ঢাকা, ১৩ আগস্ট, ২০২০
সর্বশেষ:
সেহরি ও ইফতারের সময় সূচি : ঢাকায় প্রথম রোজার সেহরির শেষ সময় রাত ৪টা ৫ মিনিটে আর ইফতার হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিটে। আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। অনলাইনে করোনা নিয়ে যোগাযোগ করতে আইইডিসিআরের ই-মেইল [email protected] এবং ফেসবুক পেজে (Iedcr,COVID19 Control Room) যোগাযোগ করা যাবে। জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

প্রাচীন যুগে রাজাদের আকর্ষিত করতে রাণীরা যা করতেন

সাতরং ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪:৫৮, ২৩ আগস্ট ২০১৯  

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

নারীর সৌন্দর্যের প্রতি সব পুরুষই আকর্ষিত হয়। আর এর জন্য নারীদেরও সৌন্দর্য বাড়াতে চেষ্টার কোনো কমতি  থাকে না। 

এখনকার নারীদের মতোন প্রাচীন যুগেও রাণীরা নিজেদেরকে রাজাদের কাছে আকর্ষিত করতে নানা পদ্ধতি অবলম্বন করতো। তবে সেগুলো এই যুগের মতো এমন সহজলভ্য প্রসাধনী ছিল না। এর জন্য তাদের করতে হত অনেক কষ্ট।

আরো পড়ুন>>> ধর্ষণে কঠোর শাস্তির দেশগুলো

মধ্যযুগীয় সময়ে রাণীরা অত্যন্ত সুন্দরী এবং তাদের শরীর সুগঠিত ছিল। তাদের বয়স বাড়া সত্ত্বেও তাদের যৌবন কম হতো না। তাদের অভাবনীয় সুন্দর ত্বক আর মোটা চুল ছিল। তারা সব প্রাকৃতিক জিনিস ব্যবহার করত যা ছিল সব সমস্যার উত্তর। এই কারণে রাণীদের পুরু দীর্ঘ চুল ছিল, ছিল সুন্দর শরীর ও ত্বক।

রাজারা রাণীদের সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হতেন! তাদের সৌন্দর্য সম্পর্কে কথা বলা হলে বলা হয় যে, চিতোরগড়ের রাণী পদ্মাবতি এত সুন্দরী ছিলেন যে, একজন মুসলিম শাসক আলাউদ্দিন খিলজি চিতোড়গড়কে আক্রমণ করেছিলেন শুধু তাকে পাওয়ার জন্য।

তাদের সৌন্দর্যের রহস্য:
ধারণা করা হয় যে রাণীর সুশৃঙ্খল শারীরিক গঠন এবং সুন্দর রূপ রাজাদের আকর্ষণ করত। আর তাই যত্ন নেয়ার জন্য রাণীরা বৈদিক শাস্ত্র প্রদত্ত ঔষধ গ্রহণ করতেন। শরীর সুগঠিত রাখার জন্য রাজ বৈদ্যরা রাণীদের এই ওষুধগুলো ব্যবহার করতে বলতেন যাতে তাদের যৌবন বজায় থাকে।  

গোলাপ জল দিয়ে গোসল:
রাণীরা গোসলের পানিতে গোলাপের পাপড়ি ব্যবহার করতেন, যা তাদের চামড়ার ওপর প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা আনতে সাহায্য করত, যখনই রাজা একজন রাণীকে স্পর্শ করতেন তখন তার মনে হত যে, কোনো ভেলভেট’র মতন নরম কিছু স্পর্শ করছেন। আর এটাই রাজাদের পাগল করে তুলত।

মদ দিয়ে তৈরি ফেস প্যাক:
মদের মধ্যে দুধ, ডিমের সাদা অংশ এবং লেবুর রস মেশানো প্যাক ব্যবহার হত মৃত চামড়া এবং কঠোরতা অপসারণের জন্য, যা চামরা নরম করে।

এভোক্যাডো মাস্ক:
শরীরের দাগ সারাবার জন্য এবং মুখ থেকে কলুষতা সরানোর জন্য এভোক্যাডো ফেসপ্যাক ব্যবহার করা হতো। এছাড়াও, এভোক্যাডো বাঁকানো শরীর পেতে সাহায্য করতো।

আখরোটে বয়সের ছাপ দূর করা:
রাণীরা দৈনিক আখরোট এবং গাজর ব্যবহার করত তাদের শারীরিক অঙ্গগুলো ভালো রাখার জন্য, বিশেষ করে এটি শরীরকে সুস্থ ও বক্র শরীর গঠনে সাহায্য করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য ওয়েবসাইট অনুযায়ী- তাই তখন কেউ তাদের বয়স নির্ধারণ করতে পারত না।

লম্বা মোটা চুল:
সুন্দর এবং স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুল সবসময় সৌন্দর্যের আসল প্রতীক। প্রাচীনকালে রাণীরা তাদের চুলের যত্ন নিতে মধু এবং জলপাই তেল ব্যবহার করতেন।

গোলাপের সুবাস:
রাণীরা তাদের ত্বকের শুষ্কতা অপসারণের জন্য গোলাপের সুগন্ধি ব্যবহার করতো। এটা নিশ্চিত যে, এর জন্য তারা সারা দিন স্বর্গীয় গন্ধ উপভোগ করতো।

গোসলের জন্য গাধার দুধ:
সেই সময়ে রাণীরা মধু এবং জলপাই তেল গাধার দুধের সঙ্গে  মিশ্রিত করতেন। দুধে এন্টি-ফিডিং প্রোডাকশন থাকে যার ফলে বার্ধক্য বৃদ্ধির কারণ হ্রাস পায়।

নিউজওয়ান২৪.কম/রাজ