NewsOne24

অসাধারণ যত আবিষ্কার

সাতরং ডেস্ক

নিউজ ওয়ান২ ৪

প্রকাশিত : ০৯:৫০ পিএম, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮ শনিবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

আবিষ্কার এবং আবিষ্কারক প্রযুক্তির এই যুগে উভয়ের গুরুত্বই সমান। কারণ এই দু’ইয়ের উপস্থিতি ব্যতীত সমাজ হয়তো এতটা উন্নতি করতে পারতো না। প্রযুক্তির অগ্রগতির ক্ষেত্রে প্রস্তর যুগকে বলা হতো অন্ধকার যুগ কারণ তখন প্রযুক্তি তো দূরের কথা মানুষ চিন্তা করতো কীভাবে দু’মুঠো খেয়ে জীবনধারণ করা যায়। 

পরবর্তীতে, মধ্যযুগে মানুষ কিছুটা হলেও আধুনিক যুগে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল লোহার যন্ত্র বা চাকার আবিষ্কারের মাধ্যমে। আধুনিক যুগ কিন্তু একদিনে আধুনিক হয়নি এর পেছনে রয়েছে সেই প্রস্তর যুগের কিংবা মধ্যযুগের অবদান। ছোট ছোট সেই আবিষ্কারগুলোই আজ স্থান এবং প্রেরণা দিয়েছে বড় বড় বৈপ্লবিক আবিষ্কার সাধনের।

বিবর্তনবাদের মধ্যেও লেখা আছে হাজারো শ্রম, চেষ্টা বা অধ্যবসায়ের ইতিহাসে তৈরি এই আধুনিক বিশ্বের। যত দিন যাচ্ছে প্রযুক্তির নতুন নতুন উদ্ভাবন যেন তার দু’দিন আগের পুরোনো প্রযুক্তিকে বহু গুণে ছাড়িয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে বলতে গেলে একবিংশ শতাব্দীতে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির যৌথ সমন্বয়ে সাধিত হচ্ছে অপার অগ্রগতি।

যে অগ্রগতি এবং উদ্ভাবনগুলো এই প্রজন্মের মানুষের জীবনমান এবং বুদ্ধিবৃত্তিক চিন্তাগুলোকে দিয়েছে অবাধ স্বাধীনতা। তবে জেনে নিন এই প্রজন্মের কয়েকটি বৈপ্লবিক আবিষ্কারের কথা যেগুলো পরিবর্তন করে দিয়েছে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি এবং দেখিয়েছে অজানা এবং কঠিন সব কাজ সম্ভব করার উপায়-


দ্য ডক
সমুদ্রে সি সার্ফিং অনেকেই করেছে। আবার হয়তো অনেকেই ভয়ে চেষ্টাই করেনি। এখন সময় এসেছে ভয় দূর করে সমুদ্রের জলে দাপটে ঘুরে বেড়ানোর। দ্য ডক নামক অদ্ভুত এই বোটটির সাহায্যে যে কেউ পাড়ি দিতে পারবে সমুদ্রের চড়াই উতরাই সব ঢেউয়ের উপর।


ফটো জোজো
ছবি তোলার ক্ষেত্রে বিজ্ঞানের সাম্প্রতিক একটি বড় উদ্ভাবন হলো ফটো জোজো। কোনো বন্ধু যদি ফটো তুলতে লজ্জা পায় কিংবা কেউ তার অজান্তেই তার ফটো তুলতে চায় তাহলে তার জন্য এটি একটি অদ্ভুত এবং দারুণ সংযোজন। এর মাধ্যমে কারো সামনে না দাঁড়িয়েই তার ছবি সহজেই তোলা সম্ভব।


স্মার্ট হেডফোনস
সাধারণ হেডফোনগুলো থেকে একটু অন্য ধরনের এটি। আর পাঁচটা সাধারণ ইয়ারফোন যেখানে হাওয়ার মাধ্যমে শব্দকে আমাদের কানে সঞ্চালিত করে থাকে সেখানে এই স্মার্ট হেডফোনটিতে থাকা বোন কন্ডাকশন স্পিকার ভাইব্রেশন এর মাধ্যমে কানের অভ্যন্তরে পৌঁছে দেয় কাঙ্খিত শব্দকে।


স্কিবিট 
ঘরের দেয়ালে বিভিন্ন ধরনের রং করে থাকে কেউ আবার রকমারি বর্ণের পেইন্টিংও করে থাকে। কিন্তু সেই যুগ পরিবর্তনের আভাস দিয়ে ঘরকে ডিজিটাল স্টাইলে সাজানোর সুযোগ করে দিয়েছে স্কিবিট। এই রোবটটি দ্বারা ঘরের দেয়ালে যেকোনো ছবি আঁকা বা মোছা সম্ভব। প্রয়োজনীয় স্টাইলের জন্য প্রথমে দেয়ালে দু’টো পেরেক ঠুকে নিতে হবে তারপর রোবটটিকে বৈদ্যুতিক সংযোগের আওতায় আনতে হবে। অতঃপর স্মার্টফোনের সঙ্গে সংযুক্ত করে ঘরের দেয়ালকে সাজানো যাবে পছন্দমত। এতে রয়েছে রঙের সুবিধা এবং যেকোনো ধরনের সারফেসে কাজ করতে পারে এ রোবটটি।
 

ব্লো কুলিং ডিভাইস 
গরমের হাত থেকে রেহাই পেতে এটি ব্যবহার করা যেতে পারে জামা, প্যান্ট বা শরীরের অন্য যে কোনো অংশে। ছোট্ট এই জিনিসটি পড়ার পরে একটু হলেও নিজেকে অদ্ভুত দেখাবে। কারণ এর একটা অংশ শরীরের বাইরে থাকে। ক্রেতা চাইলে এর মধ্যে তরল পদার্থ ব্যবহার করতে পারবে যা অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে কাজ করবে।

নিউজওয়ান২৪/এএস