ঢাকা, ২৮ মে, ২০২০
সর্বশেষ:
সেহরি ও ইফতারের সময় সূচি : ঢাকায় প্রথম রোজার সেহরির শেষ সময় রাত ৪টা ৫ মিনিটে আর ইফতার হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিটে। আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। অনলাইনে করোনা নিয়ে যোগাযোগ করতে আইইডিসিআরের ই-মেইল [email protected] এবং ফেসবুক পেজে (Iedcr,COVID19 Control Room) যোগাযোগ করা যাবে। জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

‘জিয়া মুক্তিযোদ্ধা ঠিকই, কিন্তু জাতির জনকের খুনি’

দুলাল ঘোষ

প্রকাশিত: ১৭:০৬, ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা ঠিকই। তবে তিনি বাংলাদেশের জাতির জনক ও সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনি। মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে খালেদা জিয়া কলংকিত ও ভূলন্ঠিত করেছেন। খালেদা জিয়া মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করার জন্যও চেষ্টা করেছেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক আজ শুক্রবার দুপুরে আখাউড়া স্থলবন্দরে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। 

তিনি বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার ৫০ বছর উপলক্ষে আয়োজিত আগরতলায় এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সেখানে গেছেন। ত্রিপুরা রাজ্য সরকার এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। বাংলাদেশ সীমান্ত পার হয়ে ভারতে যাওয়ার আগে আখাউড়া স্থলবন্দরে মন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকার, আখাউড়া মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কাশেম ভূইয়া, উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাহমিনা আক্তার রেইনা, সহকারী কমিশনার ভূমি এ কে এম শরিফুল হক, আখাউড়া আওয়ামী লীগ আহ্বায়ক অধ্যক্ষ জয়নাল আবেদীন ও আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কমান্ড। 

মন্ত্রী সীমানা পার করে আগরতলায় পৌঁছালে সীমান্তের জিরোপয়েন্টে তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান বাংলাদেশ হাইকমিশন দিল্লীর ডেপুটি হাইকমিশনার রকিবুল হক, আগরতলা উপহাইকমিশনের উপহাইকমিশনার কিরিট চাকমা, ১২০ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক রত্মেশ্বর, আগরতলা বন্দর ম্যানেজার দেবাশীষ নন্দী, ত্রিপুরা তথ্য ও সাংস্কৃতিক দপ্তরের কর্তারা। 

মন্ত্রী এসময় বলেন, আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে ত্রিপুরার অবদান চিরস্মরণীয়। এই অবদান বলে শেষ করা যাবে না। একাত্তর সালে আমাদের শরনার্থীদের আশ্রয়, খাবার, চিকিৎসাসহ যে সহমর্তিতা দেখিয়েছে ত্রিপুরার মানুষ, সেসময়ের ত্রিপুরা রাজ্য সরকার- তা অবিস্মরণীয়। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ৫০ বছর পূর্তি উৎসব হবে ২০২১ সালের ২৬ মার্চ। মুক্তিযুদ্ধের অকৃত্তিম বন্ধু ও সহায়তাকারী ত্রিপুরার মানুষকে কৃতজ্ঞতা জানাতে যাচ্ছি। 

এর আগে বুধবার মুক্তিযুদ্ধ একাডেমি ট্রাস্টের পক্ষে মুক্তিযোদ্ধসহ ৩৫ জন ত্রিপুরায় গেছেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় ত্রিপুরায় যে চারটি সেক্টর ছিল সেই সেক্টরগুলোতে প্রশিক্ষণ নেওয়া মুক্তিযোদ্ধারা আছেন এই দলে। এই যোদ্ধারা ত্রিপুরার যেসব স্থানে একাত্তরের সেই দিনগুলোতে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন সেই স্থানগুলো ঘুরে দেখবেন। ত্রিপুরার যেসব স্থানে মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় স্মৃতিচিহ্ন রয়েছে সেই স্থানগুলোতেও যাবেন। একই সঙ্গে ত্রিপুরার নাগরিকদের কৃতজ্ঞতা জানাবেন।
নিউজওয়ান২৪.কম/আরকে

আরও পড়ুন