ঢাকা, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
সর্বশেষ:
বগুড়া ও যশোরের উপনির্বাচন এবং চসিকের সিটি নির্বাচন ২৯ মার্চ জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

উদ্বৃত্ত অর্থ জমা নেয়া সংক্রান্ত বিলকে ‘কালো আইন’ বললেন ফখরুল

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৩:২৭, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর - ফাইল ফটো

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর - ফাইল ফটো



বিভিন্ন স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার উদ্বৃত্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা প্রদানে সংসদে যে আইন পাস হয়েছে তাকে ‘কালো আইন’ বলেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সংসদে পাস হওয়া এই আইনের ওপর প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে সাংবাদিকদের কাছে বিএনপি মহাসচিব এই মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ডেফিনেটলি এটি একটি কালো আইন। এই আইনটা করে তাদের (সরকার) যে দুরভিসন্ধি এটাকে লিগ্যালাইজ করেছে। দুরভিসন্ধিটা হচ্ছে তারা তো অর্থনীতিকে একেবারে ব্যানক্রাফট করে ফেলেছে। গত কয়েকদিনের পত্র-পত্রিকায় আমরা দেখতে পাব যে, ব্যাংক খাত থেকে সরকার ঋণ নিচ্ছে প্রায় ৪৯ হাজার কোটি টাকা এবং পত্র-পত্রিকায় যা বেরিয়েছে তাতে করে অর্থনীতির নেগেটিভ চিত্র ছাড়া পজেটিভ চিত্র কোথাও দেখা যায়নি।

মির্জা ফখরুল বলেন, আপনি দেখেন, সরকার কতটা ব্যানক্রাফসি হয়ে গেছে। এই যে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো আছে অতীতে ওইসব প্রতিষ্ঠান থেকে সরকার কখনোই টাকা নেয়নি। প্রত্যেক অটোনমাস বডিজ তার নিজস্ব ফান্ড তৈরি হয়েছে, সেই ফান্ডের আরও উন্নতি হয়েছে, ওইসব সংস্থার বিভিন্ন প্রজেক্ট তারা বাস্তবায়িত করার চেষ্টা করেছে এবং একইসঙ্গে আরও বিস্তার লাভ করেছে।

দেশের অর্থনীতির দুরবস্থা তুলে ধরে তিনি বলেন, একমাত্র প্রবাসীদের আয় রেমিটেন্স ডলারের হিসেবে কিছুটা পজিটিভনেস দেখা গেছে। তাছাড়া বাকি সব খাতের সূচক নেগেটিভ। বিশেষ করে সবচেয়ে বড় সমস্যা রফতানি আয় কমে গেছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে যে গার্মেন্টস খাত, যার ওপর আমাদের সবচেয়ে বেশি নির্ভর করতে হয় সেখানকার অবস্থা খুব খারাপ।

এদিকে সদ্য অনুষ্ঠিত সিটি নির্বাচন নিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ভোট তো তারা চুরি করে নিয়ে গেছে, ডাকাতি করে নিয়ে গেছে ইভিএম দিয়ে। এর প্রমাণ আমরা একেবারে মেশিন দেখিয়ে দিয়ে দিয়েছি। এখন আপনি দেখবেন যে, নির্বাচনী কেন্দ্রগুলো থেকে যে রিসিপ্ট পেপার পাওয়ার কথা সেই রিসিপ্ট পেপার এখনও কেউ পাইনি। দেখবেন যে সেগুলোতে এত গরমিল যে এটা ইভিএমে চিন্তাই করা যায় না।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, উনি তো যা ইচ্ছা বলতেই পারেন। উনাকে কিছুটা বলার মধ্যে আমরা আনন্দ লাভ করি, উনি সুন্দরভাবেই কথাগুলো বলেন। বিষয়টা সেটা নয়। বিষয়গুলো ছেলেখেলা নয়, ছেলেমানুষী না।

গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় রিয়াজউদ্দিন নসু ও শায়রুল কবির খান উপস্থিত ছিলেন।

নিউজওয়ান২৪.কম/এমজেড