ঢাকা, ১৮ জুলাই, ২০২৪
সর্বশেষ:

বিদিশা ও এরিকের ওপর হামলার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৯:৪২, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪  

সংবাদ সম্মেলনে এরিক। সংগৃহীত ছবি

সংবাদ সম্মেলনে এরিক। সংগৃহীত ছবি


জাতীয় পার্টির প্রয়াত চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ছেলে এরিক এরশাদ ও তার মা বিদিশার ওপর রংপুরে হামলার অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রংপুর পল্লীনিবাসে এক সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন এরিক এরশাদ।

এরিক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সকালে আমি ও মা বিদিশা ঢাকা থেকে রংপুর নগরীর পল্লীনিবাসে আসি। বাবার কবর জিয়ারত শেষে রংপুরের মিঠাপুকুরের পদাগঞ্জের পল্লীবন্ধু কোল্ড স্টোরেজে যাই। সেখানে বারী মুন্সি, মুকুল ও তার ছেলেসহ অপরিচিত লোকজন আমাদের দুজনকে ধাক্কা দিয়ে হিমাগার থেকে বের করে দেয়। এ সময় গালাগালও করা হয়। একপর্যায়ে তারা মারমুখী হলে পুলিশে খবর দেই। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি শান্ত করে। আমরা পল্লীনিবাসে ফিরে আসি। আমি থানায় অভিযোগ দিয়েছি। আপনাদের মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে আমি ন্যায়বিচার চাই।

এরিক আরো বলেন, আমার ভরণপোষণের জন্য বাবা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ট্রাস্ট গঠন করলেও আমি আমার প্রাপ্য অর্থ পাচ্ছি না। আমার কোল্ড স্টোরেজ লুটেপুটে খাচ্ছে বারী মুন্সি ও মুকুলের ছেলেরা।

সংবাদ সম্মেলন এরশাদপুত্র বলেন, আমার বাবা আমার ভরণপোষণের জন্য বেশকিছু সম্পদ হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ট্রাস্টের নামে করে যান। সেই সম্পদগুলো ভোগ করব আমি। এর মধ্যে রংপুরের মিঠাপুকুরের পদাগঞ্জের পল্লীবন্ধু কোল্ড স্টোরেজও রয়েছে। তবে এ হিমাগারের শতকরা ৩০ ভাগ শেয়ার দেওয়া হয় বাবার চাচাতো ভাই সামছুজ্জামান মুকুলের নামে। বাবার মৃত্যুর পর ট্রাস্টের আওতাধীন হিমাগারটি পরিচালিত হলেও আমি এর লভ্যাংশ থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছি। ট্রাস্টের কমিটির মেয়াদোত্তীর্ণ হলেও জবরদখলের মাধ্যমে পল্লীবন্ধু হিমাগারটি কুক্ষিগত করে রেখেছেন মুকুল ও স্থানীয় প্রভাবশালী বারী মুন্সি।

সংবাদ সম্মেলনে বিদিশা এরশাদ বলেন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ট্রাস্টের যে কমিটি ছিল তার মেয়াদোত্তীর্ণ হলেও তারা এরিকের সম্পত্তি হস্তান্তর করছে না। এরিক একজন রাষ্ট্রপতির সন্তান। তার বাবা বেঁচে থাকাকালীন সে বিলাসবহুল জীবনযাপন করেছে। বর্তমানে ট্রাস্টের সম্পত্তির টাকা না পাওয়ায় সে আর্থিক সংকটে ভুগছে। তার স্বাভাবিক জীবনযাপন নেই। হিমাগারে গেলে ধাক্কাধাক্কি, গালাগাল করাসহ আমার শ্লীলতাহানি করা হয়েছে। আমি প্রশাসনের কাছে এর ন্যায়বিচার চাই।

মিঠাপুকুর থানা ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, মারধরের বিষয়ে এরিক এরশাদ থানায় কোনো অভিযোগ দেয়নি। হিমাগার যারা পরিচালনা করছেন তাদের পক্ষ থেকে একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন