গুরুত্ব বিবেচনায় নামাজের প্রকার...
ফাইল ছবি
‘শরিয়ত নির্দেশিত ক্রিয়া-পদ্ধতির মাধ্যমে মহান রাব্বুল আলামীন আল্লাহর নিকটে বান্দার ক্ষমা ভিক্ষা ও প্রার্থনা নিবেদনের শ্রেষ্ঠতম ইবাদতকে নামাজ বলা হয়, যা তাকবীরে তাহরীমা দ্বারা শুরু হয় ও সালাম দ্বারা শেষ হয়।’
নামাজ (ফার্সি: نَماز) বা সালাত- এর আভিধানিক অর্থ দোয়া, রহমত, ক্ষমা প্রার্থনা করা ইত্যাদি।
নামাজে মহান আল্লাহকে স্মরণ করা হয়, তাঁর প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করা হয়। প্রকৃতঅর্থে নামাজের কোনো প্রকারভেদ নেই; নামাজ নামাজই। তবে গুরুত্ব বিবেচনায় শরিয়ত নামাজকে একাধিক ভাগে ভাগ করেছে। যেমন- ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নাত ও নফল নামাজ। নিচে এ বিষয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হলো।
ফরজ:
ফরজ নামাজ অবশ্যই পড়তে হবে। না পড়লে গুনাহ হবে। এ নামাজ আবার দুই ধরনের। যথা- (১) ফরজে আইন। যা প্রত্যেকের জন্য আলাদাভাবে ফরজ। ফরজে আইনের অন্তর্ভুক্ত নামাজগুলো হলো- ফজরের নামাজ; জোহরের নামাজ; আসরের নামাজ; মাগরিবের নামাজ; এশার নামাজ ও জুমার নামাজ। (২) ফরজে কিফায়া। যা আদায় করা প্রত্যেকের জন্য আলাদাভাবে ফরজ নয়। যেমন- জানাজার নামাজ।
ওয়াজিব:
যে নামাজের গুরুত্ব ফরজের পরই। যেমন- দুই ঈদের নামাজ ও বিতর নামাজ হচ্ছে ওয়াজিব। কেউ ইচ্ছাকৃত ও নিয়মিত না পড়লে গুনাহ হবে।
সুন্নাত:
ফরজ নামাজের পাশাপাশি সুন্নাত নামাজের গুরুত্বও কম নয়। কারণ সঠিক পদ্ধতিতে গুরুত্ব সহকারে সুন্নাত নামাজ আদায় করার মাধ্যমে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুপম আদর্শ অনুসরণ ও তাঁর প্রতি অগাধ ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটে। সুন্নাত নামাজের গুরুত্ব সম্পর্কে বলা হয়, কিয়ামতের দিন কারো ফরজ নামাজে ঘাটতি থাকলে, এ নামাজ দ্বারা মহান আল্লাহতায়ালা সেই ঘাটতি পূরণ করবেন। এ নামাজ আবার দুই ধরনের। যথা- (১) সুন্নাতে মুয়াক্কাদা। যা রাসূল (সা.) নিয়মিত আদায় করতেন। যেমন- ফজরের ফরজের পূর্বে ২ রাকাত; জোহরের ফরজের পূর্বে ৪ রাকাত ও পরে ২ রাকাত; মাগরিবের ফরজের পরে ২ রাকাত; এশার ফরজের পরে ২ রাকাত এবং তারাবির নামাজ। (২) সুন্নাতে গায়রে মুয়াক্কাদা। যা রাসূল (সা.) নিয়মিত আদায় করতেন না, কখনো বিশেষ প্রয়োজনে ছেড়েও দিতেন। এ নামাজ আদায় করলে অশেষ পুণ্য লাভ করা যায়, কিন্তু কোনো কারণে আদায় করতে না পারলে গুনাহ হবে না। যেমন- আসরের ফরজের পূর্বে ৪ রাকাত এবং এশারের ফরজের পূর্বে ৪ রাকাত।
নফল:
নফল নামাজ পড়লে অনেক সওয়াব পাওয়া যায়। অনেকের মতে, হাশরের মাঠে যদি ফরজ নামাজ প্রয়োজনের থেকে কম থাকে, তাহলে মহান আল্লাহ ফরজের পরে ওয়াজিব, সুন্নাত ও নফল ইত্যাদি থেকে নিয়ে সেই মানুষকে উদ্ধারের চেষ্টা করবেন। কাজেই আপাত দৃষ্টিতে এটা খুব একটা জরুরি মনে না হলেও প্রকৃত অর্থে অত্যন্ত জরুরি। এ নফল নামাজই রোজ হাশরে মানুষের জন্য বেহেশত-দোজখের সিদ্ধান্তকারী হয়ে যেতে পারে। তাহাজ্জুদ, এশরাক, চাশত, আওয়াবিন- এগুলো হলো গুরুত্বপূর্ণ নফল নামাজ।
নিউজওয়ান২৪/আরএডব্লিউ
- যে দোয়ায় গলার কাঁটা নেমে যাবে ইনশাল্লাহ!
- ফরজ নামাজের পর প্রয়োজনীয় কিছু আমল
- দরুদে ইব্রাহিম
- মা-বাবার জন্য দোয়া
- তাহিয়্যাতুল-মাসজিদ
মসজিদে ঢুকেই দু’রাকাত নামাজ... - পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি...
- দরুদে ইব্রাহিম
- কোরআন হাদিসের আলোকে জুমা’র দিনের গুরুত্ব ও তাৎপর্য
- ঋণ মুক্তির সর্বোত্তম আমল
- ফজিলতপূর্ণ কিছু দোয়া ও আমলসমূহ
- পবিত্র কোরআনের তথ্যকণিকা
- জুমার দিনের ৩ আমল
- হযরত আদম আ. এর বিয়ের মহর কত ছিল!
- ফেরেশতা পরিচিতি...
- ‘নিশ্চয় নামাজ অশ্লীল ও অন্যায় কাজ থেকে বিরত রাখে’

ফ্রিতে আইটি প্রশিক্ষণ, কোর্স শেষে চাকরির সুযোগ
ফোনের চার্জ কখনো ফুরাবে না, যদি...
কোরবানির গরু কিনলে ছাগল উপহার
হজ ফরজ হওয়ার পর মাহরাম না থাকলে নারীদের করণীয়