ঢাকা, ০৮ জুলাই, ২০২০
সর্বশেষ:
সেহরি ও ইফতারের সময় সূচি : ঢাকায় প্রথম রোজার সেহরির শেষ সময় রাত ৪টা ৫ মিনিটে আর ইফতার হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিটে। আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। অনলাইনে করোনা নিয়ে যোগাযোগ করতে আইইডিসিআরের ই-মেইল [email protected] এবং ফেসবুক পেজে (Iedcr,COVID19 Control Room) যোগাযোগ করা যাবে। জরুরি প্রয়োজনে কল করুন- ৯৯৯

অধিনায়ক মাশরাফিকে রেকর্ডময় ম্যাচ জিতে বিদায় জানাল টাইগাররা

খেলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০০:০১, ৭ মার্চ ২০২০  

অধিনায়ক মাশরাফী-ফাইল ফটো

অধিনায়ক মাশরাফী-ফাইল ফটো


বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৪৩ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ সংগ্রহ করে ৩২২ রান। আর বৃষ্টি আইনে জিম্বাবুয়ের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩৪২। 

জবাবে ব্যাট করতে নেমে সবক’টি উইকেট হারিয়ে জিম্বাবুয়ে থামে ২১৮ রানে। আর তাতেই বাংলাদেশ দল ১২৩ রানের জয় তুলে নেয়। এটি অধিনায়ক হিসেবে মাশরাফির ৫০তম জয়।

বৃষ্টি আইনে বাংলাদেশের ৩২২ রানের পর জিম্বাবুয়েকে জয়ের লক্ষ্য দেয়া হয় ৩৪২ রানের। জবাব দিতে নেমে ইনিংসের প্রথম ওভারেই মাশরাফির বলে কামুনহুকামুয়েকে (৪) ফিরতে হয়। এরপর রোডেশিয়ানদের দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেন সাইফউদ্দিন। ফেরেন অভিজ্ঞ ব্রেন্ডন টেইলর (১৪)। দলীয় ২৮ রানেই ফেরেন দুই টপ অর্ডার।

এরপর অধিনায়ক শন উইলিয়ামসকে নিয়ে বিপর্যয় সামলান চাকাবা। তবে ওয়ানডেতে অভিষিক্ত আফিফের প্রথম শিকার হয়ে ফিরতে হয় উইলিয়ামসকে (৩০)। এরপর মাধেভেরকে সঙ্গে নিয়ে ৩৯ রানের জুটি গড়েন চাকাবা। কিন্তু দলীয় ১১৩ রানে তাইজুলের বলে বোল্ড হয়ে চাকাবা (৩৪) ফিরলে ভাঙে এই জুটি। পঞ্চম উইকেট জুটিতে সিকান্দার রাজার সঙ্গে ৩৭ রানের জুটি গড়েন মাধেভের। সাইফউদ্দিনের দ্বিতীয় শিকার হয়ে মাধেভের (৪২) যখন ফিরলেন তখন সফরকারীদের অপেক্ষা কেবল হারের। রোডেশিয়ানদের ষষ্ঠ উইকেটের পতন ঘটে অদ্ভুতুড়ে এক রান আউটে। রিচমন্ড মুতুম্বামি ফেরেন কোনো রান যোগ না করেই।

টিনোনেডা মুতুম্বোদজি (৭), ত্রিপানো (১৫) আর শুমা (০) ফিরলে বাংলাদেশ সহজ জয় তুলে নেয়। টাইগারদের হয়ে সাইফউদ্দিন ৪টি, তাইজুল ২টি এবং একটি করে উইকেট নেন মুস্তাফিজুর, আফিফ এবং মাশরাফিন বিন মুর্ত্তজা।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের দুই ওপেনার লিটন দাস এবং তামিম ইকবালের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ৪৩ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ তোলে ৩২২ রান। উদ্বোধনী জুটিতে লিটন-তামিম তোলেন রেকর্ড ২৯২ রান। যা যে কোনো উইকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের জুটি। আর দেশের ইতিহাসে তামিম ইকবালের ১৫৮ রানের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড ভেঙে লিটন দাস খেলেন ১৭৬ রানের বিধ্বংসী এক ইনিংস। এর আগে অবশ্য বৃষ্টির কারণে ম্যাচের ওভার কমিয়ে ৪৩ ওভার করা হয়।

ইনিংসের ৩৩তম ওভারে ছয় হাঁকিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসের উদ্বোধনী জুটিতে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়েন তামিম। এর আগে বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটিতে সর্বোচ্চ রানের জুটি ছিল ১৯৯৯ সালে শাহরিয়ার হোসেন এবং মেহরাব হোসেনের ১৭০ রানের।

১১৪ বলে ১৩টি চারে শতক পূর্ণ করেন লিটন। এরপর বৃষ্টি বাধায় ম্যাচ বেশ কিছু সময় বন্ধ ছিল। বিরতি থেকে ফিরে ইনিংসের ৩৯তম ওভারে নিজের শতক পূর্ণ করেন তামিম। ৯৮ বলে ১০০ রান করতে তামিম হাঁকান ৫টি চার এবং ৪টি ছয়।

বাংলাদেশ ক্রিকেটে ব্যাটিংয়ের প্রায় সব রেকর্ডই তামিমের দখলে। আর সেই তামিমকেই সাক্ষী রেখে তার একটি রেকর্ড কেড়ে নিলেন লিটন দাস। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয়টিতে ১৪৩ বলে ১৭৬ রানের ইনিংস খেলে বাংলাদেশের ইতিহাসের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের ইনিংস নিজের দখলে নেন লিটন। এর আগে সিরিজের ২য় ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৫৮ রান করে নিজের রেকর্ড নিজেই ভেঙেছিলেন তামিম।

শেষ পর্যন্ত তামিম ইকবাল অপরাজিত থাকেন ১০৯ বলে ১২৮ রানে। আর আফিফ হোসেন ৪ ও রিয়াদ ৩ রান করলে বাংলাদেশের মোট সংগ্রহ দাঁড়ায় ৪৩ ওভারে ৩ উইকেটে ৩২২ রান। জিম্বাবুয়ের হয়ে তিনটি উইকেটই নেন কার্ল মুম্বা।

নিউজওয়ান২৪.কম/এমজেড