ঢাকা, ১৫ আগস্ট, ২০২০
সর্বশেষ:
সেহরি ও ইফতারের সময় সূচি : ঢাকায় প্রথম রোজার সেহরির শেষ সময় রাত ৪টা ৫ মিনিটে আর ইফতার হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিটে। আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। অনলাইনে করোনা নিয়ে যোগাযোগ করতে আইইডিসিআরের ই-মেইল [email protected] এবং ফেসবুক পেজে (Iedcr,COVID19 Control Room) যোগাযোগ করা যাবে। জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর ফ্রান্সের তিনটি ঈদ জামাত

ফ্রান্স থেকে আবু তাহির 

প্রকাশিত: ১২:২৫, ১৩ আগস্ট ২০১৯  

বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা আর যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদার  মধ্য দিয়ে ফ্রান্সে পালিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল আজহা। বাংলাদেশিদের পরিচালিত তিনটি মসজিদ ও একটি মিলনায়তনে একাধিক জামাত অনুষ্ঠিত হয় এবারেরৈঈদে। সবগুলো জামাতেই ছিল মুসল্লিদের উপচে পড়া ভিড়। এ সব জামাতে বাংলাদেশি ছাড়াও অন্যান্য মুসলিম কমিউনিটির মুসল্লিদের উপস্থিতিও ছিল লক্ষণীয়। ঈদ এবার সাপ্তাহিক  ছুটির দিন রবিবারে হওয়াতে ঈদের নামাজেবাংলাদেশিদের উপস্থিতি ছিল তুলনামূলক বেশি।

দেশটির তিনটি পৃথক স্থানে বাংলাদেশি ব্যবস্থাপনায় ঈদের জামাতগুলো অনুষ্ঠিত হয়। এগুলো হচ্ছে, বাংলাদেশি কমিউনিটি মসজিদ ওভারবিলা, ইসলামিক সেন্টার ও মেট্রো হুশ জিমনেশিয়াম।এর মধ্যে মেট্রো হুশ জিমনেসিয়ামে বাংলাদেশিদের বৃহৎ ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় সিটি কর্পোরেশনের নেতারা এসব এখানে বাংলাদেশিদের শুভেচ্ছা জানান।

ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের মেট্রোহোশে জিমনেশিয়ামে সবচেয়ে বড় ঈদের নামাজের পর মুসল্লিদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন ফ্রান্সে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত কাজী ইমতিয়াজ হোসেইন। তিনি ফ্রান্স প্রবাসী বাংলাদেশিদের সমৃদ্ধি কামনা করেন এবং শুভেচ্ছা জানান তাদের।

ঈদের নামাজের পরে প্রচলিত প্রথা অনুযায়ী বাংলাদেশিসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের মুসল্লিরা কোলাকুলি করে পরষ।পরকে শুভেচ্ছা জানান, আশীর্বাদ করেন। এবার মসজিদগুলোয় শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত এমনকি বাংলাদেশি নারীদের অংশগ্রহণ ছিল লক্ষণীয়।

আবহমান বাংলার ঐতিহ্যবাহী পায়জামা-পাঞ্জাবিতে বাংলাদেশি পুরুষরা মসজিদে আসেন। নামাজ শেষে বাংলাদেশিরা একে অপরের বাড়িতে ঘুরে বেরিয়ে ঈদ আনন্দ উপভোগ করছেন। তবে দেশে আপনজনদেরকে রেখে ঈদের আমেজ তেমন পূর্ণ হয়নি বলেও কষ্টমাখা কণ্ঠে জানান অনেকে।
প্রতিটি ঈদের জামাতেই বাংলাদেশে শান্তি সমৃদ্ধি ও বিশেষ করে কাশ্মিরের মুসলামনদের ওপর নির্যাতন বন্ধের আহবান ছিল সকলের মুখে।
নিউজওয়ান২৪.কম/এসএম

আরও পড়ুন
প্রবাসী দুনিয়া বিভাগের সর্বাধিক পঠিত