ঢাকা, ০৩ জুলাই, ২০২০
সর্বশেষ:
সেহরি ও ইফতারের সময় সূচি : ঢাকায় প্রথম রোজার সেহরির শেষ সময় রাত ৪টা ৫ মিনিটে আর ইফতার হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিটে। আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। অনলাইনে করোনা নিয়ে যোগাযোগ করতে আইইডিসিআরের ই-মেইল [email protected] এবং ফেসবুক পেজে (Iedcr,COVID19 Control Room) যোগাযোগ করা যাবে। জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

ম্যানচেস্টার লাইব্রেরিতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের অনুষ্ঠান

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:১৯, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

প্রথমবারের মতো অমর একুশেআন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনের আয়োজন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাট অঙ্গরাজ্যের ম্যানচেস্টার পাবলিক লাইব্রেরি।

শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি)  ম্যানচেস্টার পাবলিক লাইব্রেরির হলরুমে দুপুর ২টা থেকে বিকেল পর্যন্ত চলবে এ অনুষ্ঠান।

কানেকটিকাটের প্রবাসী বাংলাদেশিদের ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বার্তা সংস্থা বাংলা প্রেস এ খবর জানিয়েছে।

কানেকটিকাটের লেখক, সাহিত্যিক, কবি, শিল্পী ও সাংস্কৃতিপ্রেমীরা বিভিন্নভাবে বিদেশি বন্ধুদের সামনে বাংলাদেশের শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরবেন বলে জানিয়েছেন ম্যানচেস্টার অ্যাডাল্ট অ্যান্ড কন্টিনিউয়িং এডুকেশনে কর্মরত বাংলাদেশি কর্মি সানজিদা নীরা।

ম্যানচেস্টার অ্যাডাল্ট অ্যান্ড কন্টিনিউয়িং এডুকেশন, ম্যানচেস্টার পাবলিক লাইব্রেরি, স্কুল রিডিনেস কাউন্সিল এবং ম্যানচেস্টারের প্রবাসী বাংলাদেশিদের সার্বিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠানে থাকবে অমর একুশের পটভূমিতে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির প্রভাব এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য বিশ্লেষণ।

আলোচনায় অংশ নেবেন স্থানীয় কবি, লেখক, সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিসেবীরা। এছাড়া অনুষ্ঠানে দেশাত্ববোধক ও মাতৃভাষা নিয়ে শিশু কিশোরদের পরিবেশনা ও বড়দের গান থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের অংম হিসেবে।

বাংলাদেশের শহীদ দিবস (২১ শে ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবেও সুপরিচিত। বাঙালি জনগণের ভাষা আন্দোলনের মর্মন্তুদ ও গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতিবিজড়িত একটি দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। ১৯৫২ সালের এই দিনে (৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮) বাংলাকে পূর্ব পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর পুলিশের গুলিবর্ষণে কয়েকজন তরুণ শহীদ হন। তাদের মধ্যে অন্যতম হলো রফিক, জব্বার, শফিউল, সালাম, বরকতসহ অনেকেই। তাই এ দিনটি শহীদ দিবস হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। ২০১০ খ্রিষ্টাব্দে জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়।

১৯৯৮ সালে কানাডার ভ্যাঙ্কুভার শহরে বসবাসরত দুই বাঙালি রফিকুল ইসলাম এবং আব্দুস সালাম প্রাথমিক উদ্যোক্তা হিসেবে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার আবেদন জানিয়েছিলেন জাতিসংঘের মহাসচিব কফি আনানের কাছে। ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর প্যারিস অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে দিবসটি জাতিসংঘের সদস্যদেশসমূহে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হচ্ছে।

২০১০ সালের ২১ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে এখন থেকে প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করবে জাতিসংঘ। এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে পাস হয়েছে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের প্রস্তাবটি সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে উত্থাপন করে বাংলাদেশ। মে মাসে ১১৩ সদস্যবিশিষ্ট জাতিসংঘের তথ্যবিষয়ক কমিটিতে প্রস্তাবটি সর্বসম্মতভাবে পাস হয়।

নিউজওয়ান২৪.কম/এমজেড

আরও পড়ুন
প্রবাসী দুনিয়া বিভাগের সর্বাধিক পঠিত