ঢাকা, ১৩ আগস্ট, ২০২০
সর্বশেষ:
সেহরি ও ইফতারের সময় সূচি : ঢাকায় প্রথম রোজার সেহরির শেষ সময় রাত ৪টা ৫ মিনিটে আর ইফতার হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিটে। আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। অনলাইনে করোনা নিয়ে যোগাযোগ করতে আইইডিসিআরের ই-মেইল [email protected] এবং ফেসবুক পেজে (Iedcr,COVID19 Control Room) যোগাযোগ করা যাবে। জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

বাঙালি প্রেমিকের টানে চুয়াডাঙ্গায় মধ্যবয়সী মার্কিন নারী!

চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা

প্রকাশিত: ১৮:৩৪, ২০ এপ্রিল ২০১৯  

ফয়সাল ও ডংসন লং ওরেফে মরিয়ম (হলফনামায় সংযুক্ত ছবি)

ফয়সাল ও ডংসন লং ওরেফে মরিয়ম (হলফনামায় সংযুক্ত ছবি)

বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার বনানীপাড়ার সোনালী ব্যাংক কর্মচারী শাহাবুল হোসেনের ছেলে ফয়সাল আহমেদ। ২৭ বছরের এই যুবকের প্রেমে পড়ে সুদূর আমেরিকা থেকে বাংলাদেশে ছুটে এসেছেন ৫২ বছর বয়সী মার্কিন নারী ডংসন লং। শুধু এসেই ক্ষান্ত হননি লং, তিনি মুসলমান হয়ে বিয়েও করে ফেলেছেন ফয়সালকে। আর বিয়ের পর অনেকটাই আত্মগোপনে রয়েছেন অসম বয়সী এই প্রেমিক যুগল। এর অন্যতম কারণ সম্ভবত ফয়সাল বিবাহিত এবং সন্তানের জনক।

ঘটনার সত্যতা নিরূপণ করে চুয়াডাঙ্গা জেলা জজ আদালতের নোটারি পাবলিক অ্যাডভোকেট এসএনএ হাশেমী বলেন, মধ্যবয়সী এক মার্কিন নারীর সঙ্গে ফয়সাল নামে এক যুবকের বিয়ে হয়েছে। তারা নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে বিয়ে করেছেন।

স্থানীয়রা জানান, ফেসবুকে তাদের পরিচয় হয় যা ক্রমশ গড়ায় বন্ধুত্বে এবং এরপর প্রেমের বাঁধনে। বাংলাদেশি যুবক ফয়সালের দ্বিতয়ি স্ত্রী ডংসন লংয়ের এখনকার নাম মরিয়ম খাতুন।

তবে মরিয়ম খাতুন ও ফয়সালের খোঁজে শনিবার বিকেলে তাদের বাড়িতে গিয়ে হতাশ হতে হয়েছে। কারণ, নব দম্পতি সেখানে নেই। প্রতিবেশী ও পরিবারের সদস্যরা জানান, ফয়সালের স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। তাই কাউকে কিছু না জানিয়ে সদ্য বিয়ে করা মধ্যবয়সী মার্কিন বউকে বিয়ে করে ঝামেলা এড়াতে পালিয়ে গেছেন তিনি।

চুয়াডাঙ্গা জজ আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ এপ্রিল চৈত্রের শেষদিনে প্রেমিক ফয়সালকে নিয়ে চুয়াডাঙ্গা জজ কোর্টে হাজির হন মার্কিন ওই নারী। এরপর নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে মুসলমান হয়ে নাম পরিবর্তন করেন এবং নয়া নাম (মরিয়ম খাতুন) ধারণ করে ১০ হাজার টাকা দেনমোহরে ফয়সালকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর উধাও হয়ে যান তারা। 

প্রায় দ্বিগুণ বয়সের স্ত্রীকে নিয়ে ফয়সাল এখন কোথায় আছেন জানেন না কেউ।এ বিষয়ে কোনো কিছু বলতে রাজি হননি ফয়সালের বাবা শাহাবুল হোসেন। ফয়সালের সেলফোন নম্বরে একাধিকবার কল দিলেও তা গ্রহণ করেননি তিনি।

স্থানীয়রা জানান, ফয়সালের স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। তবে পরিবারের লোকজন বিষয়টি জানলেও কাউকে কিছু বলছেন না। তারা বিষয়টি গোপন রাখতে চাইছেন। কেউ কেউ মনে করছেন, ফয়সাল হয়তো আমেরিকা যাওয়ার জন্য ওই মধ্যবয়সী নারীকে বিয়ে করেছেন। 

শুধু আদালতে এফিডেভিট নয়, কাজীর মাধ্যমে ধর্মীয় মতেও বিয়ে সম্পন্ন করেছেন তারা। ১নং আলোকদিয়া ইউনিয়নের নিকাহ রেজিষ্ট্রার কাজী হাশেম আলী বলেন, গত ১৩ এপ্রিল শনিবার এক বিদেশি নারীর সঙ্গে ফয়সাল নামে এক যুবকের বিয়ে হয়েছে। ১০ হাজার টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ে দিয়েছি আমি।

নিউজওয়ান২৪.কম/আরকে