ঢাকা, ০৪ আগস্ট, ২০২০
সর্বশেষ:
সেহরি ও ইফতারের সময় সূচি : ঢাকায় প্রথম রোজার সেহরির শেষ সময় রাত ৪টা ৫ মিনিটে আর ইফতার হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিটে। আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। অনলাইনে করোনা নিয়ে যোগাযোগ করতে আইইডিসিআরের ই-মেইল [email protected] এবং ফেসবুক পেজে (Iedcr,COVID19 Control Room) যোগাযোগ করা যাবে। জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

হাতহীন শিশুর কাণ্ডে অবাক বিশ্ব!

ফিচার ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩:০৯, ১৯ অক্টোবর ২০১৬   আপডেট: ১৪:৫৮, ২১ অক্টোবর ২০১৬

হাঁটি হাঁটি পা পা করা নামের ভ্যাসিলিনা নামের রাশিয়ান শিশুটির হাত ছিল না। ডানদিকের কাঁধের সঙ্গে যে হাতের মতো একটু অংশ আছে তা দিয়ে আসলে হাতের কাজ হয় না। এমন একটি শিশু নিজের খাবার মুখে তুলে খেতে শিখে গেছে। তবে হাতের বদলে তা সে করেছে পা দিয়ে।

এতটুকুন শিশুর পক্ষে যা করা বাস্তবে এক অতিমানবিক প্রচেষ্টার ফসল হিসেবেই বিবেচিত।

ফেসবুকে আপলোড করা এই ঘটনার ১৭ সেকেন্ডের ভিডিওক্লিপসটি গত এক সপ্তাহে দেখেছেন দুনিয়ার প্রায় সাত কোটি মানুষ। আর ভিডিওটি শেয়ার হয়েছে ১৩ লাখ বারের বেশি। সামজিক মাধ্যমে প্রশংসা আর অভিনন্দনের ফুলঝুরিতে ভেসে যাচ্ছে ভ্যাসিলিনা ও তার মা এলমিরা নুতজেন। হাতবিহীন শিশুটিকে নিজে নিজে খাবার খেতে প্রশিক্ষিত করে তোলার বিষয়টি সবাই দেখছে অনন্য সাধারণ কীর্তি হিসেবে।

ভ্যাসিলিনার মায়ের করা ভিডিওটিতে দেখা গেছে- প্রথম পর্যায়ে ডান পায়ের আঙ্গুলে কাঁটা চামচ ধরে শিশুটি টেবিলে রাখা বাটি থেকে আলুর টুকরা মুখে তুলতে চাচ্ছে। কিন্তু তাতে সে সফল হয় না। এর পরের চেষ্টায় সে অন্য পায়ের সাহায্যে চামচটির অবস্থান ঘুরিয়ে নেয়। এরপর সেই আগের পা দিয়েই চামচটি মুখের কাছে নিয়ে যায় এবং এসময় সে নিজের মাথাটিকেও এগিয়ে আনে চামচটির দিকে। এবার সে খুব সুন্দরভাবেই খাবারটি মুখে নিতে পারে।

মোবাইল ফোনে তোলা ভিডিও সঙ্গে দৃশ্য দৃশ্যের ধারণকারী ভ্যাসিলিনার মা এলমিরা নুতজেনের সন্তুষ্টিভরা হাসির শব্দও শোনা যায়। এই হাসি অনেক প্রাপ্তির হাসি। কারণ, এ ঘটনা তার জন্য, একজন হাতহীন শিশুর মায়ের জন্য খুবই স্বস্তিকর- তিনি এখন নিশ্চিত যে তার্ প্রতিবন্ধী শিশুটি ভবিষ্যত জীবনে নিজের খাবারটা অন্তত নিজে মুখে তুলে খেতে পারবে।

ভিডিওটি দেখে প্রশংসাকারীদের একজনের মন্তব্য ছিল এরকম- প্রয়োজন আর প্রতিজ্ঞার সম্মিলন! অতুলনীয় কাজ।

আরেকজন মন্তব্য করেন, জীবনের নানান অপ্রাপ্তি নিয়ে অভিযোগ করতাম। (ভিডিওটি দেখার পর থেকে) এখন আর করি না। ইয়াহু নিউজ, ্ ডেইলি মেইল, ইউটিউব

নিউজওয়ান২৪.কম/একে