ঢাকা, ১০ এপ্রিল, ২০২০
সর্বশেষ:
আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। অনলাইনে করোনা নিয়ে যোগাযোগ করতে আইইডিসিআরের ই-মেইল [email protected] এবং ফেসবুক পেজে (Iedcr,COVID19 Control Room) যোগাযোগ করা যাবে। জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

ছয় বলেই কেন এক ওভার?

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:১০, ৮ অক্টোবর ২০১৮  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ক্রিকেটে প্রতি ওভারে ছয়টি বল করা হয়। কিন্তু আমরা কখনো ভেবে দেখেছি কেনই বা ছয় বল করা হয়? এর কম বা বেশি বল করা হয় না কেন? অতীত ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, ক্রিকেটের শুরুর দিকে এক ওভারে করা হতো চার বল। এরপর ধীরে ধীরে পরিবর্তন হয়ে পাঁচ, ছয় এমনকি আট বলেরও ওভারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

বিশ্লেষকদের ধারনা, বর্তমান সময়ের মতো বল তেমন উন্নত না থাকায় চার বলে ওভার ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যেন এক বল দিয়েই সারাদিন ম্যাচ খেলা যায়। তবে তখনকার ক্রিকেট বিশ্লেষকরা ৫ বলের ওভারকে স্ট্যান্ডার্ড মনে করতেন। তাই ধীরে ধীরে বলের গুণগত মান বাড়িয়ে তোলার দিকে নজর দেওয়া হয় এবং ৫বলের ওভার করতে চেষ্টা করা হয়।

১৮৮৯ সালের আগে সব ম্যাচেই ওভার হয়েছে ৪ বলে। ১৯০০ সালের দিকে ছয় বলে ওভারের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল । প্রথম শ্রেণির অনেকম্যাচেই ৬ বলে ওভার শুরু হয়। কিন্তু তখনো আন্তর্জাতিক ভাবে ৬ বলে ১ ওভারের সিদ্ধান্তটা নেওয়া হয়নি।

এর কিছুদিন পরেই ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি প্রতিষ্ঠিত হয়। তারা দীর্ঘদিন এ বিষয়ে কোন সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করতে পারেনি। এর পেছনে প্রধান কারণ সেই সময় একেক অঞ্চলে একেক নিয়মে ক্রিকেট খেলা হতো। আর এক দেশ যখন আরেক দেশের বিপক্ষে খেলতো তখন স্বাগতিক দেশের নিয়ম অনুসারে খেলা হতো। 

১৯২২-২৩ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়া ৮ বলে ওভার হিসেবে খেলা শুরু করে। এর দুই মৌসুম পরে নিউজিল্যান্ডও ৮ বলে ওভার শুরু করে। তবে বিশ্বযুদ্ধের পর আবার ছয় বলেই ওভার প্রচলিত হতে শুরু করে। তবে ৮০ এর দশকে ছয় বলে ওভার গণনার নিয়মে অস্ট্রেলিয়া পুরোপুরিভাবে ফিরে আসে।

টেস্ট ক্রিকেটের আরেক প্রবীণ সদস্য দক্ষিণ আফ্রিকায় ১৯৩৮-৩৯ এবং ১৯৫৭-৫৮, এই দুই মৌসুমে ৮ বলে ওভার গণ্য করা হত। মাঝখানে ২০টি বছর বর্ণবাদ সমস্যায় ক্রিকেট থেকে তারা বিচ্ছিন্ন ছিল।

ভারত ১৯১৪-১৯৩৯ সাল পর্যন্ত ছয় বলে ওভার হিসেবেই খেলতে থাকে। ১৯৩৯ থেকে বিশ্বযুদ্ধের আগে ৮ বলে এক ওভার হিসেবেই খেলে। পাকিস্তানি ক্রিকেটে আশির দশকে ৮ বলে এক ওভার করে খেলার প্রচলন ঘটে। ১৯৭৪-৭৫ এবং ১৯৭৬-৭৭মৌসুমে আটবলের ওভার গণনা করে তারা

১৯৭৯ এর পর কোন দেশের কোন ম্যাচেই আর আটবলে ওভার গণনা করতে দেখা যায়নি

বিশ্লেষকদের মতে ছয় বলে ওভার ক্রিকেটের জন্য আদর্শ। কারণ ছয় বলে একজন বোলার নিজের সামর্থ্যের সর্বোচ্চটা দিতে পারেন। ব্যাটসম্যানের মনোসংযোগ ধরে রাখতেও সাহায্য করে ওভারে ৬ বল।

নিউজওয়ান২৪/এমএস