ঢাকা, ০৪ আগস্ট, ২০২০
সর্বশেষ:
সেহরি ও ইফতারের সময় সূচি : ঢাকায় প্রথম রোজার সেহরির শেষ সময় রাত ৪টা ৫ মিনিটে আর ইফতার হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিটে। আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। অনলাইনে করোনা নিয়ে যোগাযোগ করতে আইইডিসিআরের ই-মেইল [email protected] এবং ফেসবুক পেজে (Iedcr,COVID19 Control Room) যোগাযোগ করা যাবে। জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

এমপি লিটন হত্যা মামলার রায় আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১০:০৮, ২৮ নভেম্বর ২০১৯  

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগের এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় আসামিদের রায় ঘোষণা হবে আজ বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর)।

গত ১৯ নভেম্বর যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে গাইবান্ধার জেলা ও দায়রা জজ দিলীপ কুমার ভৌমিক রায় ঘোষণার জন্য এই দিন ঠিক করে দেন।

প্রধান আসামি সাবেক এমপি জাতীয় পার্টির আব্দুল কাদের খানকে একই ঘটনায় অস্ত্র মামলার রায়ে গত ১১ জুন যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন এই বিচারক। এছাড়া অস্ত্র মামলায় পৃথক এক ধারায় তাকে ১৫ বছর কারাদণ্ড দেয় আদালত।

ওই আদালতের পিপি শফিকুল ইসলাম বলেন, মামলার এজাহার, আসামি ও সাক্ষীদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, অস্ত্র উদ্ধারসহ নানা দিক আলোকপাত করে আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়। যুক্তিতর্ক শেষে আজ বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) মামলার রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করেন বিচারক দিলীপ কুমার ভৌমিক।

২০১৮ সালের ৮ এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত বাদী, নিহতের স্ত্রী ও তদন্ত কর্মকর্তাসহ ৫৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছে আদালত।

চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলায় অভিযুক্ত আসামিদের ফাঁসিসহ সব্বোর্চ শাস্তি হবে বলে মনে করেন পিপি শফিকুল।

তিনি বলেন, যুক্তিতর্ক শুনানির সময় কাদের খানসহ অভিযুক্ত আটজন আসামির মধ্যে ছয়জনকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। মামলার অপর দুই আসামির একজন সুবল চন্দ্র রায় কারাগারে অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন। আর চন্দন কুমার রায় নামে এক আসামি পলাতক রয়েছেন।

২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় সুন্দরগঞ্জের বামনডাঙ্গার মাস্টারপাড়ার নিজ বাড়িতে গুলিতে নিহত হন গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন। মামলার প্রধান আসামি কাদের খানও ওই আসনের সাবেক এমপি।

হত্যার ঘটনায় অজ্ঞাত পাঁচ-ছয়জনের বিরুদ্ধে সুন্দরগঞ্জ থানায় মামলা করেন লিটনের বড় বোন ফাহমিদা কাকুলী। তদন্ত শেষে কাদের খানসহ আটজনের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালের ৩০ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ।

ওই বছরই ২১ ফেব্রুয়ারি বগুড়ার বাসা থেকে গ্রেফতারের পর থেকে কাদের খান গাইবান্ধা জেলা কারাগারে রয়েছেন। অন্য পাঁচ আসামি হলেন, কাদের খানের একান্ত সহকারী শামছুজ্জোহা, গাড়িচালক আবদুল হান্নান, মেহেদি হাসান, শাহীন মিয়া ও আনোয়ারুল ইসলাম রানা।

তবে আসামিপক্ষের আইনজীবী আবদুল হামিদ দাবি করেন, এমপি লিটনকে ষড়যন্ত্র করে হত্যা করা হয়েছে। এ মামলায় আসামি কাদের খানকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হয়েছে।

আসামিদের নির্দোষ দাবি করে আদালতে বিস্তারিত যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়েছে। তার পরও মামলার রায় সন্তোষজনক না হলে উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হওয়া হবেন আসামিরা।

নিউজওয়ান২৪.কম/এমজেড

আরও পড়ুন
স্বদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত