ঢাকা, ২৮ মে, ২০২০
সর্বশেষ:
সেহরি ও ইফতারের সময় সূচি : ঢাকায় প্রথম রোজার সেহরির শেষ সময় রাত ৪টা ৫ মিনিটে আর ইফতার হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিটে। আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। অনলাইনে করোনা নিয়ে যোগাযোগ করতে আইইডিসিআরের ই-মেইল [email protected] এবং ফেসবুক পেজে (Iedcr,COVID19 Control Room) যোগাযোগ করা যাবে। জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

কোরআন পড়ি প্রতিদিন (পর্ব-১) 

ধর্ম ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২:১৩, ১৫ মে ২০২০  

যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তায়ালার যিনি সব সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা। (সূরা : আল ফাতিহা)

যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তায়ালার যিনি সব সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা। (সূরা : আল ফাতিহা)


পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে বিরাট সওয়াব অর্জন করার সুযোগ রয়েছে। এর সঙ্গে অনেক উপকারিতাও রয়েছে। বিশ্বনবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোরআনের একটি হরফ পাঠ করে, তাকে একটি নেকি প্রদান করা হয়। প্রতিটি নেকি দশটি নেকির সমান। আমি বলি না যে, আলিফ-লাম-মীম একটি হরফ। বরং আলিফ একটি হরফ, লাম একটি হরফ, মীম একটি হরফ।’ (সুনান আত-তিরমিযী: ২৯১০)।

পবিত্র কোরআনের ১০টি আয়াত নিয়ে ধারাবাহিকভবে আমাদের কোরআন শিক্ষার এই আলোচনা চলবে। ইনশাআল্লাহ!

প্রতিদিন ১০ আয়াত। মাসে ৩০০। বছরে ৩৬০০। এভাবে  ২ বছরে ৭২০০ আয়াত। পবিত্র কোরআনে আয়াত আছে ৬৬৬৬ আয়াত। অর্থাৎ প্রতিদিন ১০ আয়াত করে পড়লে কোরআন অর্থসহ পড়তে ২ বছরও কম সময় লাগবে। 

আপনি কি নিজেকে বদলাতে চান?  জীবনকে অর্থবহ করে তুলতে চান? আপনি কি মরেও অমর হয়ে থাকতে চান?  সর্বোপরি দুনিয়া এবং আখিরাতে আপনি যদি সফল হতে চান তাহলে আজ থেকেই যুক্ত হোন আমাদের কোরআন শিক্ষার এই আসরে। 

শুরুতে ১০ আয়াত দেয়া যায়নি। কারণ পবিত্র কোরআনের প্রথম সূরা ফাতিহা দশ আয়াতের নয়।  

তো শুরু করা যাক। হে প্রতিপালক, আমাদের কবুল করুন। আমিন।

بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ

শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
In the name of Allah, Most Gracious, Most Merciful.

(1)
الْحَمْدُ للّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তায়ালার যিনি সব সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।
Praise be to Allah, the Cherisher and Sustainer of the worlds;

(2)
الرَّحْمـنِ الرَّحِيمِ
যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।
Most Gracious, Most Merciful;

(3)
مَـالِكِ يَوْمِ الدِّينِ
যিনি বিচার দিনের মালিক।
Master of the Day of Judgment.

(4)
إِيَّاكَ نَعْبُدُ وإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ
আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।
Thee do we worship, and Thine aid we seek.

(5)
اهدِنَــــا الصِّرَاطَ المُستَقِيمَ
আমাদেরকে সরল পথ দেখাও,
Show us the straight way,

(6)
صِرَاطَ الَّذِينَ أَنعَمتَ عَلَيهِمْ غَيرِ المَغضُوبِ عَلَيهِمْ وَلاَ الضَّالِّينَ
সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাজিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।
The way of those on whom Thou hast bestowed Thy Grace, those whose (portion) is not wrath, and who go not astray.

আজকে যা শিখলাম-

১. প্রতিটি কাজ মহান রবের নামে শুরু করা।
২. যাবতীয় প্রশংসার প্রাপ্য একমাত্র আল্লাহ।
৩. তিনি দয়ালু, মেহেরবান।
৪. বিচার দিবস অর্থাৎ হাশরের মাঠে সেই কঠিন দিবসের একমাত্র বিচারক, মালিক। 
৫. আমরা একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করবো এবং সাহায্য চাইবো শুধুমাত্র আমাদের মহান প্রতিপালকের কাছে, অন্য কারো কাছে অবশ্যই নয়।
৬. আমাদেরকে সঠিক পথ দেখানোর জন্য বিশ্মব্রহ্মান্ডের মালিকের কাছে সাহায্য চাইতে হবে।
৭. সে-ই পথ, যে পথে চলে যারা সফলকাম হয়েছে। সেই পথ নয়, যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।

হে রব! আমাদের অতীতের গুনাহগুলো ক্ষমা করুন, আমাদের দয়া করুন। আপনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। ভবিষ্যতে সব ধরণের গুনাহ থেকে আমাদের রক্ষা করুন। শয়তানের শয়তানি ও কুদৃষ্টি থেকে আমাদের হেফাজত করুন, আমিন। চলবে...

সূত্র : ইকরা নিউজ