ভোটের বছরে রিজার্ভ বেড়ে ফের ৩২ বিলিয়ন ডলার
নিজস্ব প্রতিবেদক
নিউজ ওয়ান২ ৪
প্রকাশিত : ০১:১৮ পিএম, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ সোমবার
ফাইল ছবি
নির্বাচনের বছরে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ফের ৩২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ তিন হাজার ২০০ কোটি টাকা। ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় নির্বাচনের দুই দিন আগে গেল বৃহস্পতিবারেই (২৭ ডিসেম্বর) দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ ৩২ দশমিক শূন্য ২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায় বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাবে, ধারাবাহিকভাবে গত কয়েক বছর ধরে অব্যাহতভাবে বাড়ছে রিজার্ভ বাড়ার রেকর্ড। প্রতি মাসে ৪ বিলিয়ন ডলার আমদানি খরচ হিসেবে এই পরিমাণের রিজার্ভ দিয়ে আট মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। তথ্য অনুযায়ী, দেশের ইতিহাসে রিজার্ভের পরিমাণ সর্বোচ্চ ৩৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছিল ২০১৭ সালের ২২ জুন। পরে মাস দুয়েকের মধ্যে তা আরো বেড়ে ৩৩ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়।
এর আগে ২০১৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর অর্থনীতির অন্যতম প্রধান এই সূচকটি ৩১ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়। ওই বছরের ৪ নভেম্বর এটা আবার বেড়ে ৩২ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) আমদানি বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ ৩৩ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে আসে। এরপর আর ৩৩ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেনি।
এভাবে আমদানি ব্যয় বাড়ায় রিজার্ভ ৩২ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে আসে। গত নভেম্বরে তা ৩১ বিলিয়ন ডলারেরও নিচে নেমে যায়। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স এবং রফতানি আয় বাড়ায় ভোটের আগে সেই রিজার্ভ আবার ৩২ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল।
এছাড়া জাপানি তামাক কোম্পানি জাপান টোব্যাকো (জেটি) গ্রুপ বাংলাদেশে আকিজ গ্রুপের মালিকানায় থাকা ইউনাইটেড ঢাকা টোব্যাকো কোম্পানি লিমিটেডকে (ইউডিটিসি) কিনে নেয়ার ৫৬ কোটি ডলার রিজার্ভে যোগ হয়েছে। যা বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার ফের ৩২ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করার পেছনে অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা দিয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, বাজারে ডলারের চাহিদা বাড়ায় চলতি অর্থবছরের (২০১৮-১৯) প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) ১১৩ কোটি ৪০ লাখ (১.১৩ বিলিয়ন) ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ। এতে গেল বৃহস্পতিবারও ২৮ মিলিয়ন ডলার কেনা হয়েছে। আর বিদায়ী বছরের (২০১৮) নভেম্বর-ডিসেম্বর সময়ে আকুর আমদানি বিল বাবদ জমা হয়েছে ১১৫ কোটি ডলার। যা নতুন বছরের প্রথম সপ্তাহে পরিশোধ করতে হবে।
নিউজওয়ান২৪/ইরু
