কেন: স্বামীকে আটকে স্ত্রীকে দফায় দফায় গণধর্ষণ!
জেলা সংবাদদাতা
প্রতীকি চিত্র
টাঙ্গাইল শহরে ধর্ষণের ঘটনায় পাঁচ ঘৃণ্য ধর্ষককে আটক করেছে পুলিশ। এরা দলবদ্ধ ধর্ষণে অভিযুক্ত। এরা এক স্বামীকে আটকে রেখে তার স্ত্রীকে দলবেঁধে ধর্ষণ করেছে বারবার।
পুলিশ শনিবার ভোরে পৌর এলাকার চরজানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বারান্দা থেকে গৃহবধুকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করেছে। তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।
জানা গেছে, মির্জাপুরের গোড়াইয়ে একটি পোশাক প্রস্ততকারী প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন ভিকটিম নারী। তার স্বামী একজন নির্মাণ শ্রমিক। তাদের ১০ মাস আগে বিয়ে হয়েছে। ওই নারী শুক্রবার রাতে স্বামীকে নিয়ে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় বাবার বাড়ি থেকে মির্জাপুর উপজেলায় কর্মস্থলে ফিরছিলেন। কালিহাতী থেকে সিএনজি করে রাত ১০টার দিকে টাঙ্গাইল নতুন বাস টার্মিনালে এসে নামেন তারা। সেখান থেকে বাসে মির্জাপুর যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল।
অভিযোগ ভিকটিম নারী জানান, কিন্তু বাস টার্মিনালে নামার পর তিন বখাটে তাদেরকে ঘিরে ধরে। এসময় স্বামীকে বেদম মারপিট করে। আর তাকে টেনেহিঁচরে জোরপুর্বক টার্মিনালের পাশে ডিসি লেক পারে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে বলে আমাদের কথা না শুনলে তোর স্বামীকে মেরে ফেলবো। এসময় দুইজনে স্বামীকে আটকিয়ে রাখে আর ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে প্রথমে ধর্ষণ করে ইউসুফ। পরে রবিউল ইসলাম রবিনও ধর্ষণ করে। এরপর মফিজ নামে অপর এক ধর্ষকের হাতে তুলে দেয়। মফিজ তার আরো দুই-তিনজন সঙ্গীসহ কোদালিয়া এলাকায় নিয়ে তাকে ধর্ষষ করে। এরপর রাত আড়াইটায় একটি স্কুলঘরে তিনজন ধর্ষণ করে রাতভর।
অপরদিকে, গভীর রাতে ধর্ষক ইউসুফ ও রবিনের খপ্পর থেকে কৌশলে পালিয়ে যান ধর্ষিতার স্বামী এবং নতুন বাস টার্মিনাল এলাকার এক সিএনজি চালকের সাহায্যে টাঙ্গাইল টহল পুলিশের কাছে ধর্ষণের ঘটনা জানান।
এরপর সদর থানা পুলিশের চারটি দল বিভক্ত হয়ে রাতভর শহরের বিভিন্নস্থানে ধর্ষণকারীদের ধরতে অভিযান চালায়।
এরপর ভোরের দিকে ধর্ষণে জড়িত থাকার অভিযোগে শহরের কোদালিয়া এলাকার আলমগীর হোসেনের ছেলে বখাটে ইউসুফ, আব্দুর রশিদের ছেলে রবিউল ইসলাম রবিন, ফজলু মিয়ার ছেলে মফিজ, দেওলা এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে জাহিদুল ইসলাম, বিশ্বাস বেতকা এলাকার বাদশা মিয়া ছেলে ইমন ও কোদালিয়া এলাকার রকিবুল ইসলামের ছেলে করটিয়া সা’দত কলেজের ছাত্র তানজিরুল ইসলাম তাছিনকে আটক করা হয়।
ঘটনায় জড়িত উজ্জল ও হাসান নামে অপর দুই দুর্বৃত্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান চলছে।
এদিকে, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক নারায়ণ চন্দ্র সাহা জানান, ভিকটিমের চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. জাকিয়া সাফিকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট বোর্ড গঠণ করা হয়েছে। গণধর্ষণের আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। রিপোর্ট আসলেই গণধর্ষণের বিষয়টি জানা যাবে। তবে আলামত থেকে এরইমধ্যে গণধর্ষণের বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে বলে জানান তিনি।
শনিবার দুপুরে ভিকটিমের স্বামী এ ঘটনায় আটক ছয়জন ও পলাতক উজ্জল ও হাসানসহ মোট আটজনকে আসামি করে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
বাদী বলেন, আমি আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করছি।
টাঙ্গাইল পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় জানান, ঘটনায় জড়িত প্রায় সবাইকে পুলিশ দ্রুততার সঙ্গে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। অপর আসামিদের দশদিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছে।
এদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একজন প্রকৌশলী বলেন, যারা একজন নারীকে তার স্বামীসহ আটক করে দফায় দফায় গণধর্ষণ করতে পারে তারা প্রভাশালীদের ছত্রচ্ছায়ায় থাকে। সেই জোরেই এমন ঘৃণ্য অপরাধ ঘটাতে পেরেছে গণধর্ষক চক্র। এদের শাস্তি দেয়া সহজ কাজ নয়। ফেনীর মাদ্রাসা ছাত্রী নিহত নুসরাত জাহান রাফির মামলার মতো সরকারের উচ্চমহল থেকে এই ঘটনাটিতেও হস্তক্ষেপ করা উচিৎ জরুরি ভিত্তিতে। দোষীদের কঠিন শাস্তি দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করা, এ ধরনের জঘন্য অপরাধ বাড়তেই থাকবে যা সমাজ ও রাষ্ট্রকে ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যাবে।
নিউজওয়ান২৪.কম/আরকে
ভোট না দিলে ‘অভিশাপ’ দেয়ার হুমকি বিজেপি প্রার্থীর
ভারতে লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে ভোট না দিলে ‘অভিশাপ’ দেয়ার হুমকি দিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী সাক্ষী মহারাজ। এই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার উত্তর প্রদেশের সোহরামউ থানা এলাকার শেষপুরে এক নির্বাচনী সমাবেশে ভাষণ দেয়ার সময় ভোটাররা ভোট না দিলে ‘অভিশাপ’ দেয়ার হুঁশিয়ারি দেন সাক্ষী মহারাজ। খবর পার্স ট্যুডে।
নগর ম্যাজিস্ট্রেট রাকেশ কুমার গুপ্তা বলেন, সাক্ষী মহারাজের মন্তব্য গুরুত্ব সহকারে নিয়ে তার বিরুদ্ধে সোহরামউ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বিজেপি সংসদ সদস্য ও দলীয় প্রার্থী সাক্ষী মহারাজ বলেন, আমি একজন সাধু। শাস্ত্রে লেখা আছে যে, কোনো সন্ন্যাসীর ইচ্ছাপূরণ না করলে, তিনি সব ভালো জিনিস নিয়ে চলে যান আর তার পরিবর্তে ‘পাপ’ দিয়ে যান। ফলে তাকে ভোট না দিলে উন্নাওয়ের ভোটারদের পাপিষ্ঠ হতে হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, আমি একজন সন্ন্যাসী, আপনারা আমাকে জেতালে আমি জিতব। তা না হলে মন্দিরে ভজন-কীর্তনে সময় কাটাব। কিন্তু আজ আমি এখানে এসেছি আপনাদের ভোট প্রার্থনা করতে। আমি আপনাদের দরজায় এসে ভোট ভিক্ষা করছি। কিন্তু সন্ন্যাসীকে আপনি ফিরিয়ে দিলে আপনার পরিবারের সুখ আমি ছিনিয়ে নেব এবং আপনাকে অভিশাপ দেবো।
সাক্ষী মহারাজের দাবি, তিনি যা বলেছেন তা শাস্ত্রে বলা হয়েছে। তিনি তার কথাকে ন্যায্য বলে অভিহিত করে বলেন, তিনি ধন-সম্পত্তি চাননি। লোকেদের কাছে ভোট চেয়েছেন মাত্র, যার ফলে দেশবাসীর ভাগ্য পরিবর্তন হবে।
সাক্ষী মহারাজের অভিশাপ দেয়ার হুমকি সম্বলিত মন্তব্য গণমাধ্যমে প্রকাশ্যে আসার পরেই প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ নড়েচড়ে বসেছে। তার বিরুদ্ধে নির্বাচনে অযৌক্তিক প্রভাব সৃষ্টির অভিযোগে ওই এলাকার থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
নিউজওয়ান২৪.কম/আরকে
- পলাতক সেনা কমান্ডো ক্যাপ্টেন উদ্ভাস গ্রেপ্তার
- এক নজরে খেলাধুলা: ৬ অক্টোবর, ২০১৮
- ধূর্ত খুনী ধরতে শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান!
- জাল ভিসা-পাসপোর্ট সহ ৮ নারী পাচারকারী আটক, উদ্ধার ৪
- হায়রে পিশাচ মা!
- ‘গুলশান সংকটের’ আরেক বলি হলেন ডিবির এসি রবিউল
- প্রতিশোধ নিতে ভাড়াটিয়া ও দারোয়ান হত্যা করে সেনাকর্মকর্তার মাকে!
- মোবাইল চুরি: লোহাগাড়ায় পিটিয়ে যুবক হত্যা, আটক ১৪
- ক্রিকেট খেলতে নিষেধ করায় শিক্ষককে কোপালো বখাটে
- নূর হোসেন লাপাতা
বাড়ি থেকে আটক ৩, গাড়ি জব্দ - কঠোর অবস্থানে সরকার
ডিএমপির অ্যান্টি-কিডন্যাপিং স্কোয়াড - নেত্রকোনার ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল
- বেকারদের সঙ্গে প্রতারণা: সেনা-পুলিশের প্রাক্তন ছয় সদস্য আটক
- লোভনীয় বিজ্ঞাপন ফাঁদে নষ্ট হচ্ছে বেকার-যুবকদের স্বপ্ন
- যেভাবে পাওয়া গেল উত্তরার খালে অস্ত্র-গুলির খোঁজ

ফ্রিতে আইটি প্রশিক্ষণ, কোর্স শেষে চাকরির সুযোগ
ফোনের চার্জ কখনো ফুরাবে না, যদি...
Not a UFO, but...
হজ ফরজ হওয়ার পর মাহরাম না থাকলে নারীদের করণীয়