ঢাকা, ২৮ মে, ২০২০
সর্বশেষ:
সেহরি ও ইফতারের সময় সূচি : ঢাকায় প্রথম রোজার সেহরির শেষ সময় রাত ৪টা ৫ মিনিটে আর ইফতার হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিটে। আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। অনলাইনে করোনা নিয়ে যোগাযোগ করতে আইইডিসিআরের ই-মেইল [email protected] এবং ফেসবুক পেজে (Iedcr,COVID19 Control Room) যোগাযোগ করা যাবে। জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

কাশ্মীরিদের ঈদ, কাটল যেমন

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০:৩৭, ১৩ আগস্ট ২০১৯  

ঈদের নামাজ আদায় করছেন কাশ্মীরি জনগণ। (ছবিসূত্র : দ্য ইন্ডিয়া টিভি)

ঈদের নামাজ আদায় করছেন কাশ্মীরি জনগণ। (ছবিসূত্র : দ্য ইন্ডিয়া টিভি)

ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরে রবিবার (১১ আগস্ট) থেকে আবারো কারফিউ জারি করেছে প্রশাসন। যে কারণে সেখানকার পথঘাটে এক রকম নির্জন ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। 

এমন পরিস্থিতির মধ্যে সোমবার (১২ আগস্ট) গোটা উপমহাদেশের মতো ভূস্বর্গ খ্যাত কাশ্মীরেও পালিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল আজহা। বিশেষত অঞ্চলটির শ্রীনগর জেলায় কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই চলছে বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায়ের পবিত্র এই দিনটি উদযাপন।

কর্তৃপক্ষের বরাতে গণমাধ্যম 'এনডিটিভি' জানায়, ব্যাপক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকে শ্রীনগরের বেশিরভাগ এলাকার মসজিদে ঈদের নামাজ আয়োজনের অনুমতি দেয়া হয়নি। তাছাড়া রবিবার থেকেই অঞ্চলটির নিরাপত্তার স্বার্থে পুনরায় কারফিউ জারি করা হয়।

জম্মু ও কাশ্মীরের আশপাশে অবস্থিত ছোট মসজিদগুলোতে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। যার অংশ হিসেবে সরকারের পক্ষ থেকে পরবর্তীতে বিভিন্ন গণমাধ্যমের কাছে কাশ্মীরি মুসল্লিদের ঈদের নমাজ আদায়ের ছবি পাঠানো হয়েছে।

অঞ্চলটিতে দায়িত্বরত সরকারি কর্মকর্তারা বলেন, সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও কাশ্মীরি নেতা ওমর আবদুল্লা ও মেহবুবা মুফতিসহ স্থানীয় বেশ কয়েকজন রাজনীতিবিদ; যারা গত সপ্তাহ থেকে পুলিশি নজরবন্দির ভেতর রয়েছেন, এবার তাদের আশপাশের মসজিদগুলোতে নমাজ আদায় করতে অনুমতি দেয়া হয়েছে।

মোদী সরকারের মতে, গত শনিবার (১০ আগস্ট) রাজ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থা শিথিল করার মাধ্যমে শ্রীনগরে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। মূলত এসবের জেরেই আরো বড় সংঘর্ষের আশায় পরদিন থেকে অঞ্চলটিতে পুনরায় কারফিউ জারি করা হয়, যা এখনো অব্যাহত আছে।

এর আগে গত সপ্তাহের ৫ আগস্ট (সোমবার) কেন্দ্রীয় সরকার ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিলের মাধ্যমে জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা হরণ করেছিল। যার প্রেক্ষিতে রাজ্যটিকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। মূলত এর পর থেকে অঞ্চলটিতে বসবাসরতদের নিরাপত্তার স্বার্থে গত সপ্তাহ থেকেই রাজ্যটির বেশিরভাগ অংশে কারফিউ জারি করা হয়। 

কাশ্মীরের সর্বশেষ পরিস্থিতি গণমাধ্যমের কাছে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় পরিকল্পনা কমিশনের প্রধান সচিব রোহিত কনসালের। তিনি দাবি করেন, ‘অনেক মানুষ ঈদকে কেন্দ্র করে রাজ্যের বাইরে থেকে এসেছেন এবং কেনাকাটা করছেন। সোমবারও প্রচুর লোককে সড়কে বেরোতে দেখা গেছে। যেখানেই সরকারি বিধিনিষেধ রয়েছে, সেখানেই তারা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেছেন।’

গণমাধ্যমের কাছে স্থানীয় পরিকল্পনা কমিশনের এই প্রধান সচিব বলেন, 'প্রিয়জনদের সঙ্গে দেখা করতে শ্রীনগরে আসতে ইচ্ছুক এমন জনগণের সুবিধার্থে আমরা সব ধরনের সাহায্য প্রদানের চেষ্টা করছি।

নিউজওয়ান২৪.কম/আ.রাফি

আরও পড়ুন
বিশ্ব সংবাদ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত