মহাকাশে জন্মাবে শিশু!
নিউজ ডেস্ক
নিউজ ওয়ান২ ৪
প্রকাশিত : ০৯:৫৬ এএম, ৫ নভেম্বর ২০১৮ সোমবার
ফাইল ছবি
এবার মহাকাশেও জন্ম নিবে শিশু! নেদারল্যান্ডসের ‘স্পেসলাইফ অরিজিন’ দল বিজ্ঞানী মহাকাশে কীভাবে সন্তান জন্ম দেয়া যায় তার স্বপ্ন দেখছেন। তাদের ধারণা বড় জোর ২০২৪ সালে এ বিষয়ে সফল হতে পারবেন। ওই সময়ের মধ্যেই মহাকাশে নতুন প্রাণ আলো দেখবে। স্পেস স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হবে এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে। আর তার পর সেখানেই জন্ম নেবে শিশু।
এই অভিযানের নাম, ‘মিশন ক্রেডল’। স্পেস স্টেশনে ৩৬ ঘণ্টার অভিযানের সঙ্গে থাকবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের দল। পৃথিবী থেকে প্রায় ৪০৩ কিলোমিটার উপরে জন্ম নেবে শিশু। ‘স্পেসলাইফ অরিজিন’ নামে একটি সংস্থার মাধ্যমে নেদারল্যান্ডসের এক দল বিজ্ঞানী স্বেচ্ছাসেবী খুঁজছেন, যিনি মহাকাশে সন্তানের জন্ম দিতে ইচ্ছুক। তবে সে ক্ষেত্রে স্বেচ্ছাসেবীদের পৃথিবীতে দু’জন সুস্থ সন্তানের জন্ম দেয়ার রেকর্ড থাকতে হবে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, ‘স্মল স্টেপ ফর আ বেবি’, ‘জায়ান্ট বেবি স্টেপ ফর ম্যানকাইন্ড’। মহাকাশে মানবজাতির উপনিবেশ গড়ে তোলাই লক্ষ্য এই বিজ্ঞানীদের। অন্তঃসত্ত্বাকে এ ক্ষেত্রে স্বাভাবিক মহাকর্ষীয় বলের বাইরে রাখা হবে। ২৫ জন অংশগ্রহণকারীকে মহাকাশে নিয়ে যাওয়া হবে, যাতে দু’দিনের অভিযানে কোনো না কোনো শিশু জন্ম নেয়। ভ্রূণের বয়স সাড়ে আট মাস হলে তবেই হবু মা-কে মহাকাশে পাঠানো হবে, তার আগে নয়।
প্রথমে স্পেস স্টিমুলেটরে অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের মেডিকেল স্ক্রিনিং করা হবে। অসুস্থ হয়ে পড়লে কী করা হবে, সেই প্রস্তুতিও নেয়া থাকবে। ২০২২ সালে এই নির্বাচন পর্ব শুরু হবে বলে জানা গিয়েছে। মূলত আইভিএফ পদ্ধতির সাহায্য নিয়েছেন, এরকম মহিলাদের নিয়ে যাওয়া হবে।

সংস্থার সিইও কেইস মুল্ডার বলেন, মহাকাশে কীভাবে ভূমিষ্ঠ হবে শিশু, তা শিখতে হবে মানবজাতির স্বার্থেই। ২০২১ সালে মিশন লোটাসে একটি ইনকিউবেটর নিয়ে যাওয়া হবে মহাকাশে, সেখানে থাকবে, ‘স্পার্ম ও এগস’। ভ্রুণ হঠন হলেই তা আবার ফিরিয়ে আনা হবে। সে ক্ষেত্রে ইনকিউবেটরে থাকবে স্বাভাবিক মহাকর্ষ। সে ভাবেই তৈরি করা হবে প্রযুক্তি, যাতে ভ্রূণ ভারহীনতায় না ভোগে।
পরবর্তীতে মহাকাশেই স্বাভাবিক পদ্ধতিতে যুগল যাতে সন্তান ধারণ করতে পারে, সেটিও দেখা হবে এর মাধ্যমে। ২০২০ সালে ‘সিডস অব লাইফ টিউবস’-এ আর্ক অভিযানে সঞ্চিত রাখা হবে মানব দেহের জননকোষ।
সূত্র : ডেইলি মেইল
নিউজওয়ান২৪/জেডএস
