টায় সুজন হাসপাতালের ওয়ার্ডের জানালার গ্রিল ভেঙ্গে হ্যান্ডকাপসহ পালিয়ে যায়।

ওয়ার্ডের অন্য রোগীরা জানান, সুজন পালানোর আগে ওয়ার্ডের জানালার সামনে দুজন লোকের সঙ্গে কথা বলছিলো। এর কিছু সময় পর সুজন পালিয়ে যায়। সুজনকে পালিয়ে যেতে দেখে হাসপাতালের দুজন স্টাফ চিৎকার দেয়ার পর ওয়ার্ডের সামনে কর্তব্যরত করারক্ষি ও পুলিশ খোঁজা খুজি শুরু করে।

যশোর কোতয়ালি থানার পরিদর্শক তাসমিম শেখ জানান, সুজন ওরফে শাকিলকে স্কুল ছাত্রী সানজিদা ইয়াসমিন চুমকি অপহরন মামলায় ১০ এপ্রিল সকালে শহরের দড়াটানা থেকে আটক করা হয়। গত ৪ এপ্রিল সকালে বাড়ির দক্ষিন পাশের ইটের সলিংয়ের রাস্তা থেকে সানজিদাকে ফুঁসলিযে অপহরন করে মোটরসাইকেলে নিয়ে যায় সুজন। ওই সময় সানজিদা সবজি খেতে পানি দিতে যাচ্ছিল। এ ঘটনায় সানজিদার পিতা শহরের পুরাতন কসবা আজিজ সিটির বাসিন্দা জিয়াউর রহমান বাদি হয়ে কোতয়ালি থানায় নারী ওশিশু নির্যাতন দমন আইনে সুজনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলা নম্বর ২৪। তারিখ- ১০.০৪.২০।

মামলার তদন্ত কর্মকার্তা এস আই সুকুমার কুন্ডু জানান, ১০ এপ্রিল সকালে সুজনকে নারী ও শিশু নির্যতন মামলায় শহরের দড়াটানা থেকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। এর আগে সুজন মনিরামপুরে বিয়ে করে। ওই স্ত্রীকে তিনি ডিভোর্স দেন। সেখানে তার একটি ৪ বছরের সন্তান রয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলাম জানান, কর্তব্যরতদের বিরুদ্ধে বিভগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজওয়ান২৪.কম/এমজেড

আরও পড়ুন
স্বদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত