NewsOne24

‘ছোট্ট’ বলে অবহেলা নয়- বিপদে শিশুরাও হতে পারে প্রাণরক্ষাকারী!

স্বাস্থ্য ডেস্ক

নিউজওয়ান২৪.কম

প্রকাশিত : ০২:১৪ পিএম, ২৪ নভেম্বর ২০১৬ বৃহস্পতিবার | আপডেট: ০৩:২৪ পিএম, ২৭ নভেম্বর ২০১৬ রোববার

বাবা মার্কের সঙ্গে গর্বিত শিশু লেনি

বাবা মার্কের সঙ্গে গর্বিত শিশু লেনি

ডায়াবেটিসজনিত কোমা থেকে বাবাকে বাঁচালো ৩ বছরের শিশু!

মা বাসায় ছিলেন না। বাবা ঘরে ছিলেন। হঠাৎ তার শারীরিক অবস্থা খারাপ হতে থাকে। এই সমস্যাটা ডায়াবেটিসজনিত। শরীরের প্রয়োজনীয় উপকরণের তীব্র অভাবের ফলে ৩৪ বছর বয়সী মার্ক কোমায় চলে যেতে থাকে।

পাশে থাকা তিন বছর বয়সী পুত্র লেনি-জর্জ জোন্স বাবাকে খেয়াল করছিল। সে ঘটনার ভয়াবহতা ঠাহর করতে পারে। লেনি দেখে তার বাবা পাকঘরের মেঝেতে পড়ে আছে।

লেনি তার শিশুসুলভ মানসেও এটা ধরতে পারে যে খুব খারাপ কিছু একটা হতে যাচ্ছে তার বাবার সঙ্গে। এমন অবস্থায় সে তার বাবাকে ফ্রিজে থাকা দই খাইয়ে প্রাণে বাঁচতে সহায়তা করে। সে দ্রুত তার ছোট্ট নীল চেয়ারটা ফ্রিজের কাছে টেনে নেয়। এরপর তাতে উঠে ফ্রিজের ওপরের তাক থেকে দুটো দইয়ের বার নিয়ে এসে বাবার মুখে ঠেঁসে দেয়। দইয়ের গুণে মার্কের শরীরে চিনির মাত্রা বিপদ ঠেকানোর মতো স্বাভাবিক হয়ে আসে। এরপর তিনি দ্রুত গ্লুকোজ ট্যাবলেট নিতে সক্ষম হন।

সম্প্রতি এ ঘটনা ঘটে যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার, ড্রয়েল্সডেন এলাকায়।

শিশুটির মা ৩১ বছর বয়সী এমা বাসায় ফিরে দেখেন মার্ক সোফায় পড়ে আছে অস্বাভাবিকভাবে।

আমি বিষয় কী জিজ্ঞেস করতেই লেনি বলে, আমি বাবাবে বাঁচিয়েছি! এরপর স্ত্রীর সেবায় দ্রুত স্বাভাবিক হন মার্ক।

এ ঘটনায় এমা তার ছোট্ট বাবু লেনিকে নিয়ে গর্ব আর আনন্দে উৎফুল্ল হয়ে ওঠেন।

ম্যানচেস্টার ইভিনিং নিউজকে তিনি বলেন, ছেলে তার বাপকে বাঁচিয়েছে।
মার্ক একজন টাইপ-ওয়ান স্তরের যায়াবেটিক রোগী যাকে দিনে চারবার ইনসুলিন নিতে হয়।

ধারণা করা হচ্ছে- শিশুটি এর আগে এ ধরনের পরিস্থিতি দেখেছে এবং সে এটাও দেখেছে থেকে দই খেয়ে তার বাবা সুস্থ হয়ে উঠেছে। তাই বিপদের সময়ে সে তৎপর হয়ে উঠে পরিবারকে চরম বিপর্যয় থেকে বাঁচিয়েছে। মিরর.কম 

নিউজওয়ান২৪.কম/এমএস