ঢাকা, ১০ এপ্রিল, ২০২০
সর্বশেষ:
আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। অনলাইনে করোনা নিয়ে যোগাযোগ করতে আইইডিসিআরের ই-মেইল [email protected] এবং ফেসবুক পেজে (Iedcr,COVID19 Control Room) যোগাযোগ করা যাবে। জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

এবারো কী ১৪ জন খেলবে টাইগারদের বিরুদ্ধে!

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৭:২৮, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮   আপডেট: ২০:৪৫, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

লাল সবুজের বাংলাদেশ। ভৌগোলিকভাবে দেশটি ছোট হলেও প্রায় ১৮ কোটি মানুষের বসবাস এ দেশে। তবে দেশের জনসংখ্যা বিশাল হলেও প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে ক্রিকেট।

পাড়ার অলি গলি থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায়েও রয়েছে বাংলাদেশিদের ক্রিকেট উন্মাদনা। জাতীয় দলের জার্সিধারীরা টিম টাইগাররা দিন দিন আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে তাদের যোগ্যতা প্রমাণ করে যাচ্ছে একের পর এক। কিন্তু সেই যোগ্যতার প্রতি সুবিচার হয় না একটি জায়গায়- তা হচ্ছে আইসিসি (ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল)। বিশেষ করে বারবার পক্ষপাতমূলক আম্পায়ারিংয়ের শিকার হতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। এর অন্যতম জ্বলজ্বলে প্রমাণ রয়েছে ২০১৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ বনাম ভারতের খেলায়।

সেদিন বহু আশা নিয়ে বিশ্ব বাঙালির সবাই টিভির পর্দার সামনে বসে ছিলো শুধু টাইগারদের জয় দেখোর জন্য। কিন্তু সেদিন মাঠে টিম টাইগারদের ১১ জনের বিপক্ষে যেন নেমেছিল ১৪ জনের একটি দল। অন্যায্য আম্পায়িরংয়ের আশীর্বাদে সেদিন বিরাট কোহলিরা শেষ হাসি হাসে। মুশফিক, সাকিবদের চোখের পানি এখনও ভারাক্রান্ত করে বাঙালিকে।

কেননা সেদিন ব্যাটিং-এ ছিলেন ভারতের খোলোয়াড় বিরাট কোহলি আর বল হাতে এগিয়ে আসছিলেন টাইগার বোলার রুবেল। সেই বলের ক্যাচ তালু বন্দি করে নেন টাইগার ফিল্ডার। কিন্তু রুবেলের সেই বলটি নো-বল দিয়ে বিরাটকে আরো একবার ব্যাট করার সুযোগ করে দেয় আম্পায়ার আলিমদার। এখানে কিন্তু আমরা ১১জনের অতিরিক্তি একজন প্লেয়ারের পরিচয় পেলাম। কী অবাক হচ্ছে কে সেই খেলোয়াড়? উত্তরটা খুবই সহজ। সেই খেলোয়ার হলেন আম্পায়ার আলিমদার!

এরপরে বাংলাদেশের ব্যাটিং এর সময় যখন বাউন্ডারি লাইনে পা রেখে ক্যাচ তুলে নেয় কখন টিভির দুই অ্যাম্পায়ার সেটিকে আউট দিয়ে দেন। আর এখানে ভারতের আরো দুইটি খেলোয়ারের পরিচয় পাওয়া গেলো। তার মানে এখন পর্যন্ত আমরা ভারতের মোট ১৪জন খেলোয়ার পেয়েছে।

২০১৬ সালের এশিয়া কাপ ফাইনালের মতো আবারো এমন অবস্থা হবে কিনা এ নিয়ে চিন্তিত বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমি মানুষেরা। কেননা সেদিনও বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিলো ভারত আর আজকের দিনে সেই তারাই।

এদিকে, ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের অবস্থান নিয়েও কটূক্তি করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম। বুধবার অঘোষিত সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে ৩৭ রানে হারিয়ে এশিয়া কাপের ফাইনাল নিশ্চিত করে নেয় টিম টাইগার। এরপর মাশরাফিদের বেয়াদব বলে সম্বোধন করে রিপোর্ট করেন নিউজ ২৪ এর সাংবাদিক সাকশি জোশি।

ভারতীয়দের এমন আচরণে আদৌ কী শিরোপা ছিনিয়ে আনতে পারবে বাংলাদেশ? উত্তরটা এখন সময়ই বলে দিবে!

নিউজওয়ান২৪